📄 বোনদের প্রতি একটি পরামর্শ
আমার মুসলিম মা-বোনদের উদ্দেশ্য করে একটি কথা বলতে চাই। যদি কোনো আত্মীয় বা মুসলিম বোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান, তা হলে খুব সচেতনভাবে সাক্ষাতের দিন, তারিখ ও সময় নির্ধারণ করুন। আত্মীয় বা বন্ধু হলেও তারও সুবিধাজনক বা বিব্রতকর সময় বলতে কিছু থাকতে পারে।
কাঙ্ক্ষিত সাক্ষাৎটি সর্বদা সুন্দর, সংক্ষিপ্ত এবং স্বস্তিদায়ক করার চেষ্টা করুন। সাক্ষাৎ যেন কোনোভাবেই একঘেয়ে বা বিরক্তিকর না হয়। সাক্ষাতের সময় অহেতুক টেনে লম্বা করবেন না। সাক্ষাতের উদ্দেশ্য যেন হয় সম্পর্কের উন্নয়ন। অর্থাৎ পুরোনো কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও বেশি সুন্দর করাই যেন হয় সাক্ষাতের উদ্দেশ্য।
সাক্ষাতের সময় যদি সংক্ষেপ হয়, তবে তা সুখকর হয়। কিন্তু অহেতুক কথা বলে যদি সময় দীর্ঘায়িত করা হয়, তবে তা বিরক্তির উদ্রেক করতে পারে। কারণ, বেশিক্ষণ সময় দিলে সেই সুযোগে নানা ধরনের অপ্রয়োজনীয় ও বাজে কথাবার্তাও হতে পারে। এতে সাক্ষাতের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত গোটা সাক্ষাৎটি অপ্রয়োজনীয় কাজে পরিণত হতে পারে। প্রখ্যাত তাবেয়ি মুহাম্মাদ ইবনে শিহাব যুহরি রহ. বলেন, “যখন কোনো সাক্ষাতের সময় দীর্ঘ হয়, তখন শয়তান তাতে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পায়।”
চেষ্টা করুন, যাতে কোথাও বেড়াতে গেলে আপনার কথাগুলো খুবই পরিমিত কিন্তু মূল্যবান হয়। আপনার কথাগুলো যেন অপরকে উপকৃত করে। সেই সাথে সব ধরনের গিবত, বাজে আড্ডা এবং অলস ও অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। একজন সত্যিকারের মুসলিম নারী কখনোই এ জাতীয় কাজ করে সময় নষ্ট করতে পারে না।
মুত্তালিব ইবনে আবদুল্লাহ মাখযুমি থেকে বর্ণিত, “রাসূল সা.-এর নিকট এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, 'গিবত কী (গিবত কাকে বলে)?' রাসূল সা. বললেন, 'কারও অবর্তমানে তার এমন কথা প্রকাশ করা, যা সে শুনলে অসন্তুষ্ট হবে।' অতঃপর লোকটি আবার বলল, 'হে আল্লাহর রাসূল! কথা যদি সত্য হয় (অর্থাৎ যা বলা হচ্ছে তা যদি মিথ্যা না হয়, বরং সত্য হয় তা হলেও কি তা গিবত হবে)?' রাসূল সা.। আবার আপনি কিনেও নিতে পারেন। দুটোর কোনোটা না ঘটলেও অন্তত আপনি তার কাছে গেলে সুবাসটুকু পাবেন। আর কামারের কাছে গেলে আপনার কাপড় নষ্ট হতে পারে অথবা আপনি পোড়া গন্ধ পাবেন।” বুখারি: ৫৫৩৪
বিশেষ করে দুই ধরনের মানুষের সাহচর্য সচেতনভাবে এড়িয়ে চলতে হবে। প্রথমত তারা, যারা ইবাদতের ক্ষেত্রে নতুন নতুন সংযোজন করে (বিদআত চর্চাকারী)। আর দ্বিতীয়ত সেই সব মানুষ, যারা অসদাচরণ করে।
ইমাম হাসান বসরি রহ. বলেন, “যাদের মধ্যে খাহেশাত আছে, নতুন কিছু সংযোজন করার মানসিকতা আছে, তাদের সঙ্গে এক স্থানে বসবে না। তাদের সাথে তর্কে জড়াবে না। এমনকি তাদের কথা শোনা থেকেও বিরত থাকবে।”
আবু কুলাবাহ রহ. বলেন, “যারা দ্বীনে নতুন কিছু প্রবেশ করাতে চায়, তাদের সাথে মিশবে না, তাদের এড়িয়ে চলবে। তাদের সাহচর্য আমি কখনোই নিরাপদ মনে করি না। তারা তোমাকে বিপথগামী করতে পারে। তুমি যেগুলো সম্বন্ধে ভালোমতো জানতে না সেগুলোতো বটেই, এমনকি জানা বিষয়গুলোর ব্যাপারেও তারা তোমাকে সংশয়ে ফেলে দিতে পারে।"
ফুদাইল ইবনে আয়াজ রহ. বলেন, “যে আলোচনায় আল্লাহকে স্মরণ করা হয়, সেখানে আল্লাহ রহমতের ফেরেশতা প্রেরণ করেন। তাই তোমরা কার সাথে আলোচনায় বসবে, তা নিয়ে সচেতন হও।”
যারা খারাপ কাজ করে কিংবা যাদের আচরণ ভালো নয়, বন্ধু হিসেবে তারা খুবই মারাত্মক। এমন ব্যক্তির সঙ্গে যখন বসবেন, তখন আপনার কানে স্বাভাবিকভাবেই বাজে ও অশ্লীল শব্দ প্রবেশ করবে। তার মিথ্যা কথা, গিবত ও পরনিন্দাসুলভ কথাবার্তাও শুনতে হবে। যদি সে ফরজ ইবাদত পালনের ক্ষেত্রে শিথিল হয়, তা হলে সেই শিথিলতা আপনাকেও গ্রাস করতে পারে। এরকম অসৎসঙ্গীর অন্য সব পাপের প্রভাবও আপনার ওপর পড়তে পারে। আর এ কথা আমরা জানি, পাপ ক্রমশ মানুষের অন্তরকে মেরে ফেলে। অসৎ সঙ্গের কারণে ইতোমধ্যে বহু মানুষ বিপথগামী হয়েছে, এরকম অসংখ্য নজির আমাদের চারপাশেই আছে। তাই বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জ্ঞান ও বিচক্ষণতা প্রয়োজন।
আমার মুসলিম মা-বোনদের উদ্দেশ্য করে একটি কথা বলতে চাই। যদি কোনো আত্মীয় বা মুসলিম বোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান, তা হলে খুব সচেতনভাবে সাক্ষাতের দিন, তারিখ ও সময় নির্ধারণ করুন। আত্মীয় বা বন্ধু হলেও তারও সুবিধাজনক বা বিব্রতকর সময় বলতে কিছু থাকতে পারে।
কাঙ্ক্ষিত সাক্ষাৎটি সর্বদা সুন্দর, সংক্ষিপ্ত এবং স্বস্তিদায়ক করার চেষ্টা করুন। সাক্ষাৎ যেন কোনোভাবেই একঘেয়ে বা বিরক্তিকর না হয়। সাক্ষাতের সময় অহেতুক টেনে লম্বা করবেন না। সাক্ষাতের উদ্দেশ্য যেন হয় সম্পর্কের উন্নয়ন। অর্থাৎ পুরোনো কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও বেশি সুন্দর করাই যেন হয় সাক্ষাতের উদ্দেশ্য।
সাক্ষাতের সময় যদি সংক্ষেপ হয়, তবে তা সুখকর হয়। কিন্তু অহেতুক কথা বলে যদি সময় দীর্ঘায়িত করা হয়, তবে তা বিরক্তির উদ্রেক করতে পারে। কারণ, বেশিক্ষণ সময় দিলে সেই সুযোগে নানা ধরনের অপ্রয়োজনীয় ও বাজে কথাবার্তাও হতে পারে। এতে সাক্ষাতের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত গোটা সাক্ষাৎটি অপ্রয়োজনীয় কাজে পরিণত হতে পারে। প্রখ্যাত তাবেয়ি মুহাম্মাদ ইবনে শিহাব যুহরি রহ. বলেন, “যখন কোনো সাক্ষাতের সময় দীর্ঘ হয়, তখন শয়তান তাতে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পায়।”
চেষ্টা করুন, যাতে কোথাও বেড়াতে গেলে আপনার কথাগুলো খুবই পরিমিত কিন্তু মূল্যবান হয়। আপনার কথাগুলো যেন অপরকে উপকৃত করে বললেন, 'যদি মিথ্যা হয়, (তবে তাকে গিবত বলা হয় না; বরং) তা বুহতান (অপবাদ)।” মুসলিম: ২৫৮৯
আমার মুসলিম মা-বোনদের উদ্দেশ্য করে একটি কথা বলতে চাই। যদি কোনো আত্মীয় বা মুসলিম বোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান, তা হলে খুব সচেতনভাবে সাক্ষাতের দিন, তারিখ ও সময় নির্ধারণ করুন। আত্মীয় বা বন্ধু হলেও তারও সুবিধাজনক বা বিব্রতকর সময় বলতে কিছু থাকতে পারে।
কাঙ্ক্ষিত সাক্ষাৎটি সর্বদা সুন্দর, সংক্ষিপ্ত এবং স্বস্তিদায়ক করার চেষ্টা করুন। সাক্ষাৎ যেন কোনোভাবেই একঘেয়ে বা বিরক্তিকর না হয়। সাক্ষাতের সময় অহেতুক টেনে লম্বা করবেন না। সাক্ষাতের উদ্দেশ্য যেন হয় সম্পর্কের উন্নয়ন। অর্থাৎ পুরোনো কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও বেশি সুন্দর করাই যেন হয় সাক্ষাতের উদ্দেশ্য।
সাক্ষাতের সময় যদি সংক্ষেপ হয়, তবে তা সুখকর হয়। কিন্তু অহেতুক কথা বলে যদি সময় দীর্ঘায়িত করা হয়, তবে তা বিরক্তির উদ্রেক করতে পারে। কারণ, বেশিক্ষণ সময় দিলে সেই সুযোগে নানা ধরনের অপ্রয়োজনীয় ও বাজে কথাবার্তাও হতে পারে। এতে সাক্ষাতের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত গোটা সাক্ষাৎটি অপ্রয়োজনীয় কাজে পরিণত হতে পারে। প্রখ্যাত তাবেয়ি মুহাম্মাদ ইবনে শিহাব যুহরি রহ. বলেন, “যখন কোনো সাক্ষাতের সময় দীর্ঘ হয়, তখন শয়তান তাতে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পায়।”
চেষ্টা করুন, যাতে কোথাও বেড়াতে গেলে আপনার কথাগুলো খুবই পরিমিত কিন্তু মূল্যবান হয়। আপনার কথাগুলো যেন অপরকে উপকৃত করে। সেই সাথে সব ধরনের গিবত, বাজে আড্ডা এবং অলস ও অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। একজন সত্যিকারের মুসলিম নারী কখনোই এ জাতীয় কাজ করে সময় নষ্ট করতে পারে না।
মুত্তালিব ইবনে আবদুল্লাহ মাখযুমি থেকে বর্ণিত, “রাসূল সা.-এর নিকট এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, 'গিবত কী (গিবত কাকে বলে)?' রাসূল সা. বললেন, 'কারও অবর্তমানে তার এমন কথা প্রকাশ করা, যা সে শুনলে অসন্তুষ্ট হবে।' অতঃপর লোকটি আবার বলল, 'হে আল্লাহর রাসূল! কথা যদি সত্য হয় (অর্থাৎ যা বলা হচ্ছে তা যদি মিথ্যা না হয়, বরং সত্য হয় তা হলেও কি তা গিবত হবে)?' রাসূল সা. বললেন, 'যদি মিথ্যা হয়, (তবে তাকে গিবত বলা হয় না; বরং) তা বুহতান (অপবাদ)।” মুসলিম: ২৫৮৯