📄 বদরের যুদ্ধের ফিরিশ্তাদের নাম
১. হযরত জিবরাইল (আ);
২. হযরত মিকাইল (আ);
৩. হযরত ইসরাফিল (আ);
📄 বিভিন্ন যুদ্ধের টুকিটাকি
১. বদর
প্রঃ এ যুদ্ধের সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?
- মুসলমান: ৩১৩ ও কুরাইশ: ১০০০।
প্রঃ এ যুদ্ধের সেনাপতি কে কে ছিল?
- মুসলমানদের রাসূল (স) স্বয়ং; কুরাইশদের ওতবা বিন রবিআ।
প্র : এ যুদ্ধে মোট কতজন শাহাদাত ও মৃত্যুবরণ করেন?
- শাহাদাত-১৪ জন (মুসলমান) মৃত্যুবরণ-৭০ জন (কুরাইশ)।
প্র: কোন্ সাহাবী নিজের কাটা হাতকে পায়ে চেপে ধরে পুনরায় জিহাদে অংশগ্রহণ করেন?
- হযরত মুআজ (রা)।
প্রঃ কে আবু জাহলকে হত্যা করেন?
- হযরত মুআওয়েজ ও মুআজ (রা) নামক অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক দুই সাহাবী।
প্র: কোন্ সাহাবী যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করতে দেয়ার জন্য কেঁদেছিলেন?
- হযরত উমায়ের বিন ওয়াককাস (রা)।
২. উহুদ
প্রঃ এ যুদ্ধের সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?
- মুসলমান- ৭০০ কুরাইশ- ৩০০০।
প্রঃ এ যুদ্ধে কতজনের শাহাদাত ও মৃত্যু ঘটে?
- শাহাদাত- ৭০ জন (মুসলমান) মৃত্যু- ২৩ জন (কুরাইশ)
প্র: হযরত হামযা (রা) কোন যুদ্ধে শহীদ হন?
- উহুদের যুদ্ধে।
প্রঃ কে হযরত হামযা (রা) এর কলিজা চর্বণ করেছিল?
- আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দা।
প্র: ফিরিস্তাগণ কোন্ সাহাবীকে ফরয গোসল দিয়েছিলেন?
- হযরত হানযালা (রা) কে।
প্র: কার বর্শার আঘাতে রাসূল (স) এর দাঁত মোবারক শহীদ হয়?
- উতবা বিন আবি ওয়াক্কাসের। (আবু সাইদ খুদরীর (রা) বর্ণনা মতে)
প্রঃ এ যুদ্ধে রাসূল (স) কার হাতে ইসলামের পতাকা বহন করতে দিয়েছিলেন?
- হযরত মুসআ বিন ওমায়ের (রা) এর হাতে।
প্রঃ এ যুদ্ধে কোন্ দুইজন কিশোর অংশগ্রহণ করেছিল?
- ১. রাফে বিন খাদিজ ও ২. ছামুরা (রা)।
প্রঃ এ যুদ্ধে কোন্ কোন্ মুসলিম রমণী অংশগ্রহণ করেছিল?
- ১. হযরত আয়েশা (রা); ২. হযরত উম্মে সুলাইমা (আনাস (রা)-এর মা) ৩. হযরত উম্মে লুহাইত (আবু সাঈদ খুদরীর (রা)-এর মা)।
৩. খন্দক
প্রঃ এ যুদ্ধে সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?
- মুসলমান- ৩,০০০ জন; কাফির- ১৮,০০০ জন। (ফতহুল বারীর লেখকের মতে- ১০,০০০ জন)
প্রঃ কে পরিখা খননের পরামর্শ দেন?
- হযরত সালমান ফারসি (রা)।
প্রঃ পরিখা খননে কতজন সাহাবীর কতদিন প্রয়োজন হয়?
- ৩০০০ সাহাবীর ৬ দিন। (সিরাতুন্নবীতে ২০ দিনের কথা উল্লেখ আছে)
প্রঃ এ যুদ্ধে কতদিন মুসলমানগণ মদিনায় অবরুদ্ধ ছিল?
- ১৫ দিন।
প্রঃ এ যুদ্ধে সেনাপতির দায়িত্ব কে পালন করেন?
- মুসলমানদের স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (স) কাফিরদের- আবু সুফিয়ান।
৪. হুদাইবিয়ার সন্ধি
প্রঃ হুদাইবিয়ার সন্ধি কত তারিখে হয়?
- ৬ষ্ঠ হিজরী (৬২৮ খ্রি. ফেব্রুয়ারি মাসের সোমবার)।
প্রঃ এ সময় সাহাবীদের সংখ্যা কত ছিল?
- প্রায় ১৪০০ (চৌদ্দশত)।
সন্ধির লেখক কে?
- হযরত আলী (রা)।
মহানবী কাকে কুরাইশদের কাছে প্রেরণ করেন?
- হযরত উসমান (রা) কে। (তাঁকে কুরাইশরা বন্দী করে রাখে)
কে কুরাইশদের প্রতিনিধি ছিল?
- সুহায়েল বিন আমর।
এই সন্ধির পর কে কে ইসলাম গ্রহণ করেন?
- ১. হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ ও ২. হযরত আমর ইবনুল আস।
হুদাইবিয়ার স্থানটির বর্তমান নাম কী?
- শমীসা।
📄 জিহাদ
জিহাদ শব্দটির অর্থ কী?
- জোর প্রচেষ্টা করা, কঠোর পরিশ্রম করা, সংগ্রাম করা, কোন উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য অর্জনের জন্য সর্বাত্মক ও চূড়ান্ত প্রচেষ্টা চালানো।
জিহাদ এর পারিভাষিক অর্থ কী?
- আল্লাহর সন্তষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আল্লাহর কালিমাকে বুলন্দ করা ও আল্লাহ প্রদত্ত পরিপূর্ণ দ্বীনকে বিজয়ী আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টাকেই জিহাদ বলা হয়।
জিহাদ কত প্রকার ও কী কী?
- ৬ প্রকার। যথা- ১. শারীরিক জিহাদ; ২. নাফস বা প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদ; ৩. আর্থিক জিহাদ; ৪. জ্ঞানার্জন ও চর্চার জিহাদ; ৫. সামাজিক অনাচার ও অনৈসলামিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জিহাদ; ৬. লেখা ও বক্তৃতার মাধ্যমে জিহাদ।
জিহাদের বিধান কী কী?
- ১. ফরয; ২. ফরযে আইন; ৩. ওয়াজিব ও ৪. মুস্তাহাব।
প্র: জিহাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী?
- সমস্ত বাতিল মতাদর্শের উপর ইসলামের প্রাধান্য ও বিজয় প্রতিষ্ঠা করা।
প্র: কাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করা ফরয?
- যারা ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করতে উদ্যত।
প্রঃ মুজাহিদ কারা?
- যারা আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে।
প্র: শহীদ কারা?
- যারা আল্লাহর পথে জিহাদে প্রাণ বিসর্জন দেন।
প্রঃ গনিমত শব্দের অর্থ কী?
- কৃতকার্যতা লাভ করা, যুদ্ধ লব্ধ সম্পদ অর্জন করা।
প্রঃ গনিমতের পারিভাষিক অর্থ কী?
- কাফির ও মুশরিকদের সাথে সংগ্রাম করার পর মুসলমানগণ যে ধন-সম্পদ অর্জন করে।