📄 মুসলিম সেনাপতি
০১. হযরত আলী (রা);
০২. হযরত হামজা (রা);
০৩. গাজি সালাহ উদ্দিন;
০৪. হযরত আবু উবায়দাদ;
০৫. হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ;
০৬. হযরত তারিক বিন যিয়াদ;
০৭. হযরত মুসা বিন নোসায়ের;
০৮. হযরত সুলতান সালাহ উদ্দিন;
০৯. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মাদ বিন বখতিয়ার খিলজি;
১০. মুহাম্মাদ বিন কাসিম;
১১. সুলতান মাহমুদ;
১২. টিপু সুলতান।
📄 অলিগণের নাম
ক্রম. নাম দেশ
০১. হাসান বসরি (র) ইরাক
০২. ইমাম জাফর সাদেক (র) ইয়েমেন
০৩. হযরত আ. কাদির জিলানি (র) বাগদাদ
০৪. বাহাউদ্দিন নকশাবন্দি (র) উজবেকিস্তান
০৫. হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতি (র) ভারত
০৬. হযরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়া (র) ভারত
০৭. হযরত শাহ জালাল (র) বাংলাদেশ
০৮. মুজাদ্দিদে আলফেসানি সাইয়্যেদ আহমাদ সিরহান্দী (র) ভারত
০৯. আবু বকর সিদ্দিক (র) ভারত
১০. মাও. নেছারউদ্দিন আহম্মদ (র) বাংলাদেশ
১১. মাও. মো. এছাহাক (র) বাংলাদেশ
১২. মাও. মো. হাসানউদ্দিন (র) বাংলাদেশ
📄 মুসলিম নোবেল পুরস্কার বিজয়ী
ক্রম. নাম দেশ বিষয় সাল
০১. আনোয়ার সাদাত মিসর শান্তি ১৯৭৮
০২. ড. আবদুস সালাম পাকিস্তান পদার্থ ১৯৭৯
০৩. নাজিব মাহফুজ মিসর সাহিত্য ১৯৮৮
০৪. ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিন শান্তি ১৯৯৪
০৫. অধ্যাপক ফরিদ মুরাদ যুক্তরাষ্ট্র চিকিৎসা ১৯৯৮
০৬. আহমদ এইচ জোবাইল মিসর রসায়ন ১৯৯৯
০৭. কফি আনান ঘানা শান্তি ২০০১
০৮. শিরিন এবাদী ইরান শান্তি ২০০৩
০৯. মুহাম্মদ আল বারদী মিসর শান্তি ২০০৫
১০. ড. মুহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশ শান্তি ২০০৬
📄 যুগে যুগে স্মরণীয় মুসলিম ব্যক্তিত্ব
* আবদুল কাদির জিলানি (র): তিনি ১০৭৮ সালে পারস্যের জিলান নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম অলি। বড়পীর সাহেব বলেও তিনি পরিচিত। তিনি ১১৬৬ সালে ইনতিকাল করেন。
* স্যার সৈয়দ আহমাদ: তিনি ১৮১৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৭৮ সাল থেকে ১৮৮২ সাল পর্যন্ত চার বছর তিনি বড়লাটের শাসন পরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৮৯৮ সালে ইনতিকাল করেন。
* ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি: তিনি কুতুবদ্দিন আইবেকের প্রধান সেনাপতি ছিলেন। তিনি ১২০১ সালে রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলায় ইসলাম কায়েম করেন。
* ইবনু বতুতা: তিনি ১৩০৪ সালে আফ্রিকার মরক্কোতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিখ্যাত মিসরীয় পর্যটক। তিনি মুহাম্মদ তুঘলকের আমলে ভারত সফরে আসেন। তার একটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম 'সফর নামা'। তিনি ১৩৭৮ সালে ইনতিকাল করেন。
* জালাল উদ্দিন রুমি: বিখ্যাত জ্ঞানতাপস এই মনীষী ১২০৭ খ্রিঃ খোরাসানের বলখ নগরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সুফী ও মিষ্টিক কবিদের অন্যতম। 'দিওয়ান-ই-শামসে তাবরিজ' 'মসনবি' 'রুবহিয়াতে' তিনটি তাঁর প্রসিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ। ১২৭৩ খ্রি: তিনি ইনতিকال করেন。
* হাসানুল বান্না: ভারতীয় উপমহাদেশে যেমন মাওলানা আবুল আলা মওদূদী (র) তেমনি মিসর তথা মধ্যপ্রাচ্যে হাসানুল বান্না শহীদ ইসলামী আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ইখওয়ানুল মুসলেমিনের মত আদর্শ ভিত্তিক ইসলামী দল প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আধুনিক শিক্ষিত হলেও ইসলামের ব্যাপারে গভীর পাণ্ডিত্যের অধিকারী ছিলেন। তিনি অনেক নির্যাতনের শিকার হন, পরিশেষে পঞ্চাশের দশকে মিসরের সমাজতান্ত্রিক স্বৈরাচারী সরকার জামাল নাসের তাকে ফাঁসী দেন এবং তিনি শাহাদাত লাভ করেন。
• তারিক বিন যিয়াদ : বিখ্যাত মুসলিম সেনাপতি তিনি ৭১১ সালে স্পেন বিজয় করেন।
• ফিরদৌসী : তিনি ৯২৭ সালে ইরানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি গজনীর সুলতান মাহমুদের সভাকবি ছিলেন। তার আসল নাম আব্দুল কাসিম তুসী। তার বিখ্যাত সাহিত্য কর্ম 'শাহনামা'। তিনি ১০২০ সালে ইনতিকাল করেন।
• ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ : তিনি ১৮৮৫ সালে বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষাবিদ। তিনি বাংলা, ইংরেজি ছাড়াও জার্মানি, হিব্রু, আরবী, ফার্সি, উর্দু, হিন্দি, সংস্কৃত, পালি, প্রাকৃত, আসামি, উড়িয়া মৈথিলি, আভেস্তান ও তিব্বতী ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে মরণোত্তর সম্মান সূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে। তিনি ১৯৬৯ সালে ইনতিকাল করেন。
• মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ : তিনি ১৮৭৬ সালে করাচির খাজা পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কায়েদে আজম নামে পরিচিত। তিনি উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৪০ সালে লাহোরের মুসলিম লীগের অধিবেশনে হিন্দুস্থানের মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র বাসভূমি পাকিস্তান দাবি করেন। তিনি ১৯৪৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ইনতিকাল করেন。
• হাজী মুহাম্মদ মুহসিন : তিনি ১৭৩২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৮০৬ সালে এক লাখ ছাপ্পান্ন হাজার টাকার সম্পত্তি শিক্ষার উন্নতির জন্য দান করেন। তিনি ১৮১২ সালে ইনতিকাল করেন。
• মীর মোশাররফ হোসেন : তিনি ১৮৭৪ সালে নদীয়ার লাহিড়ী পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলার বিখ্যাত গদ্য সাহিত্যিক। তার শ্রেষ্ঠ রচনা 'বিষাদ সিন্ধু'। তিনি ১৯১১ সালে ইনতিকাল করেন。
• শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক : তিনি ১৮৭৩ সালে বরিশালের চাখারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের এক মহৎ ও মহান রাজনীতিবিদ, জনসেবক ও খ্যাতিমান নেতা ছিলেন। বৃটিশ আমলে তিনি দুইবার অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি ঋণ সালিশী আইন প্রবর্তন করে কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করেন। তিনি ১৯৬২ সালে ইনতিকাল করেন。
• শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, শের-ই-কাশ্মীর : তিনি ১৯০৫ সালে ভারতের কাশ্মিরে জন্মগ্রহণ করেন। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় তিনি কাশ্মীর মুসলিম কনফারেন্স গঠন করেন। তিনি মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত কাশ্মীরের মূখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তিনি ১৯৮২ সালে ইনতিকাল করেন।