📄 মুসলিম ব্যক্তিত্বের অবদান
গণিত শাস্ত্রে অবদান
আল-খারিযমী: মুহাম্মদ বিন মুসা আল-খারিযমী গণিত বিজ্ঞানের অগ্রদূত। জন্ম-৭৮০ খ্রিস্টাব্দে; মৃত্যু-৮৫০ খ্রিস্টাব্দে। তাঁর প্রসিদ্ধ 'হিসাব আলজাবার ওয়াল মুকাবালাহ' গ্রন্থের নামানুসারে বর্তমান Algebra (আলজিবরা) উৎপত্তি হয়েছে। গণিতবিদ হিসেবে নিঃসন্দেহে তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মৌলিক প্রতিভার দাবিদার。
ওমর খৈয়াম: তাঁর নাম হচ্ছে: ওমর বিন ইবরাহীম আল খৈয়াম। এই পণ্ডিত পাটিগণিত ও বীজগণিতের উপর বহু গ্রন্থ রচনা করেন। কিতাবুল জিবরা তাঁর প্রসিদ্ধ গ্রন্থ। ইনি একাদশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ গণিতবিদ ছিলেন।
আল বিরুনী: গণিতশাস্ত্রে আল বিরুনীর মৌলিক প্রতিভা সর্বজন স্বীকৃত। তাঁর রচিত 'আল কানুন আল মাসউদি'-কে অংক শাস্ত্রের বিশ্বকোষ বলা হয়ে থাকে। তিনি গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অনন্য প্রতিভার অধিকারী ছিলেন।
জাবির ইবনু আফলাহ: তিনি 'কিতাবুল হায়াত'-এ গোলাকার সাধারণ ত্রিকোণমিতির উপর সারগর্ভপূর্ণ পরিচ্ছেদ সন্নিবেশিত করে মৌলিকত্বের স্বাক্ষর রাখেন।
আহম্মদ বিন তাইয়্যেব আল সারাকশি: এই মুসলিম পণ্ডিত গণিত, বীজগণিত ও জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কে অনেক বই-পুস্তক রচনা করেন।
মুহাম্মদ বিন ঈসা আল মাহানী: ইনি আধুনিক বীজগণিতের অন্যতম প্রবক্তা। এই পণ্ডিত ত্রিকোণমিতি, জ্যামিতি, জ্যোতির্বিদ্যা ও ঘন সমীকরণ সম্পর্কে গ্রন্থ রচনা করেন।
আল বাত্তানি: ইনি সর্বপ্রথম ত্রিকোণমিতির অনুপাত প্রকাশ করেন।
আবুল ওয়াফার: তিনি প্রথম সাইন উপপাদ্যের সঙ্গে গোলাকার ত্রিভুজের সাধারণত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ত্রিকোণমিতির তালিকাও প্রণয়ন করেন।
আলী বিন মুহাম্মদ আল কালাহাদী: তার সংখ্যা সূত্র গ্রন্থটি মৌলিকত্বের স্বাক্ষর বহণ করে।
নাসিরুদ্দিন আল তুসী: ইনি যাবতীয় বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের আকর ষোলটি গণিত গ্রন্থের সম্পাদনা করেন।
উল্লেখ্য যে, আল ইয়াসী, আল ফারাবী, ইবনু সীনা, আল-কিন্দী, হাসান বিন আল হাসান, বাহাউদ্দিন আমিল, আবুল কাসিম প্রমূখ মনীষী গণিত শাস্ত্রের উপর অসামান্য মৌলিক অবদান রেখেছিলেন।
ইতিহাস শাস্ত্রে অবদান
ইবনু খালদুন: ইতিহাস, দর্শন ও সমাজ বিজ্ঞানের জনক, জ্ঞান ও প্রজ্ঞার দিক থেকে পৃথিবীর অন্যতম ঐতিহাসিক। 'কিতাব আল ইবার' ছিল তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ। তিন ভাগে বিভক্ত গ্রন্থখানির ১ম অংশ মুকাদ্দিমা বা ভূমিকা, ২য় অংশ আরব জাতির ইতিহাস এবং ৩য় অংশে উত্তর আফ্রিকার বার্বার ও অন্যান্য মুসলিম রাজবংশের ইতিহাস আলোচিত হয়েছে। তিনি ইতিহাস চর্চাকে বৈজ্ঞানিক রূপদান করেন।
আল বালাযুরী: পারস্যের (বর্তমান ইরান) আহমদ ইবনু ইয়াহিয়া আল বালাযুরী ছিলেন হিজরী ৩য় শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ঐতিহাসিক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ফুতুহুল বুলদান। ইহাতে তিনি মুসলমানদের রাজ্য জয়ের আলোচনা সন্নিবেশিত করেছেন। তাঁর সাল তারিখ মোটামুটি নির্ভুল ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
ইবনু জারির আত্তাবারী: তাঁর পূর্ণ নাম আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনু জারির আত্তাবারী। ইয়ামানের অধিবাসী এই পণ্ডিত ইসলামের ইতিহাসের জন্য এবং পৃথিবীর প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো 'তারিখুর রাসূল ওয়াল মূলক' যা নবী ও রাজাদের ইতিহাস। এই গ্রন্থে তিনি হযরত আদম ও হাওয়া (আ) থেকে ৩০২ হিজরী সময় পর্যন্ত সামগ্রিক ইতিহাস ধারাবাহিক ও বর্ষ ভিত্তিতে লিপিবদ্ধ করেছেন। তাঁর গ্রন্থখানি বিশ্ব ইতিহাসের আঙ্গিকে লেখা। ধারাবাহিক ইতিহাস রচনার পদ্ধতি ঐতিহাসিক তাবারীর লেখায় পরিপূর্ণতা লাভ করে।
আল মাসউদী: ঐতিহাসিক আল মাসউদীকে আরবদের হিরোডোটাস বলা হয়ে থাকে। ইতিহাস রচনায় তিনি বর্ষ ও অধ্যায় ভিত্তিক পদ্ধতির অনুসরণ করেছেন। তাঁর লিখিত 'মুরুয যাহাব' নামক বিশ্বকোষে তিনি ইসলামের ইতিহাস ছাড়াও ভারত, পারস্যের ইতিহাস, রোমক ও ইয়াহুদি ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করেছেন। 'তানবীহ ওয়াল আশরাক' নামক গ্রন্থে তিনি তাঁর ইতিহাস দর্শন ব্যাখ্যা করেছেন।
স্মরণীয় যে, উল্লেখিত ঐতিহাসিকগণ ছাড়াও ইবনু হিশাম, ইবনু ইসহাক, হিশাম আল কালবি, আলী বিন মুহাম্মদ, আল ইয়াকুবি, আল দিনাওয়ারি, ইবনুল আমির, আবু মারওয়ান এরা প্রত্যেকেই ছিলেন স্ব স্ব যুগের প্রখ্যাত ঐতিহাসিক।
চিকিৎসা শাস্ত্রে অবদান
ইবনু সীনা: তাঁর নাম আবু আলী আল হুসাইন বিন আবদুল্লাহ ইবনু সীনা। এই পণ্ডিত মাত্র সতের বছর বয়সে চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবনে পা রাখেন। তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে সাথে দর্শন এবং বিজ্ঞানেও যথেষ্ট অবদান রেখেছেন। মনীষী ইবনু সীনা সে যুগে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ছিলেন অদ্বিতীয়। পাঁচ খণ্ডে সমাপ্ত তাঁর চিকিৎসা বিষয়ক বিশ্বকোষ 'আল কানুন ফিত তিব্ব'-এ ৭৬০টি ঔষধের নাম রয়েছে। প্রফেসর হিট্টির মতানুসারে 'দ্বাদশ শতাব্দী থেকে সপ্তদশ শতাব্দী পর্যন্ত পশ্চিমা দেশ গুলোতে তাঁর গ্রন্থ চিকিৎসা বিজ্ঞানের পথ প্রদর্শক ছিল'।
আল রাযী: সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম চিকিৎসা বিজ্ঞানী আল রাযী তেহরানের কাছে রাই নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ক ৬০টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন। তিনি বাগদাদ হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসক ছিলেন। অস্ত্রপচারে তিনি সেটন আবিষ্কার করেন। তিনিই সর্বপ্রথম বসন্ত ও হামের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নির্ণয় এবং তাদের লক্ষণ ও উপসর্গের যথাযথ বর্ণনা দেন। তাঁর রচিত মৌলিক গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক।
আতাবারী: প্রখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানী আত্তাবারীর চিকিৎসা বিষয়ক বিশ্বকোষ 'ফিরদৌস আল হিকমা' ছিল আরবী ভাষায় বিরচিত সর্বপ্রাচীন চিকিৎসা শাস্ত্র। এ শাস্ত্রে তাঁর অনবদ্য অবদানের স্বাক্ষর রয়েছে।
হুনায়ন বিন ইসহাক: চিকিৎসা বিজ্ঞানী হুনায়ন বিন ইসহাক চক্ষু বিষয়ক গ্রন্থ রচনা করেছেন। এই গ্রন্থে তিনি চক্ষুর গঠন, চক্ষুর সঙ্গে মস্তিষ্কের সংযোগ রক্ষাকারী স্নায়ু, চক্ষুর বিভিন্ন রোগ ও তার প্রতিকার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা লিপিবদ্ধ করেছেন।
আলী ইবনু ঈসা ও আম্মার এই চিকিৎসকদ্বয়ের আল কিরা আল কাহহালীন ও আল মুনতাখাব ফি উলাজ আল আইন গ্রন্থ দুইখানি ল্যাটিন ভাষায় অনূদিত হয়ে অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত পাশ্চাত্যে চক্ষু চিকিৎসা বিদ্যায় পাঠ্য হিসেবে ব্যাপক প্রচলিত ছিল। আম্মারের গ্রন্থে ১৩০ প্রকারের চক্ষু রোগ ও তার চিকিৎসার পরামর্শ উল্লেখ রয়েছে।
আবুল কাসিম আয্যাহরাবী: ইনি স্পেনের সর্বশ্রেষ্ঠ শল্য চিকিৎসক। এই মনীষী 'আততাসিরফ' গ্রন্থে রোগ নির্ণয় অপারেশন পদ্ধতি ও অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতির ছবি সম্বলিত বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন। তিনি নিজেও অনেক যন্ত্র ও অস্ত্র তৈরি করেন।
স্মরণীয় যে, উল্লেখিত চিকিৎসা বিজ্ঞানী ছাড়াও ইবনু রুশদ, হারিস বিন কালাদা ও নাসির বিন আল গামারের বিশষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ভূগোল শাস্ত্রে অবদান
আল বিরুনী: বহুভাষাবিদ পণ্ডিত আলবিরুনীর পূর্ণ নাম হচ্ছে- আবু রায়হান মুহাম্মাদ বিন আহম্মদ আল বিরুনী। এই মুসলিম মনীষী মুসলিম জগতে শ্রেষ্ঠ ভূগোলবিদ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। তাঁর রচিত 'কিতাবুল হিন্দ' গ্রন্থে ভূ-বিদ্যা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। তিনিই সর্বপ্রথম পৃথিবীর গোলাকার মানচিত্র তৈরি করেন। আর 'কিতাবুল তাফহিমে' উক্ত মানচিত্রটির ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সন্নিবেশিত হয়েছে।
আল ইদ্রিসী: ইনি মধ্যযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ ভূগোল ও মানচিত্রবিদ। তিনি প্রাচীন ও আধুনিক ভৌগলিক জ্ঞানের সমন্বয় সাধন করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ 'কিতাবুল রোজারি'। তিনি একটি গোলকে জ্ঞাত জগতের অবস্থান চিহ্নিত করেছেন।
ইয়াকুত আলহামাবী: এই মুসলিম মনীষীকে ভূগোল শাস্ত্রের জনক বলা হয়। তিনি ত্রয়োদশ শতকের প্রথম দিকে মুসলিম প্রাচ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ ভৌগলিক বিশ্বকোষ 'মুজাম আল বুলদান' রচনা করেন। এতে তৎকালীন মুসলিম জগতের সার্বিক ভৌগলিক জ্ঞানের সমূহ স্বাক্ষর পরিলক্ষিত হয়।
আল খাওয়ারিযমী: তাঁর পূর্ণনাম মুহাম্মাদ মুসা আল খাওয়ারিযমি। তিনি ছিলেন প্রখ্যাত ভূগোল শাস্ত্রবিদ। তাঁর সমসাময়িকদের মধ্যে পৃথিবীর মানচিত্র অংকনের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অনন্য।
মুকাদ্দিসী: এই মুসলিম পণ্ডিত ও মনীষী ফিলিস্তিনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ইসলামের সর্বশ্রেষ্ঠ ভূগোলবিদ ও পর্যটক। তিনি দীর্ঘ বিশ বছরের অভিজ্ঞতা দিয়ে সর্ববৃহৎ ও সর্বাপেক্ষা মৌলিক ভূগোল গ্রন্থ রচনা করে নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো- 'আহসান আত তাকাসিম ফি মারিফাত আল আকালিম'।
ইবনু খুরদাদ বিহ: ইনিও বিখ্যাত ভূগোলবিদদের অন্যতম। তাঁর রচিত গ্রন্থে আরবদের প্রধান বাণিজ্যপথ এবং চীন, জাপান, কোরিয়া প্রভৃতি দূরবর্তী দেশের বর্ণনা চিত্রিত হয়েছে। তাঁর রচিত 'আল মাসালিক ওয়াল মামালিক' গ্রন্থখানি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
দর্শন শাস্ত্রে অবদান
আল ফারাবী: বিশিষ্ট ভাষাতত্ববিদ আবু নসর মুহাম্মদ আল ফারাবি ৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। আর ৯৫০ খ্রি. মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ দার্শনিক, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ ও রসায়নবিদ। তিনি ছিলেন ভাষা পণ্ডিত। তাই তিনি প্রায় সত্ত্বরটি ভাষায় কথা বলতে পারতেন।
আল কিন্দী: জন্ম ৮০১; মৃত্যু ৮৭৩; ইনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত দর্শন শাস্ত্রবিদ। গণিত, ভূগোল, ইতিহাস, চিকিৎসা বিজ্ঞান ও ভাষাবিদ হিসেবে মুসলিম জগতে বিশেষ মর্যাদা কুড়িয়েছেন এই মুসলিম মনীষী। বিভিন্ন বিষয়ের উপর ৩৬৯ টি গ্রন্থ রচনা করে মৌলিক নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন।
রসায়ন শাস্ত্রে অবদান
জাবিদ বিন হাইয়ান: এই প্রখ্যাত রসায়নবিদ ৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে কুফায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁকে আধুনিক রসায়ন শাস্ত্রের জনক বলা হয়। তিনি রসায়ন শাস্ত্রের উপর ৫০০ খানি অনবদ্য গ্রন্থ রচনা করে বিশ্বখ্যাতি অর্জন করেছেন।
ইবনু সীনা ও আল রাযী: এই দুইজন মুসলিম পণ্ডিত ও মনীষী চিকিৎসা শাস্ত্রে অনবদ্য অবদান রেখেও পরবর্তীকালে রসায়ন শাস্ত্রের বিজ্ঞ পণ্ডিত হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
পদার্থ বিজ্ঞানে অবদান
আবদুস সালাম: প্রখ্যাত মুসলিম পদার্থবিদ পাকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালে অপর দুইজন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থ বিজ্ঞানীর সাথে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ডক্টরেট অফ সাইন্স ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯৬ নভেম্বর মাসে মারা যান।
বিজ্ঞান শাস্ত্রে অবদান
ড. কুদরাত-ই-খুদা: এই মুসলিম মনীষী একজন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি রসায়ন শাস্ত্রে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট ডিগ্রি অর্জন করেন। কর্মজীবনে অধ্যাপনা করতেন। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মান সূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করে। তাঁর রচিত গ্রন্থ হচ্ছে বিজ্ঞানের বিচিত্র কাহিনী, পূর্ব পাকিস্তানের শিল্প সম্ভাবনা, অনুবাদ: পবিত্র কুরআনের কথা (২য় খণ্ড)। জন্ম সাল ১৯০০ (বাংলাদেশে) মৃত্যু ১৯৭৮ সালে।
📄 মুসলিম সেনাপতি
০১. হযরত আলী (রা);
০২. হযরত হামজা (রা);
০৩. গাজি সালাহ উদ্দিন;
০৪. হযরত আবু উবায়দাদ;
০৫. হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ;
০৬. হযরত তারিক বিন যিয়াদ;
০৭. হযরত মুসা বিন নোসায়ের;
০৮. হযরত সুলতান সালাহ উদ্দিন;
০৯. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মাদ বিন বখতিয়ার খিলজি;
১০. মুহাম্মাদ বিন কাসিম;
১১. সুলতান মাহমুদ;
১২. টিপু সুলতান।
📄 অলিগণের নাম
ক্রম. নাম দেশ
০১. হাসান বসরি (র) ইরাক
০২. ইমাম জাফর সাদেক (র) ইয়েমেন
০৩. হযরত আ. কাদির জিলানি (র) বাগদাদ
০৪. বাহাউদ্দিন নকশাবন্দি (র) উজবেকিস্তান
০৫. হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতি (র) ভারত
০৬. হযরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়া (র) ভারত
০৭. হযরত শাহ জালাল (র) বাংলাদেশ
০৮. মুজাদ্দিদে আলফেসানি সাইয়্যেদ আহমাদ সিরহান্দী (র) ভারত
০৯. আবু বকর সিদ্দিক (র) ভারত
১০. মাও. নেছারউদ্দিন আহম্মদ (র) বাংলাদেশ
১১. মাও. মো. এছাহাক (র) বাংলাদেশ
১২. মাও. মো. হাসানউদ্দিন (র) বাংলাদেশ
📄 মুসলিম নোবেল পুরস্কার বিজয়ী
ক্রম. নাম দেশ বিষয় সাল
০১. আনোয়ার সাদাত মিসর শান্তি ১৯৭৮
০২. ড. আবদুস সালাম পাকিস্তান পদার্থ ১৯৭৯
০৩. নাজিব মাহফুজ মিসর সাহিত্য ১৯৮৮
০৪. ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিন শান্তি ১৯৯৪
০৫. অধ্যাপক ফরিদ মুরাদ যুক্তরাষ্ট্র চিকিৎসা ১৯৯৮
০৬. আহমদ এইচ জোবাইল মিসর রসায়ন ১৯৯৯
০৭. কফি আনান ঘানা শান্তি ২০০১
০৮. শিরিন এবাদী ইরান শান্তি ২০০৩
০৯. মুহাম্মদ আল বারদী মিসর শান্তি ২০০৫
১০. ড. মুহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশ শান্তি ২০০৬