📄 সোনা ও রুপার প্লেট বা চামচ প্রসঙ্গে
কখনও সোনা বা রুপার তৈরি প্লেট বা চামচ ব্যবহার করে খাবেন না। এগুলো ইসলামি আদবের বিরোধী। ইসলাম এই ধরনের দাম্ভিকতাকে অনুমোদন দেয় না। সহিহ বুখারিতে হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রা. বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, “তোমরা স্বর্ণ ও রুপার পাত্রে বা প্লেটে খাবার খেয়ো না। কেননা, এই পার্থিব জীবনে এগুলো কাফিরদের জন্য আর আখিরাতে এগুলো তোমাদের জন্য। যদি মেহমান হিসেবে কোথাও যাও আর তোমাদের সামনে এই জাতীয় দামি তৈজসপত্র দেওয়া হয় তা হলে মেজবানকে বলো যাতে তোমাদের সাধারণ মানের প্লেট ও পেয়ালা সরবরাহ করা হয়।”
কেন স্বর্ণ বা রুপার বাসনে খেতে না করা হলো তার কারণ নিয়ে ইসলামি চিন্তাবিদদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে। কেউ কেউ বলেন, এজন্য এইসব পাত্রে খেতে না করা হয়েছে, কারণ আগে যে স্বৈরশাসকেরা রাজত্ব করে গেছেন, এটা তাদের রীতি। তাই তাদের অনুকরণ হয় এমন কিছু করা যাবে না। আরেকটি মত হলো- মানুষের মধ্যে অপব্যয়, ঔদ্ধত্যু ও অহংকারকে নিরুৎসাহিত করার জন্যই রাসূল সা. সোনা ও রুপার পাত্রে খাবার খেতে নিষেধ করেছেন।
কখনও সোনা বা রুপার তৈরি প্লেট বা চামচ ব্যবহার করে খাবেন না। এগুলো ইসলামি আদবের বিরোধী। ইসলাম এই ধরনের দাম্ভিকতাকে অনুমোদন দেয় না। সহিহ বুখারিতে হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রা. বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, “তোমরা স্বর্ণ ও রুপার পাত্রে বা প্লেটে খাবার খেয়ো না। কেননা, এই পার্থিব জীবনে এগুলো কাফিরদের জন্য আর আখিরাতে এগুলো তোমাদের জন্য। যদি মেহমান হিসেবে কোথাও যাও আর তোমাদের সামনে এই জাতীয় দামি তৈজসপত্র দেওয়া হয় তা হলে মেজবানকে বলো যাতে তোমাদের সাধারণ মানের প্লেট ও পেয়ালা সরবরাহ করা হয়।”
কেন স্বর্ণ বা রুপার বাসনে খেতে না করা হলো তার কারণ নিয়ে ইসলামি চিন্তাবিদদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে। কেউ কেউ বলেন, এজন্য এইসব পাত্রে খেতে না করা হয়েছে, কারণ আগে যে স্বৈরশাসকেরা রাজত্ব করে গেছেন, এটা তাদের রীতি। তাই তাদের অনুকরণ হয় এমন কিছু করা যাবে না। আরেকটি মত হলো- মানুষের মধ্যে অপব্যয়, ঔদ্ধত্যু ও অহংকারকে নিরুৎসাহিত করার জন্যই রাসূল সা. সোনা ও রুপার পাত্রে খাবার খেতে নিষেধ করেছেন।