📄 ‘কে?’ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া প্রসঙ্গে
আপনি কারও দরজায় কড়া নাড়ার পর যদি ভেতর থেকে প্রশ্ন আসে, 'কে?' তা হলে নিজের পরিচয় দিন। এক্ষেত্রে নিজের নাম বলুন, যে নামে আপনাকে সবাই চেনে। অনেকেই বলে, 'আমি'! আসলে এ ধরনের উত্তর দেওয়া ঠিক নয়। এ ধারণা না করাই ভালো যে, গলার আওয়াজ শুনেই ভেতরের মানুষরা চিনতে পারবে। আপনার গলার স্বর হয়তো অন্য কারও সাথে হুবহু বা কাছাকাছি মিল হতে পারে। তা ছাড়া সবাই কণ্ঠস্বর শুনে ব্যক্তির পরিচয় সনাক্ত করতে পারে না।
রাসূল সা. কারও দরজায় দাঁড়িয়ে 'আমি, দরজা খোলো' এই ধরনের কথা বলতে নিরুৎসাহিত করেছেন। কারণ, এ কথার মাধ্যমে পূর্ণ পরিচয় প্রকাশিত হয় না। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রা. বলেন, “আমি একবার নবিজির কাছে গেলাম। তাঁর দরজায় কড়া নাড়ার পর তিনি ভেতর থেকে প্রশ্ন করলেন, 'কে?' আমি জবাবে বললাম, 'আমি'। রাসূল সা. তখন ভেতর থেকে বললেন, 'আমিও তো আমি। আমি মানে কে'?" সহিহ বুখারি: ৬২৫০
মূলত এ কারণে সাহাবিরা যখনই কারও বাড়িতে যেতেন, ভেতর থেকে পরিচয় জানতে চাইলেই নিজের নামটি বলতেন।
আরেকটি হাদিসে আবু জার গিফারি রা. বলেন, "আমি একবার রাতে হাঁটতে বেরিয়েছিলাম। একটু সামনে গিয়ে দেখতে পেলাম, রাসূল সা. নিজেও একা একা হাঁটছেন। আমি চাঁদের ছায়ার আড়ালে থেকেই তাঁর পেছনে হাঁটছিলাম। কিন্তু তিনি ঘুরে দাঁড়ালেন, আমাকে দেখে ফেললেন এবং প্রশ্ন করলেন, 'ওখানে কে?' আমি উত্তর দিলাম, 'আমি আবু জার'।” বুখারি ও মুসলিম
আলী রা.-এর বোন উম্মে হানি রা. বলেন, "আমি নবিজির সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। রাসূল সা. তখন গোসল করছিলেন, আর তাঁর মেয়ে ফাতিমা তাকে আড়াল করছিলেন। উম্মে হানি রা. কাছে পৌঁছানোর পর ফাতিমা রা. প্রশ্ন করলেন, 'ওখানে কে?' জবাব দিলাম, 'আমি উম্মে হানি'।”
আপনি কারও দরজায় কড়া নাড়ার পর যদি ভেতর থেকে প্রশ্ন আসে, 'কে?' তা হলে নিজের পরিচয় দিন। এক্ষেত্রে নিজের নাম বলুন, যে নামে আপনাকে সবাই চেনে। অনেকেই বলে, 'আমি'! আসলে এ ধরনের উত্তর দেওয়া ঠিক নয়। এ ধারণা না করাই ভালো যে, গলার আওয়াজ শুনেই ভেতরের মানুষরা চিনতে পারবে। আপনার গলার স্বর হয়তো অন্য কারও সাথে হুবহু বা কাছাকাছি মিল হতে পারে। তা ছাড়া সবাই কণ্ঠস্বর শুনে ব্যক্তির পরিচয় সনাক্ত করতে পারে না।
রাসূল সা. কারও দরজায় দাঁড়িয়ে 'আমি, দরজা খোলো' این ধরনের কথা বলতে নিরুৎসাহিত করেছেন। কারণ, এ কথার মাধ্যমে পূর্ণ পরিচয় প্রকাশিত হয় না। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রা. বলেন, “আমি একবার নবিজির কাছে গেলাম। তাঁর দরজায় কড়া নাড়ার পর তিনি ভেতর থেকে প্রশ্ন করলেন, 'কে?' আমি জবাবে বললাম, 'আমি'। রাসূল সা. তখন ভেতর থেকে বললেন, 'আমিও তো আমি। আমি মানে কে'?" সহিহ বুখারি: ৬২৫০
মূলত এ কারণে সাহাবিরা যখনই কারও বাড়িতে যেতেন, ভেতর থেকে পরিচয় জানতে চাইলেই নিজের নামটি বলতেন।
আরেকটি হাদিসে আবু জার গিফারি রা. বলেন, "আমি একবার রাতে হাঁটতে বেরিয়েছিলাম। একটু সামনে গিয়ে দেখতে পেলাম, রাসূল সা. নিজেও একা একা হাঁটছেন। আমি চাঁদের ছায়ার আড়ালে থেকেই তাঁর পেছনে হাঁটছিলাম। কিন্তু তিনি ঘুরে দাঁড়ালেন, আমাকে দেখে ফেললেন এবং প্রশ্ন করলেন, 'ওখানে কে?' আমি উত্তর দিলাম, 'আমি আবু জার'।” বুখারি ও মুসলিম
আলী রা.-এর বোন উম্মে হানি রা. বলেন, "আমি নবিজির সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। রাসূল সা. তখন গোসল করছিলেন, আর তাঁর মেয়ে ফাতিমা তাকে আড়াল করছিলেন। উম্মে হানি রা. কাছে পৌঁছানোর পর ফাতিমা রা. প্রশ্ন করলেন, 'ওখানে কে?' জবাব দিলাম, 'আমি উম্মে হানি'।”
📄 ঘর থেকে বের হওয়ার আদব
উম্মে সালামাহ রা. থেকে বর্ণিত, “রাসূল সা. যখনই আমার ঘর হতে বের হতেন, তখন আকাশের দিকে মাথা তুলে বলতেন, 'হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে পথভ্রষ্ট হওয়া বা পথভ্রষ্ট করা, গুনাহ করা বা গুনাহের দিকে ধাবিত করা, উৎপীড়ন করা বা উৎপীড়িত হওয়া, অজ্ঞতা প্রকাশ করা বা অজ্ঞতা প্রকাশের পাত্র হওয়া হতে আশ্রয় চাইছি'।” আবু দাউদ, কিতাবুল আদব : ৫০৯৪
আনাস ইবনে মালিক রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, “যখন কোনো ব্যক্তি তার ঘর হতে বের হওয়ার সময় বলবে, بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ، وَلا حَوْلَ وَلَا قُوةَ إِلَّا بِاللَّهِ তখন তাকে বলা হয়, 'তুমি হিদায়াতপ্রাপ্ত হয়েছ, রক্ষা পেয়েছ ও নিরাপত্তা লাভ করেছ।' সুতরাং শয়তানরা তার থেকে দূর হয়ে যায় এবং এক শয়তান অন্য শয়তানকে বলে, তুমি ওই ব্যক্তিকে কী করতে পারবে যাকে পথ দেখানো হয়েছে, নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে এবং রক্ষা করা হয়েছে?” আবু দাউদ: ৫০৯৫
উম্মে সালামাহ রা. থেকে বর্ণিত, “রাসূল সা. যখনই আমার ঘর হতে বের হতেন, তখন আকাশের দিকে মাথা তুলে বলতেন, 'হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে পথভ্রষ্ট হওয়া বা পথভ্রষ্ট করা, গুনাহ করা বা গুনাহের দিকে ধাবিত করা, উৎপীড়ন করা বা উৎপীড়িত হওয়া, অজ্ঞতা প্রকাশ করা বা অজ্ঞতা প্রকাশের পাত্র হওয়া হতে আশ্রয় চাইছি'।” আবু দাউদ, কিতাবুল আদব : ৫০৯৪
আনাস ইবনে মালিক রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, “যখন কোনো ব্যক্তি তার ঘর হতে বের হওয়ার সময় বলবে, بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ، وَلا حَوْلَ وَلَا قُوةَ إِلَّا بِاللَّهِ তখন তাকে বলা হয়, 'তুমি হিদায়াতপ্রাপ্ত হয়েছ, রক্ষা পেয়েছ ও নিরাপত্তা লাভ করেছ।' সুতরাং শয়তানরা তার থেকে দূর হয়ে যায় এবং এক শয়তান অন্য শয়তানকে বলে, তুমি ওই ব্যক্তিকে কী করতে পারবে যাকে পথ দেখানো হয়েছে, নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে এবং রক্ষা করা হয়েছে?” আবু দাউদ: ৫০৯৫