📘 ইসলামিক ম্যানারস 📄 পান করার আদব

📄 পান করার আদব


পান করার আদবও গুরুত্বপূর্ণ। পানি বা অন্য কোনো পানীয় পান করার সময়ও আল্লাহর নাম নিয়েই শুরু করতে হবে। সব সময় ডান হাতে পান করতে হবে। হারিসাহ ইবনু ওয়াহাব আল-খুযায়ি রহ. বলেন, উম্মুল মুমিনিন হাফসা বিনতে উমর রা. আমাকে বলেছেন, "নবি সা. খাবার গ্রহণ, পানীয় পান ও পোশাক পরিধানের কাজ ডান হাতে করতেন।” আবু দাউদ : ৩২

একবারে পুরো গ্লাসের পানি মুখের ভেতর ঢেলে দেবেন না। বরং তিনবারে থেমে থেমে এক গ্লাস পানি খাবেন। ইবনে আব্বাস রা. বর্ণনা করেন, রাসূল সা. বলেছেন, “তোমরা উটের মতো পান করো না। দুবারে বা তিনবারে নির্ধারিত পানি পান করো। পান করার আগে আল্লাহর নাম নাও। আবার পান শেষে আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জানাও।" তিরমিযি: ১৮৮৫

গ্লাসে নিশ্বাস ছেড়ে বা ফুঁ দিয়ে গ্লাসটি ঘোলা করবেন না। এই আচরণ অন্যদের বিরক্ত ও বিব্রত করে। ইবনে আব্বাস রা. আরেকটি বর্ণনায় বলেন, “রাসূল সা. গ্লাসের ভেতর ফুঁ দিতে নিষেধ করেছেন।” আবু দাউদ: ৩৭২৮

জগ বা কন্টেইনার থেকে সরাসরি পান করবেন না। আপনার পর আরও যদি কেউ পান করার মতো থাকে, তা হলে এই ধরনের আচরণে তারা পান করতে নিরুৎসাহিত হতে পারে। আবু হুরায়রা রা. জানিয়েছেন, রাসূল সা. সরাসরি মূল পাত্রের ছিপিতে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।

পান করার আদবও গুরুত্বপূর্ণ। পানি বা অন্য কোনো পানীয় পান করার সময়ও আল্লাহর নাম নিয়েই শুরু করতে হবে। সব সময় ডান হাতে পান করতে হবে। হারিসাহ ইবনু ওয়াহাব আল-খুযায়ি রহ. বলেন, উম্মুল মুমিনিন হাফসা বিনতে উমর রা. আমাকে বলেছেন, "নবি সা. খাবার গ্রহণ, পানীয় পান ও পোশাক পরিধানের কাজ ডান হাতে করতেন।” আবু দাউদ : ৩২
একবারে পুরো গ্লাসের পানি মুখের ভেতর ঢেলে দেবেন না। বরং তিনবারে থেমে থেমে এক গ্লাস পানি খাবেন। ইবনে আব্বাস রা. বর্ণনা করেন, রাসূল সা. বলেছেন, “তোমরা উটের মতো পান করো না। দুবারে বা তিনবারে নির্ধারিত পানি পান করো। পান করার আগে আল্লাহর নাম নাও। আবার পান শেষে আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জানাও।" তিরমিযি: ১৮৮৫
গ্লাসে নিশ্বাস ছেড়ে বা ফুঁ দিয়ে গ্লাসটি ঘোলা করবেন না। এই আচরণ অন্যদের বিরক্ত ও বিব্রত করে। ইবনে আব্বাস রা. আরেকটি বর্ণনায় বলেন, “রাসূল সা. গ্লাসের ভেতর ফুঁ দিতে নিষেধ করেছেন।” আবু দাউদ: ৩৭২৮
জগ বা কন্টেইনার থেকে সরাসরি পান করবেন না। আপনার পর আরও যদি কেউ পান করার মতো থাকে, তা হলে এই ধরনের আচরণে তারা পান করতে নিরুৎসাহিত হতে পারে। আবু হুরায়রা রা. জানিয়েছেন, রাসূল সা. সরাসরি মূল পাত্রের ছিপিতে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।

📘 ইসলামিক ম্যানারস 📄 মাত্রাতিরিক্ত ভোজন পরিহার করুন

📄 মাত্রাতিরিক্ত ভোজন পরিহার করুন


মার্জিত আচরণই হলো মানুষের প্রধান সম্পদ। এটা মানুষের মুকুটের মতো। তাই যদি কেউ আপনাকে কোনো দাওয়াতে বা আয়োজনে যেতে বলে এবং আপনার সামনে খাবার ও পানীয় পরিবেশন করে, তা হলে তখনও এই মুকুট পরিধান করে থাকাই শ্রেয়। অর্থাৎ ওই ধরনের পরিস্থিতিতেও মার্জিত আচরণ করাটা জরুরি। তাই এত বেশি পরিমাণে অতিভোজনে লিপ্ত হবেন না, যা দেখে মনে হবে যে আপনি বোধ হয় অনেকটা সময় ধরে না খেয়ে আছেন। অথবা আপনার খাওয়ার ধরন দেখে যেন এমনও মনে না হয় যে, আপনি জীবনে কখনও এত সুস্বাদু খাবার চোখে দেখেননি। অনেক আইটেম পরিবেশিত থাকলেই সব খাবারই যে আপনাকে খেতে হবে- এমন নয়। যারা বেশি খায়, তাদের নিয়ে আয়োজকরাও বিব্রত থাকেন। তাই যেকোনো আয়োজনে গেলে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে মার্জিত আচরণ ও শালীনতা বজায় রাখুন।

মার্জিত আচরণই হলো মানুষের প্রধান সম্পদ। এটা মানুষের মুকুটের মতো। তাই যদি কেউ আপনাকে কোনো দাওয়াতে বা আয়োজনে যেতে বলে এবং আপনার সামনে খাবার ও পানীয় পরিবেশন করে, তা হলে তখনও এই মুকুট পরিধান করে থাকাই শ্রেয়। অর্থাৎ ওই ধরনের পরিস্থিতিতেও মার্জিত আচরণ করাটা জরুরি। তাই এত বেশি পরিমাণে অতিভোজনে লিপ্ত হবেন না, যা দেখে মনে হবে যে আপনি বোধ হয় অনেকটা সময় ধরে না খেয়ে আছেন। অথবা আপনার খাওয়ার ধরন দেখে যেন এমনও মনে না হয় যে, আপনি জীবনে কখনও এত সুস্বাদু খাবার চোখে দেখেননি। অনেক আইটেম পরিবেশিত থাকলেই সব খাবারই যে আপনাকে খেতে হবে- এমন নয়। যারা বেশি খায়, তাদের নিয়ে আয়োজকরাও বিব্রত থাকেন। তাই যেকোনো আয়োজনে গেলে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে মার্জিত আচরণ ও শালীনতা বজায় রাখুন।

📘 ইসলামিক ম্যানারস 📄 সোনা ও রুপার প্লেট বা চামচ প্রসঙ্গে

📄 সোনা ও রুপার প্লেট বা চামচ প্রসঙ্গে


কখনও সোনা বা রুপার তৈরি প্লেট বা চামচ ব্যবহার করে খাবেন না। এগুলো ইসলামি আদবের বিরোধী। ইসলাম এই ধরনের দাম্ভিকতাকে অনুমোদন দেয় না। সহিহ বুখারিতে হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রা. বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, “তোমরা স্বর্ণ ও রুপার পাত্রে বা প্লেটে খাবার খেয়ো না। কেননা, এই পার্থিব জীবনে এগুলো কাফিরদের জন্য আর আখিরাতে এগুলো তোমাদের জন্য। যদি মেহমান হিসেবে কোথাও যাও আর তোমাদের সামনে এই জাতীয় দামি তৈজসপত্র দেওয়া হয় তা হলে মেজবানকে বলো যাতে তোমাদের সাধারণ মানের প্লেট ও পেয়ালা সরবরাহ করা হয়।”

কেন স্বর্ণ বা রুপার বাসনে খেতে না করা হলো তার কারণ নিয়ে ইসলামি চিন্তাবিদদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে। কেউ কেউ বলেন, এজন্য এইসব পাত্রে খেতে না করা হয়েছে, কারণ আগে যে স্বৈরশাসকেরা রাজত্ব করে গেছেন, এটা তাদের রীতি। তাই তাদের অনুকরণ হয় এমন কিছু করা যাবে না। আরেকটি মত হলো- মানুষের মধ্যে অপব্যয়, ঔদ্ধত্যু ও অহংকারকে নিরুৎসাহিত করার জন্যই রাসূল সা. সোনা ও রুপার পাত্রে খাবার খেতে নিষেধ করেছেন।

কখনও সোনা বা রুপার তৈরি প্লেট বা চামচ ব্যবহার করে খাবেন না। এগুলো ইসলামি আদবের বিরোধী। ইসলাম এই ধরনের দাম্ভিকতাকে অনুমোদন দেয় না। সহিহ বুখারিতে হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রা. বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, “তোমরা স্বর্ণ ও রুপার পাত্রে বা প্লেটে খাবার খেয়ো না। কেননা, এই পার্থিব জীবনে এগুলো কাফিরদের জন্য আর আখিরাতে এগুলো তোমাদের জন্য। যদি মেহমান হিসেবে কোথাও যাও আর তোমাদের সামনে এই জাতীয় দামি তৈজসপত্র দেওয়া হয় তা হলে মেজবানকে বলো যাতে তোমাদের সাধারণ মানের প্লেট ও পেয়ালা সরবরাহ করা হয়।”
কেন স্বর্ণ বা রুপার বাসনে খেতে না করা হলো তার কারণ নিয়ে ইসলামি চিন্তাবিদদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে। কেউ কেউ বলেন, এজন্য এইসব পাত্রে খেতে না করা হয়েছে, কারণ আগে যে স্বৈরশাসকেরা রাজত্ব করে গেছেন, এটা তাদের রীতি। তাই তাদের অনুকরণ হয় এমন কিছু করা যাবে না। আরেকটি মত হলো- মানুষের মধ্যে অপব্যয়, ঔদ্ধত্যু ও অহংকারকে নিরুৎসাহিত করার জন্যই রাসূল সা. সোনা ও রুপার পাত্রে খাবার খেতে নিষেধ করেছেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية