📘 ইসলামি রাষ্ট্র ব্যবস্থা > 📄 ভিত্তিমূলক আইন

📄 ভিত্তিমূলক আইন


যেকোনো রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনায় কিছু নীতিমালা ও মূলনীতি রয়েছে, যার মাধ্যমে একটি রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে থাকে। এর মাধ্যমে একটি রাষ্ট্রের গঠন এবং প্রধান বিভাগগুলো নির্ধারিত হয়। এর মাধ্যমেই জনগণ সুবিন্যস্ত থাকে, জুলুম প্রতিরোধ করা যায়, হকদারদের হক রক্ষা করা যায় এবং সামষ্টিকভাবে ও বিচারের ক্ষেত্রে ইনসাফ কায়েম করা যায়।
আইন প্রণয়নের উৎস কী হবে এক্ষেত্রে অনেক আগে থেকেই এমনকি বর্তমান যুগেও রাজনীতিবিদদের মতবিরোধ রয়েছে—এটা কি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে হবে, না-কি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে, না-কি কোনো নির্দিষ্ট দলের পক্ষ থেকে হবে?
একদল আলিম বলেন—আইন প্রণয়নের একমাত্র অধিকার শাসকের। এক্ষেত্রে তিনি নিরঙ্কুশ কর্তৃত্বের অধিকারী, অন্য কারও অধিকার নেই; যেমনটি একনায়কতন্ত্রের ক্ষেত্রে দেখা যায়।
স্বাভাবিকভাবেই ইসলাম এমন মতাদর্শকে স্বীকৃতি দেয় না—যে মতাদর্শ শাসককে শাসনের বিষয়ে নিরঙ্কুশ কর্তৃত্বের অধিকার দেয়। কারণ, আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও নিরঙ্কুশ কর্তৃত্বের অধিকার দেন নি। বরং, আল্লাহ তাআলা তাঁর নবীকে বলেন—
فَذَكِّرْ إِنَّمَا أَنتَ مُذَكِّرٌ
‘অতএব, আপনি উপদেশ দান করুন। আপনি তো শুধু উপদেশ দানকারী।’ ২৮৬
আল্লাহ তাআলা আইন প্রণয়ন নিজের মাঝে সীমাবদ্ধ করে বলেন,
إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ
‘শাসন ক্ষমতা তো শুধু আল্লাহ তাআলার জন্য।’ ২৮৭
আরেকদল বলে—আইন প্রণয়নের ক্ষমতা একটি নির্দিষ্ট দলের। তারা আইন প্রণয়ন করতে পারবে, ঊর্ধ্বজাগতিক কোনো আইন তারা মানবে না; যেমনটি আমরা দেখতে পাই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে। এই দর্শনকেও ইসলাম প্রত্যাখ্যান করে। কারণ, ইসলাম বলে শাসনক্ষমতার অধিকার একমাত্র আল্লাহ তাআলার। তিনি বিশ্বজগতের সৃষ্টিকর্তা। জগতের সামষ্টিক এবং একক কল্যাণ সম্পর্কে তিনি অবগত। এক্ষেত্রে অন্য কারও অংশীদারত্ব নেই, আর না কারও হক আছে।
আরেকদল আলিম বলেন—আইন প্রণয়নের অধিকার একমাত্র আল্লাহ তাআলার। তবে ইসলামের মূলনীতির আলোকে, মানুষ শুধু সেটা বাস্তবায়ন করতে পারে। এটাই আসলে সত্য। এর মাধ্যমে ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম হতে পারে। এজন্যই আল্লাহ তাআলা আসমানি কিতাব নাজিল করেছেন, আম্বিয়ায়ে কিরাম প্রেরণ করেছেন। ইসলামি আইনের বড়ো একটি মূলনীতি হলো কুরআনের এই আয়াত—
إِنَّ اللهَ يَأْمُرُكُمْ أَن تُؤَدُّوا الْأَمَانَاتِ إِلَى أَهْلِهَا وَإِذَا حَكَمْتُم بَيْنَ النَّاسِ أَن تَحْكُمُوا بِالْعَدْلِ إِنَّ اللَّهَ نِعِمَّا يَعِظُكُم بِهِ إِنَّ اللَّهَ كَانَ سَمِيعًا بَصِيرًا (৫৮) 'নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তোমাদের আদেশ করেন, যাতে তোমরা আমানতকে তার হকদারদের কাছে পৌঁছে দাও এবং যখন মানুষের মাঝে শাসন করবে, তখন ইনসাফের সাথে শাসন করার।'২৮৮
আরেকটি আয়াত-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنكُمْ 'হে ঈমানদারগণ, তোমরা আনুগত্য করা আল্লাহর এবং আনুগত্য করো রাসুলের এবং তোমাদের মধ্য থেকে কর্তৃত্বশীলদের।' ২৯১
তাছাড়া কোনো মুসলিম এক্ষেত্রে মতবিরোধ করে না যে, শরিয়তের সমস্ত হুকুম-আহকাম তথা আদেশ-নিষেধের ভিত্তি ও উৎস আল্লাহ তাআলা। এক্ষেত্রে যত মূলনীতি বা নীতিমালা এবং শরিয়ত প্রণয়ন করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলার সাথে কোনো মানুষ শরিক নয়।
এগুলো জানার মাধ্যম আল্লাহ তাআলা কুরআন কারিমে, যা নাজিল করেছেন কিংবা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে যা ওহিরূপে পাঠিয়েছেন। মূলত এই ক্ষেত্রেই রয়েছে মানুষের স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি, তার সম্মান ও কল্যাণের সুরক্ষা। এক্ষেত্রে অন্য কারও কোনো কর্তৃত্ব নেই। কিন্তু যদি বলা হয় কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট দল আইন প্রণয়নের অধিকার রাখে, তাহলে সেটা হবে আল্লাহ তাআলার রুবুবিয়াতের ক্ষেত্রে শিরক।
মূলত এটা এমন একটি অধিকার, যা মানুষকে নিয়ে যায় স্বেচ্ছাচারিতা, জুলুম, নির্যাতন, কঠোরতা, মানুষের স্বাধীনতা হরণের দিকে, যা তার যাবতীয় কল্যাণকে বিনষ্ট করার দিকে নিয়ে যায়।
আইন প্রণয়নের অধিকার যে একমাত্র আল্লাহ তাআলার এক্ষেত্রে অনেক 'নস' (কুরআন ও হাদিস) রয়েছে। যেমন: আল্লাহ তাআলা বলেন- إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ 'শাসন-ব্যবস্থা শুধু আল্লাহ তাআলার।'২৯০
إِنَّ الْأَمْرَ كُلَّهُ لِلَّهِ 'শাসন-ব্যবস্থা পুরোটাই আল্লাহ তাআলার।'>
তবে মানুষ আল্লাহ তাআলার ওয়াকিল বা প্রতিনিধি। নিজেদের অধীন মানুষের কাছে আল্লাহ তাআলার বিধিবিধান পৌঁছে দেওয়া, সুসাব্যস্ত করা, কার্যকর করা, প্রয়োগ করা, ইজতিহাদ তথা চিন্তা-গবেষণার মাধ্যমে সেগুলো উপলব্ধি করার ক্ষেত্রে-কোনটা কী কী প্রমাণ করে, অথবা কোন উদ্দেশ্য নেওয়া হচ্ছে, কিংবা কোন সীমারেখা নির্ধারণ করা হচ্ছে, যার মাঝে মানুষকে চলতে হবে, তার জীবনকে পরিচালনা করতে হবে-এগুলো বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে দায়িত্বশীল। মানুষ যে এ সকল ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলার প্রতিনিধি, সেটা এই আয়াত থেকে বোঝা যায়। আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَائِكَةِ إِنِّي جَاعِلٌ فِي الْأَرْضِ خَلِيفَةً
'তোমার প্রতিপালক ফেরেশতাদের বললেন-আমি জমিনেই একজন খলিফা বানাব।' ২৯২
কুরআন যখন এত সুন্দর করে স্পষ্ট করে বলেছে যে, রাসুলগণ এবং আম্বিয়ায়ে কিরাম আল্লাহ তাআলার প্রতিনিধি; তাহলে এখান থেকে এটাও বোঝা যায় যে, রাসুলদের পর মানুষ হবে জমিনে তাঁর প্রতিনিধি। আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَاذْكُرُوا إِذْ جَعَلَكُمْ خُلَفَاءَ مِن بَعْدِ قَوْمِ نُوحٍ
'ওই সময়ের কথা স্মরণ করো, যখন আমি তোমাদের নুহের কওমের পর প্রতিনিধি বানিয়েছি।' ২৯৩
আল্লাহ তাআলা বলেন-
ثُمَّ جَعَلْنَاكُمْ خَلَائِفَ فِي الْأَرْضِ مِن بَعْدِهِمْ لِنَنظُرَ كَيْفَ تَعْمَلُونَ
'তারপর আমি তোমাদেরকেজমিনে তাদের ওপর প্রতিনিধি বানিয়েছি, দেখার জন্য যে-তোমরা কেমন আমল করো।' ২৯৪
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন-
وَهُوَ الَّذِي جَعَلَكُمْ خَلَائِفَ الْأَرْضِ
'আর তিনিই ওই মহান সত্তা, যিনি তোমাদের জমিনের প্রতিনিধি বানিয়েছেন।' ২৯৫
আর প্রতিনিধির কাজ তো এটাই যে, যিনি তাকে প্রতিনিধি বানিয়েছেন তার আদেশ-নিষেধ কার্যকর করা। যেমন: আল্লাহ তাআলা বলেন-

টিকাঃ
* সূরা গাসিয়া, আয়াত: ২১
* সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৪০
* সূরা নিসা, আয়াত: ৫৮
** সূরা নিসা, আয়াত: ৫৯
৬০ সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৪০
>> সূরা আলে ইমরান, আয়াত:
* সূরা বাকারা, আয়াত: ৩০
** সূরা আরাফ, আয়াত: ৬৯
***সরা ইউনুস, আয়াত: ১৪
সরা আনআম, আয়াত: ১৬৫

📘 ইসলামি রাষ্ট্র ব্যবস্থা > 📄 ইসলামে আইন-কানুনের উৎস

📄 ইসলামে আইন-কানুনের উৎস


এই শেষ আয়াতটি আইন প্রণয়নের উৎসসমূহকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যায় সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে যে, উৎসসমূহ শেষ পর্যন্ত এক উৎস থেকেই আহরিত হয়। আর তা হলো, আল্লাহ প্রদত্ত কুরআন।
এই উৎসগুলো চারটি:-
এক. কুরআন কারিমে যে সকল বিধিবিধান এসেছে, আল্লাহ তাআলার আনুগত্যের জন্য সেগুলো বাস্তবায়ন করা অবশ্য কর্তব্য।
দুই. সুন্নাতে নববি, যা সহিহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। যার ভিত্তি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে ওহি। সুন্নাতে নববিতে যে সকল বিধিবিধান এসেছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আনুগত্যের জন্য সেগুলো কার্যকর করাও অবশ্য কর্তব্য।
তিন. সামষ্টিক ইজতিহাদ (চিন্তা ও গবেষণা) বা গবেষক সমাজের ইজমা-যারা বিশেষজ্ঞ জনগণের বিভিন্ন বিষয়ে ও কল্যাণ সম্পর্কে, তাদের দ্বীনি অথবা দুনিয়াবি প্রয়োজন উপলব্ধি করার ক্ষেত্রে। অর্থাৎ শাসক, প্রশাসক, উলামায়ে কিরাম, সেনাপ্রধান, রাজনীতিবিদ, সমাজবিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ (যেমন: ব্যবসায়ী, কারিগর, কৃষক এবং অন্যান্য শাস্ত্রে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা)।
চার. মুজতাহিদ আলিমদের একক ইজতিহাদ।
মুজতাহিদ আলিম দ্বারা উদ্দেশ্য, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি বিশ্বাসী, শরিয়তের হুকুম-আহকামের উৎস সম্পর্কে অবগত-সেগুলোর প্রকার, সেগুলো সাব্যস্ত করার পদ্ধতি, দলিলগুলোর প্রমাণিত দিক, সেই সাথে অবগত বিভিন্ন নীতিমালা ও হুকুম-আহকাম উদঘাটনের পদ্ধতি সম্পর্কে। যাদের সাথে রয়েছে বিভিন্ন উসুল। যেমন—কিয়াস, ইস্তিহসান, ইস্তিসলাহ, সমাজের প্রচলন, রীতি, বিভিন্ন মাধ্যম বা উপকরণ বন্ধ করার পদ্ধতি, সাহাবির বাণী এবং পূর্ববর্তী শরিয়তের জ্ঞান ও ইস্তিসহাব।
তৃতীয় এবং চতুর্থ উৎসটিকে 'কর্তৃত্বশীলদের আনুগত্য করো' এ কথা শামিল করে। আবু বকর জাসসাস রহ. বলেন— 'কর্তৃত্বশীল' দ্বারা কী উদ্দেশ্য, এ বিষয়ে অনেকগুলো মত রয়েছে।
জাবির ইবনু আবদিল্লাহ, ইবনু আব্বাস (এক বর্ণনায়), হাসান বসরি, আতা এবং মুজাহিদ; তারা বলেন-'কর্তৃত্বশীল' দ্বারা উদ্দেশ্য যারা ফকিহ এবং আলিম।
ইবনু আব্বাস (থেকে আরেকটি বর্ণনা) এবং আবু হুরাইরা রা. বলেন—তাদের দ্বারা উদ্দেশ্য জিহাদের অভিযানের আমিরগণ।
তবে এই আয়াতে দুটি মতই গ্রহণ করা যেতে পারে। কারণ, শব্দটি সবাইকে শামিল করে। কেননা, যারা আমির, তারা সৈন্যবাহিনী পরিচালনা, অভিযান পরিচালনা, শত্রুদের মোকাবিলা-এসব কিছুর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন; আর যারা আলিম, তারা শরিয়তের রক্ষণাবেক্ষণ, শরিয়তে কী জায়িজ হবে, কী জায়িজ হবে না-এসব বিষয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অতএব, মানুষকে আদেশ করা হয়েছে তাদের আনুগত্য করার, তাদের কথা গ্রহণ করার যতক্ষণ পর্যন্ত শাসক ও আমিররা ইনসাফের পথে থাকেন এবং যতক্ষণ পর্যন্ত আলিমরা 'আদিল' থাকেন, সন্তোষভাজন এবং দ্বীন ও আমানতের বিষয়ে বিশ্বস্ত থাকেন।১৯৮
উপরের আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম-ইসলামি আইন-কানুনের উৎস কী কী এবং যারা এই আইন-কানুন সুবিন্যস্ত বা সংকলন করবেন, তাদের জন্য কী কী শর্ত। যারা উম্মাহর পক্ষ থেকে এই আইন-কানুন সংকলন করেন, তাদের নির্বাচন ওই সকল গুণের ওপর নির্ভরশীল; যে সকল গুণের দিকে কুরআন কারিমের আয়াত ইঙ্গিত করেছে। অর্থাৎ ইলম, মাআরিফাত, অগ্রাধিকার দানকারী আকল, আদালত (ধার্মিকতা), তাকওয়া এবং আভিজাত্য।

টিকাঃ
*** সূরা নিসা, আয়াত: ৫৮
** সূরা নিসা, আয়াত: ৫৯
** আহকামুল কুরআন, ২/২৬৪

📘 ইসলামি রাষ্ট্র ব্যবস্থা > 📄 সালতাতুত তানফিজ (কার্যকরী মন্ত্রণালয়)

📄 সালতাতুত তানফিজ (কার্যকরী মন্ত্রণালয়)


সালতাতুত তানফিজ দ্বারা আধুনিক যুগের রাজনীতির পরিভাষায় উদ্দেশ্য নেওয়া হয় শাসক, প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী এবং রাষ্ট্রের অন্যান্য কর্মজীবী।
এই মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো-জীবন-ব্যবস্থার জন্য সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশে যে সকল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেগুলো কার্যকর করা। অতএব, এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব হলো-নির্দেশনা বাস্তবায়িত করে দেশকে পরিচালনা করা।
এই মন্ত্রণালয় নির্দিষ্ট কিছু আকৃতি বা সংখ্যার মাঝে আবদ্ধ নয় যে, এছাড়া অন্য কিছু হতে পারবে না। বরং এটা স্থান, কালভেদে বিভিন্ন রকম হতে পারে। অর্থাৎ, দেখা যাবে কোনো দেশে কোনো সময়ে অনেক বৃদ্ধি হবে, আবার কোনো স্থানে অন্য সময়ে সেটা কমে যাবে। বাস্তবে সেটা দেশের একটি ক্ষণস্থায়ী রূপ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00