📄 দরজায় কড়া নাড়া বা বেল বাজানো
কোনো বাড়িতে গিয়ে দরজায় কড়া নাড়তে কিংবা কলিংবেল বাজাতে হলে এমনভাবে কড়া নাড়ুন বা বেল বাজান, যা আপনার উপস্থিতি জানান দিতে যথেষ্ট। খুব বাজেভাবে বা উচ্চৈঃস্বরে কড়া নাড়া কিংবা খুব আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে বেল বাজানো উচিত নয়। মনে রাখবেন, আপনি একজন অতিথি; কোনো সন্ত্রাসী বা অত্যাচারী নন যে বাড়ির ভেতর ঢুকে ঘর তছনছ করে সবাইকে আতঙ্কিত করবেন। তাই আপনার আচরণেও সে ধরনের उत्तेजित মানসিকতা থাকা উচিত নয়।
একবার এক মহিলা একটি বিষয়ে মতামত জানার জন্য ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহ.-এর বাড়িতে গেলেন। মহিলা ঘরে ঢোকার আগে খুব জোরে দরজার করাঘাত করলেন। ইবনে হাম্বল রহ. বের হয়ে বললেন, “এভাবে পুলিশেরা কড়া নাড়ায়! তাই এভাবে করবেন না।"
ইমাম বুখারি রহ. আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে বলেন, “সাহাবিরা রাসূল সা.-এর দরজায় নক করার সময় খুব মৃদু আওয়াজ করে কড়া নাড়তেন।”
যে বাড়িতে বসার বা থাকার ঘরগুলো দরজার কাছেই, সেখানে হালকাভাবে দরজায় কড়া নাড়াই যথেষ্ট। কিন্তু যদি কোনো বাড়িতে বসার ঘরগুলো সদর দরজা থেকে অনেক দূরে হয়, তা হলে একটু জোরে কড়া নাড়া বা বেল বাজানো যাবে, যাতে ভেতরের লোকজন সেই শব্দ শুনতে পায়। কিন্তু তাই বলে কোনো অবস্থাতেই চেঁচামেচি করা উচিত নয়। মুসলিম শরিফের একটি হাদিস থেকে জানা যায়, রাসূল সা. বলেছেন, "যার ভেতরে কোমলতা নেই, তার অনেক কিছুই নেই।” আর চেঁচামেচি করা তো কোমলতারই বিপরীত।
দুবার কড়া নাড়ার জন্য বা দুবার বেল বাজানোর জন্য মাঝখানে কিছুটা সময় দেওয়া জরুরি। এমন হতে পারে, ভেতরে থাকা মানুষটি অজু করছে, অথবা নামাজরত অবস্থায় আছে কিংবা খাচ্ছে। তিনি যেন হাতের কাজ শেষ করে দরজা খুলতে পারেন, এতটুকু সময় দেওয়া উচিত। বিরতি কতটা লম্বা হতে পারে- তা নিয়ে আলিমদের মধ্যে নানা মত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, চার রাকাত নামাজ পড়তে যে সময় লাগে, সে পরিমাণ বিরতি দেওয়া যেতে পারে। কারণ, এমনও হতে পারে, বাড়ির ভেতরে থাকা মানুষটি দরজায় কড়া নাড়া বা বেল বাজানোর ঠিক আগেই নামাজ শুরু করেছেন। সেক্ষেত্রে তাকে নামাজ শেষ করার সুযোগ দেওয়া জরুরি।
এভাবে তিনবার কড়া নাড়া কিংবা বেল বাজানোর পরও যদি কেউ দরজা না খোলে তা হলে ধরে নিতে হবে, যার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছেন তিনি ব্যস্ত আছেন। সেক্ষেত্রে চলে যাওয়াই শ্রেয়। রাসূল সা. বলেছেন, "যদি তিনবার অনুমতি চাওয়ার পরও ঘরে প্রবেশের সম্মতি না পাওয়া যায়, তা হলে তোমরা ফিরে যাবে।” বুখারি: ৬২৪৫
অনুমতির জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় দরজার বরাবর সামনে দাঁড়ানো অনুচিত। একটু বামে বা ডানে গিয়ে দাঁড়ানো শ্রেয়। রাসূল সা. যখন কারও বাড়ির দরজার কাছে পৌঁছতেন, তিনি সরাসরি দরজার সামনে দাঁড়াতেন না। বরং ডানে বা বামে একটু পাশে সরে দাঁড়াতেন। আবু দাউদ: ৫১৭৪
যার বাড়ির দরজায় গিয়ে কড়া নাড়ছেন, তিনি যদি কোনো কারণে আপনাকে ফেরত যেতে বলেন, তা হলে আর বিলম্ব না করে ফিরে যাওয়াই উত্তম। কুরআনে আল্লাহ তায়ালা এমন নির্দেশই দিয়েছেন।
“যদি তোমাদের বলা হয় 'ফিরে যাও', তবে ফিরে যাবে। এতে তোমাদের জন্য আছে পবিত্রতা। তোমরা যা করো, আল্লাহ তা ভালোভাবে জানেন।" সূরা নূর: ২৮
কোনো বাড়িতে গিয়ে দরজায় কড়া নাড়তে কিংবা কলিংবেল বাজাতে হলে এমনভাবে কড়া নাড়ুন বা বেল বাজান, যা আপনার উপস্থিতি জানান দিতে যথেষ্ট। খুব বাজেভাবে বা উচ্চৈঃস্বরে কড়া নাড়া কিংবা খুব আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে বেল বাজানো উচিত নয়। মনে রাখবেন, আপনি একজন অতিথি; কোনো সন্ত্রাসী বা অত্যাচারী নন যে বাড়ির ভেতর ঢুকে ঘর তছনছ করে সবাইকে আতঙ্কিত করবেন। তাই আপনার আচরণেও সে ধরনের उत्तेजित মানসিকতা থাকা উচিত নয়।
একবার এক মহিলা একটি বিষয়ে মতামত জানার জন্য ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহ.-এর বাড়িতে গেলেন। মহিলা ঘরে ঢোকার আগে খুব জোরে দরজার করাঘাত করলেন। ইবনে হাম্বল রহ. বের হয়ে বললেন, “এভাবে পুলিশেরা কড়া নাড়ায়! তাই এভাবে করবেন না।"
ইমাম বুখারি রহ. আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে বলেন, “সাহাবিরা রাসূল সা.-এর দরজায় নক করার সময় খুব মৃদু আওয়াজ করে কড়া নাড়তেন।”
যে বাড়িতে বসার বা থাকার ঘরগুলো দরজার কাছেই, সেখানে হালকাভাবে দরজায় কড়া নাড়াই যথেষ্ট। কিন্তু যদি কোনো বাড়িতে বসার ঘরগুলো সদর দরজা থেকে অনেক দূরে হয়, তা হলে একটু জোরে কড়া নাড়া বা বেল বাজানো যাবে, যাতে ভেতরের লোকজন সেই শব্দ শুনতে পায়। কিন্তু তাই বলে কোনো অবস্থাতেই চেঁচামেচি করা উচিত নয়। মুসলিম শরিফের একটি হাদিস থেকে জানা যায়, রাসূল সা. বলেছেন, "যার ভেতরে কোমলতা নেই, তার অনেক কিছুই নেই।” আর চেঁচামেচি করা তো কোমলতারই বিপরীত।
দুবার কড়া নাড়ার জন্য বা দুবার বেল বাজানোর জন্য মাঝখানে কিছুটা সময় দেওয়া জরুরি। এমন হতে পারে, ভেতরে থাকা মানুষটি অজু করছে, অথবা নামাজরত অবস্থায় আছে কিংবা খাচ্ছে। তিনি যেন হাতের কাজ শেষ করে দরজা খুলতে পারেন, এতটুকু সময় দেওয়া উচিত। বিরতি কতটা লম্বা হতে পারে- তা নিয়ে আলিমদের মধ্যে নানা মত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, চার রাকাত নামাজ পড়তে যে সময় লাগে, সে পরিমাণ বিরতি দেওয়া যেতে পারে। কারণ, এমনও হতে পারে, বাড়ির ভেতরে থাকা মানুষটি দরজায় কড়া নাড়া বা বেল বাজানোর ঠিক আগেই নামাজ শুরু করেছেন। সেক্ষেত্রে তাকে নামাজ শেষ করার সুযোগ দেওয়া জরুরি।
এভাবে তিনবার কড়া নাড়া কিংবা বেল বাজানোর পরও যদি কেউ দরজা না খোলে তা হলে ধরে নিতে হবে, যার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছেন তিনি ব্যস্ত আছেন। সেক্ষেত্রে চলে যাওয়াই শ্রেয়। রাসূল সা. বলেছেন, "যদি তিনবার অনুমতি চাওয়ার পরও ঘরে প্রবেশের সম্মতি না পাওয়া যায়, তা হলে তোমরা ফিরে যাবে।” বুখারি: ৬২৪৫
অনুমতির জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় দরজার বরাবর সামনে দাঁড়ানো অনুচিত। একটু বামে বা ডানে গিয়ে দাঁড়ানো শ্রেয়। রাসূল সা. যখন কারও বাড়ির দরজার কাছে পৌঁছতেন, তিনি সরাসরি দরজার সামনে দাঁড়াতেন না। বরং ডানে বা বামে একটু পাশে সরে দাঁড়াতেন। আবু দাউদ: ৫১৭৪
যার বাড়ির দরজায় গিয়ে কড়া নাড়ছেন, তিনি যদি কোনো কারণে আপনাকে ফেরত যেতে বলেন, তা হলে আর বিলম্ব না করে ফিরে যাওয়াই উত্তম। কুরআনে আল্লাহ তায়ালা এমন নির্দেশই দিয়েছেন।
“যদি তোমাদের বলা হয় 'ফিরে যাও', তবে ফিরে যাবে। এতে তোমাদের জন্য আছে পবিত্রতা। তোমরা যা করো, আল্লাহ তা ভালোভাবে জানেন।" সূরা নূর: ২৮
📄 ‘কে?’ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া প্রসঙ্গে
আপনি কারও দরজায় কড়া নাড়ার পর যদি ভেতর থেকে প্রশ্ন আসে, 'কে?' তা হলে নিজের পরিচয় দিন। এক্ষেত্রে নিজের নাম বলুন, যে নামে আপনাকে সবাই চেনে। অনেকেই বলে, 'আমি'! আসলে এ ধরনের উত্তর দেওয়া ঠিক নয়। এ ধারণা না করাই ভালো যে, গলার আওয়াজ শুনেই ভেতরের মানুষরা চিনতে পারবে। আপনার গলার স্বর হয়তো অন্য কারও সাথে হুবহু বা কাছাকাছি মিল হতে পারে। তা ছাড়া সবাই কণ্ঠস্বর শুনে ব্যক্তির পরিচয় সনাক্ত করতে পারে না।
রাসূল সা. কারও দরজায় দাঁড়িয়ে 'আমি, দরজা খোলো' এই ধরনের কথা বলতে নিরুৎসাহিত করেছেন। কারণ, এ কথার মাধ্যমে পূর্ণ পরিচয় প্রকাশিত হয় না। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রা. বলেন, “আমি একবার নবিজির কাছে গেলাম। তাঁর দরজায় কড়া নাড়ার পর তিনি ভেতর থেকে প্রশ্ন করলেন, 'কে?' আমি জবাবে বললাম, 'আমি'। রাসূল সা. তখন ভেতর থেকে বললেন, 'আমিও তো আমি। আমি মানে কে'?" সহিহ বুখারি: ৬২৫০
মূলত এ কারণে সাহাবিরা যখনই কারও বাড়িতে যেতেন, ভেতর থেকে পরিচয় জানতে চাইলেই নিজের নামটি বলতেন।
আরেকটি হাদিসে আবু জার গিফারি রা. বলেন, "আমি একবার রাতে হাঁটতে বেরিয়েছিলাম। একটু সামনে গিয়ে দেখতে পেলাম, রাসূল সা. নিজেও একা একা হাঁটছেন। আমি চাঁদের ছায়ার আড়ালে থেকেই তাঁর পেছনে হাঁটছিলাম। কিন্তু তিনি ঘুরে দাঁড়ালেন, আমাকে দেখে ফেললেন এবং প্রশ্ন করলেন, 'ওখানে কে?' আমি উত্তর দিলাম, 'আমি আবু জার'।” বুখারি ও মুসলিম
আলী রা.-এর বোন উম্মে হানি রা. বলেন, "আমি নবিজির সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। রাসূল সা. তখন গোসল করছিলেন, আর তাঁর মেয়ে ফাতিমা তাকে আড়াল করছিলেন। উম্মে হানি রা. কাছে পৌঁছানোর পর ফাতিমা রা. প্রশ্ন করলেন, 'ওখানে কে?' জবাব দিলাম, 'আমি উম্মে হানি'।”
আপনি কারও দরজায় কড়া নাড়ার পর যদি ভেতর থেকে প্রশ্ন আসে, 'কে?' তা হলে নিজের পরিচয় দিন। এক্ষেত্রে নিজের নাম বলুন, যে নামে আপনাকে সবাই চেনে। অনেকেই বলে, 'আমি'! আসলে এ ধরনের উত্তর দেওয়া ঠিক নয়। এ ধারণা না করাই ভালো যে, গলার আওয়াজ শুনেই ভেতরের মানুষরা চিনতে পারবে। আপনার গলার স্বর হয়তো অন্য কারও সাথে হুবহু বা কাছাকাছি মিল হতে পারে। তা ছাড়া সবাই কণ্ঠস্বর শুনে ব্যক্তির পরিচয় সনাক্ত করতে পারে না।
রাসূল সা. কারও দরজায় দাঁড়িয়ে 'আমি, দরজা খোলো' این ধরনের কথা বলতে নিরুৎসাহিত করেছেন। কারণ, এ কথার মাধ্যমে পূর্ণ পরিচয় প্রকাশিত হয় না। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রা. বলেন, “আমি একবার নবিজির কাছে গেলাম। তাঁর দরজায় কড়া নাড়ার পর তিনি ভেতর থেকে প্রশ্ন করলেন, 'কে?' আমি জবাবে বললাম, 'আমি'। রাসূল সা. তখন ভেতর থেকে বললেন, 'আমিও তো আমি। আমি মানে কে'?" সহিহ বুখারি: ৬২৫০
মূলত এ কারণে সাহাবিরা যখনই কারও বাড়িতে যেতেন, ভেতর থেকে পরিচয় জানতে চাইলেই নিজের নামটি বলতেন।
আরেকটি হাদিসে আবু জার গিফারি রা. বলেন, "আমি একবার রাতে হাঁটতে বেরিয়েছিলাম। একটু সামনে গিয়ে দেখতে পেলাম, রাসূল সা. নিজেও একা একা হাঁটছেন। আমি চাঁদের ছায়ার আড়ালে থেকেই তাঁর পেছনে হাঁটছিলাম। কিন্তু তিনি ঘুরে দাঁড়ালেন, আমাকে দেখে ফেললেন এবং প্রশ্ন করলেন, 'ওখানে কে?' আমি উত্তর দিলাম, 'আমি আবু জার'।” বুখারি ও মুসলিম
আলী রা.-এর বোন উম্মে হানি রা. বলেন, "আমি নবিজির সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। রাসূল সা. তখন গোসল করছিলেন, আর তাঁর মেয়ে ফাতিমা তাকে আড়াল করছিলেন। উম্মে হানি রা. কাছে পৌঁছানোর পর ফাতিমা রা. প্রশ্ন করলেন, 'ওখানে কে?' জবাব দিলাম, 'আমি উম্মে হানি'।”
📄 ঘর থেকে বের হওয়ার আদব
উম্মে সালামাহ রা. থেকে বর্ণিত, “রাসূল সা. যখনই আমার ঘর হতে বের হতেন, তখন আকাশের দিকে মাথা তুলে বলতেন, 'হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে পথভ্রষ্ট হওয়া বা পথভ্রষ্ট করা, গুনাহ করা বা গুনাহের দিকে ধাবিত করা, উৎপীড়ন করা বা উৎপীড়িত হওয়া, অজ্ঞতা প্রকাশ করা বা অজ্ঞতা প্রকাশের পাত্র হওয়া হতে আশ্রয় চাইছি'।” আবু দাউদ, কিতাবুল আদব : ৫০৯৪
আনাস ইবনে মালিক রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, “যখন কোনো ব্যক্তি তার ঘর হতে বের হওয়ার সময় বলবে, بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ، وَلا حَوْلَ وَلَا قُوةَ إِلَّا بِاللَّهِ তখন তাকে বলা হয়, 'তুমি হিদায়াতপ্রাপ্ত হয়েছ, রক্ষা পেয়েছ ও নিরাপত্তা লাভ করেছ।' সুতরাং শয়তানরা তার থেকে দূর হয়ে যায় এবং এক শয়তান অন্য শয়তানকে বলে, তুমি ওই ব্যক্তিকে কী করতে পারবে যাকে পথ দেখানো হয়েছে, নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে এবং রক্ষা করা হয়েছে?” আবু দাউদ: ৫০৯৫
উম্মে সালামাহ রা. থেকে বর্ণিত, “রাসূল সা. যখনই আমার ঘর হতে বের হতেন, তখন আকাশের দিকে মাথা তুলে বলতেন, 'হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে পথভ্রষ্ট হওয়া বা পথভ্রষ্ট করা, গুনাহ করা বা গুনাহের দিকে ধাবিত করা, উৎপীড়ন করা বা উৎপীড়িত হওয়া, অজ্ঞতা প্রকাশ করা বা অজ্ঞতা প্রকাশের পাত্র হওয়া হতে আশ্রয় চাইছি'।” আবু দাউদ, কিতাবুল আদব : ৫০৯৪
আনাস ইবনে মালিক রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, “যখন কোনো ব্যক্তি তার ঘর হতে বের হওয়ার সময় বলবে, بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ، وَلا حَوْلَ وَلَا قُوةَ إِلَّا بِاللَّهِ তখন তাকে বলা হয়, 'তুমি হিদায়াতপ্রাপ্ত হয়েছ, রক্ষা পেয়েছ ও নিরাপত্তা লাভ করেছ।' সুতরাং শয়তানরা তার থেকে দূর হয়ে যায় এবং এক শয়তান অন্য শয়তানকে বলে, তুমি ওই ব্যক্তিকে কী করতে পারবে যাকে পথ দেখানো হয়েছে, নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে এবং রক্ষা করা হয়েছে?” আবু দাউদ: ৫০৯৫