📘 ইসলামী সাধারণ জ্ঞান > 📄 সাহাবীদের কারামাত

📄 সাহাবীদের কারামাত


প্র: কেউ কোন মিথ্যা কথা বললেই সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারতেন কোন্ সাহাবী?
- হযরত উমর ফারুক (রা)।

প্র: কার মৃত্যুর সময় মক্কা শরীফ থর থর করে কেঁপে উঠেছিল?
- হযরত আবু বকর (রা)।

প্রঃ কোন্ সাহাবীর কারণে লেয়ানের আয়াত অবতীর্ণ হয়?
- হযরত হেলাল ইবনু উমাইয়ার (রা)।

প্রঃ যাঁর জানাযায় শরিক হতেন, তাঁর সঙ্গেই কথা বলতেন কোন্ সাহাবী?
- হযরত সাদ ইবনু মুআজ (রা)।

প্র: কোন্ সাহাবীর জানাযার খাট ফিরিস্তারা বহন করেছিলেন?
- হযরত সাদ ইবনু মুআজ (রা)-এর।

প্র: কোন্ পুণ্যাত্মার জানাযায় ৭০ হাজার ফিরিস্তার শুভাগমন হয়েছিল?
- হযরত সাদ ইবনু মুআজ (রা) এর।

প্রঃ কোন্ সাহাবীর শাহাদাতের পর ফিরিস্তারা তাঁর ফরয গোসল দিয়েছিলেন?
- হযরত হানযালা ইবনু আমের (রা) এর।

প্রঃ কোন্ সাহাবীকে বনের বাঘ পথ দেখিয়ে স্বীয় ইসলামী বাহিনীর কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন?
- হযরত সফিনা (রা) কে।

প্রঃ কোন্ সাহাবী অভিশপ্ত শয়তানকে তিনদিন বন্দী করে রেখেছিলেন?
- হযরত আবু হোরায়রা (রা)।

প্র : আল্লাহর কোন প্রিয় বান্দা সুদীর্ঘ একমাস শুধু যমযম কূপের পানি পান করে অপেক্ষাকৃত সুস্থ ও সবল ছিলেন?
- হযরত আবুযর গিফারী (রা)।

প্রঃ বদর যুদ্ধে কোন্ সাহাবী এক মুশরিকের দিকে শুধু ধাওয়া করতেই তার মাথা কেটে নিচে পড়ে গিয়েছিল?
- হযরত আবু ওয়াকেদ লাছি (রা)।

প্রঃ কোন দুই বুযুর্গ মৃত্যুর পরেও কথা বলেছিলেন?
- হযরত রবিউ এবং হযরত উসমান গনি (রা)।

প্রঃ কোন নবী-দুলালের শাহাদাতের সময় আকাশ কাল বর্ণ ধারণ করেছিল?
- হযরত ইমাম হোসাইন (রা) এর।

প্রঃ যে পুণ্যাত্মার শাহাদাতের দিন বায়তুল মুকাদ্দাসের প্রতিটি পাথরের নিচ থেকে তাজা রক্ত বের হয়েছিল, তাঁর নাম কী?
- হযরত ইমাম হোসাইন (রা)।

প্র: আল্লাহর নবীর কোন্ সাহাবী দাজ্জালকে দেখেছিলেন?
- হযরত তামিম দারী (রা)।

প্রঃ মদিনায় ভূমিকম্প শুরু হলে কার লাঠির আঘাতে তা বন্ধ হয়ে যায়?
- হযরত উমর (রা) এর। অত:পর আর কখনও মদিনায় ভূমিকম্প হয়নি।

প্র: আল্লাহর কোন প্রিয় বান্দা যে পথে চলতেন, শয়তান তার বিপরীত পথে চলতো?
- হযরত উমর ফারুক (রা)।

প্র: কোন্ পুণ্যাত্মা মিসরের নীল নদের প্রতি চিঠি লিখেছিলেন?
- হযরত উমর (রা)। মিসরের নীলনদ সে দেশের কৃষিকার্যের প্রধানতম উৎস, কিন্তু উক্ত নদ প্রতি বছর শুকিয়ে যেতো। তখন সে দেশের অধিবাসীরা প্রাচীন প্রথানুযায়ী একটি সুন্দরী কুমারীকে নীল নদের বুকে বলিদান করতো।
ফলে নীলনদ পূর্বের ন্যায় প্রবাহিত হত। পরবর্তীকালে হযরত উমর (রা) কর্তৃক মিসর বিজিত হলে সেখানকার প্রাদেশিক শাসনকর্তা হযরত আমর ইবনুল আস (রা) এ অবৈধ কার্যের প্রতি হস্তক্ষেপ করে তা বন্ধ করেন এবং খলিফা হযরত উমরকে এ বিষয়ে অবহিত করেন। তখন হযরত উমর (রা) একটি ছোট্ট চিরকুট লিখে আমর ইবনুল আসের কাছে পাঠিয়ে দেন এবং নীলনদের বুকে তা নিক্ষেপ করতে আদেশ করেন। খলিফার নির্দেশানুযায়ী কাজ করা হলে নদীতে জোয়ার দেখা দেয় এবং সেই থেকে আজো পর্যন্ত নীলনদের পানি প্রবাহিত অবস্থায় বিদ্যমান।

টিকাঃ
¹. মিশকাত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৫৪৫
*. মিশকাত ১ম খণ্ড, পৃ. ১৮৫
৭. কালামুম মুবিন, পৃ. ৭৯
২. তাহযিবুত তাহযিব, পৃ. ৪৮২
৩. কিতাবে যিলাই ১ম খণ্ড, পৃ. ৩৭৫
৪. কিতাবে যিলাই, ১৪শ খণ্ড, পৃ. ৩৭০

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00