📄 শাসকদের কাজের নিন্দা বা প্রত্যাখ্যান
নিন্দা বা প্রত্যাখান করা জায়িজ না ওয়াজিব, না অন্য কিছু, সেটা নির্ভর করে নিন্দিত ব্যক্তির ওপর। শাসকের নিন্দা করা হলে তিনি যদি আরও বেশি খারাপ কাজ করে বসেন, তাহলে নিন্দা করা যাবে না। অন্যথায় শাসকের ভুল তুলে ধরা আবশ্যক। তো, শাসক যদি জনগণের ওপর জুলুম করে, তাদের হক প্রদান করা থেকে বিরত থাকে, তাহলে তাদের কর্তব্য সবর করা, মনে মনে তাদের কাজকে নিন্দা করা (যদি আরও বেশি জুলুমের আশঙ্কা থাকে) এটাই শুধু তারা করতে পারবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-
ستكون أمراء فتعرفون وتنكرون فمن عرف برئ ومن أنكر سلم ولكن من رضي وتابع قالوا أفلا نقاتلهم قال لا ما صلوا...
অচিরেই কিছু শাসক আসবে, যাদের থেকে তোমরা ভালো কাজও পাবে, মন্দ কাজও দেখবে, তো যে ভালো কাজ দেখতে পাবে সে তো দায়মুক্ত আর যে খারাপ কাজ দেখে নিন্দা করবে সেও নিরাপদ। কিন্তু যে তাদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকবে, তাদের পিছু পিছু হাটবে সে..!
সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন-আমরা কি তাদের সাথে লড়াই করব না? তিনি বললেন-না; যতক্ষণ পর্যন্ত তারা নামাজ পড়ে।
নবীজি আরও বলেন-
ألا من ولي عليه وال فرآه يأتي شيئا من معصية الله فليكره ما يأتي من معصية الله ولا ينزعن من طاعة.
শোনো, যার কোনো শাসক থাকবে অতঃপর তাকে আল্লাহর নাফরমানির কিছু করতে দেখে, তাহলে সে যেন আল্লাহর নাফরমানিকে অপছন্দ করে। তবে আনুগত্য থেকে বিরত থাকা যাবে না।
সুতরাং শাসকদের নিন্দা জানানো হবে হয় মনে মনে। কিংবা কোমল আচরণের মাধ্যমে। কিংবা নরম নরম দ্বারা। কারণ, শাসকদের সম্বোধন করা আর সাধারণ মানুষকে সম্বোধন করা এক নয়, একেক স্থানে একেকভাবে কথা বলতে হবে। এ-জন্যই যে ফেরআউন নিজেকে রব বলে দাবি করেছিল, তাকে দাওয়াত দেওয়ার ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলা মুসা আলাইহি সালামকে নরম ও কোমলতার সাথে কথা বলার আদেশ করেছেন। তিনি মুসা আ.-কে সম্বোধন করে বলেন
فَقُولَا لَهُ قَوْلًا لَّيْنَا لَّعَلَّهُ يَتَذَكَّرُ أَوْ يَخْشَى সহিহ মুসলিম
তোমরা দুইজন তা সাথে নরম করে কথা বলো; যাতে সে উপদেশ গ্রহণ করে অথবা ভয় করে। ২০১
তো, যারা ফেরআউনের চেয়েও নিচুস্তরের জালিম, তারা তো আরও বেশি হকদার কোমলতা পাওয়ার ক্ষেত্রে। আল্লামা জুহাইলি রহ. বলেন—যদি শাসক ভিত্তিহীন কোনো ভুল করে বসেন, যার সাথে শরিয়তের কোনো সম্পর্ক নেই, তাহলে জনগণের কর্তব্য আন্তরিকতা, প্রজ্ঞা ও উত্তম উপদেশের মাধ্যমে তাকে বোঝানো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন—
الدين النصيحة قلنا لمن يا رسول الله قال الله ولرسوله ولكتابه ولأئمة المسلمين وعامتهم ...
দ্বীন হলো হিতাকাঙ্খার নাম। আমরা জিজ্ঞাসা করলাম—কার জন্য হিতাকাঙ্খা, ইয়া রাসুলাল্লাহ?
তিনি বলেন—আল্লাহর জন্য, তাঁর রাসুলের জন্য, তাঁর কিতাবের জন্য, মুসলিমদের শাসকবর্গ এবং সাধারণদেরজন্য। ২৫২
তাছাড়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নসিহত প্রদান, হক প্রকাশের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন—
أفضل الجهاد كلمة حق عند سلطان جائر... শ্রেষ্ঠ জিহাদ হচ্ছে জালিম শাসকের সত্য কথা বলা।২২০
তিনি আরও বলেন—
من رأى منكم منكرا فليغيره بيده فإن لم يستطع فبلسانه فإن لم يستطع فبقلبه وذلك أضعف الإيمان...
তোমাদের কেউ যখন খারাপ কাজ দেখবে, তখন যেন খারাপ কাজটা দূর করে হাতের মাধ্যমে, তা না পারলে মুখের মাধ্যমে তাও যদি না পারে তাহলে মনে মনে ঘৃণা প্রকাশ করবে। আর এটা হলো ঈমানের সর্বনিম্নস্তর।২৪
এরপরও যদি শাসক জুলুম থেকে ফিরে না আসে, তাহলে সবর করা কর্তব্য। কারণ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন—
من رأى من أميره شيئا فكره فليصبر فإنه ليس أحد يفارق الجماعة شبرا إلا مات ميتة جاهلية...
কেউ শাসক থেকে অপছন্দনীয় কিছু দেখলে সে যেন ছবর করে অন্যথায় যেই জামাআত থেকে সামান্য বিচ্ছিন্ন হয়ে মৃত্যুবরণ করবে, সে জাহিলিয়াতের মরা মরল।
তবে হ্যাঁ যদি এমন কোনো নাফরমানি প্রকাশ পায়, যা ইসলামের অকাট্য বিষয়গুলোর সাথে সংঘর্ষপূর্ণ, তাহলে আনুগত্য করা যাবে না। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-
لا طاعة لأحد في معصية الله إنما الطاعة في المعروف
আল্লাহ তাআলার অবাধ্যতার ক্ষেত্রে কারও আনুগত্য করা যাবে না, আনুগত্য শুধু নেক কাজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
তিনি আরও বলেন-
لا طاعة لمن لم يطيع الله
যে আল্লাহর তাআলার আনুগত্য করে না, তার আনুগত্য করা যাবে না। ১৫৫
টিকাঃ
২৯১ সূরা ত-হা, আয়াত: ৪৪
সূত্র: সহিহ মুসলিম
***সুনানু ইবনি মাজাহ
সূত্র: সহিহ মুসলিম
📄 শাসকদের উপদেশ দেওয়ার চারটি শর্ত
যে কেউ, যে কোনো সময়, যে কোনোভাবে, ইচ্ছে করলেই শাসককে উপদেশ দিতে যাবে না। শাসককে উপদেশ দেওয়ার জন্য চারটি শর্ত রয়েছে। শর্তগুলো হলো-
এক. ইখলাস, সুতরাং শাসককে উপদেশ দিয়ে পদ, সম্পদ বা খ্যাতির আশা করা যাবে না।
দুই. উপদেশ আন্তরিকতা ও কোমল কথার মধ্যেমে হতে হবে। কারণ, কোমলতার পরিণাম কল্যাণকর, আর কঠোরতার পরিণতি অশুভ।
তিন. উপদেশ গোপনে হতে হবে। কারণ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-
من كان عنده نصيحة لذي سلطان فلا يكلمه بها علانية وليأخذ بيده وليخل به فإن قبلها قبلها وإلا كان قد ادى الذي عليه والذي له ( رواه الحاكم في المستدرك)
কেউ যদি শাসককে উপদেশ দিতে চায়, তাহলে যেন সেটা প্রকাশ্যে না বলে। বরং শাসকের হাত ধরে একান্তে গিয়ে উপদেশ দেবে। এখন গ্রহণ করলে তো করলই, আর যদি না করে, তাহলে (কোনো সমস্যা নেই)। কারণ, যে দায়িত্ব ও কর্তব্য তার ওপর ছিল, সেটা সে পৌঁছে দিয়েছে।২৫৬
সায়িদ ইবনু জুবাইর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-আমি ইবনু আব্বাস রা.-কে জিজ্ঞাসা করলাম-আমি কি নিজের শাসককে সৎ কাজের আদেশ করব? তিনি বলেন-যদি আশংকা করো যে, সে তোমাকে হত্যা করে ফেলবে, তাহলে প্রয়োজন নেই। আর যদি করতেই হয়, তাহলে তোমার এবং তার মাঝেই যেন সীমাবদ্ধ থাকে। ২৫৭
চার. এই উপদেশের কারণে যেন অন্য কোনো ফিতনা চলে না আসে। তাউস রহ. বলেন-এক ব্যক্তি ইবনু আব্বাস রা.-এর কাছে এসে বলল-আমি কি বাদশাহকে আদেশ নিষেধ করব না?
তিনি বললেন-না। কারণ, সেটা তোমার জন্য ফিতনার কারণ হবে।
লোকটা বললে-আচ্ছা, যদি আমাকে নাফরমানি করার আদেশ করে?
তিনি বললেন-সেটাই কি জানতে চাচ্ছ? তাহলে শোনো, তখন তুমি সত্যের ওপর অটল থাকবে। ২৫৮
টিকাঃ
*** আল-ফিকহুল ইসলামিয়া, খণ্ড: ৬, পৃঃ:
*** মুসতাদরাক আল-হাকিম: ৫২৬৯
* সূত্র: বাইহাকি, শুআবুল ঈমান :
* সূত্র: বাইহাকি : ৭১৮৭
📄 আহলুল হিল্লি ওয়াল আকদ
ইমাম নববি রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাদের পরিচয় দিয়েছেন, তারা হলেন- উলামায়ে কিরাম, নেতৃবর্গ, গণ্যমান্য ব্যক্তি, যারা সহজে কোনো বিষয়ে একমত হতে পারেন।২৫৯
আর জুওয়াইনি রহ. বলেন—তারা হলেন স্বাতন্ত্রের অধিকারী, শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন অভিজ্ঞতা যাদের সুদক্ষ করে তুলেছে, বিভিন্ন পথ পন্থা যাদের গড়ে তুলেছে, জনগণের নেতৃত্ব কার হাতে হতে পারে। তার গুণ কী কী হতে পারে, সে সম্পর্কে তারা জ্ঞান রাখে।২৬০
টিকাঃ
২২১ মিনহাজুত তালিবিন: ২৯২
২৮০ গিয়াসুল উমাম: ৬৪
📄 আহলুল হিল্লি ওয়াল আকদ হওয়ার শর্ত
এই বিশেষ দলে নিযুক্ত হওয়ার জন্য যে সকল শর্ত পূর্ণাঙ্গরূপে পাওয়া আবশ্যক, সেগুলো উলামায়ে কিরাম নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কিছু আছে, যেগুলো শাসক হওয়ার জন্য শর্ত, অর্থাৎ ইসলাম বোধবুদ্ধি, প্রাপ্তবয়স্কতা, পুরুষ হওয়া, স্বাধীনতা থাকা, এগুলো নির্দিষ্ট করেছেন। আর কিছু আছে, যেগুলো তাদের সাথে খাস। সেগুলো তিনটি, আল্লামা মাওয়ারদি বলেন-তাদের মাঝে তিনটি শর্ত পাওয়া যেতে হবে-
০১. আদালত থাকা, যা অন্যান্য শর্তকেও সন্নিবেশ করে।
০২. ইলম, যার মাধ্যমে জানা যাবে—শর্ত-শারায়েতসহ কে নেতৃত্বের বেশি হকদার..;
০৩. চিন্তা এবং প্রজ্ঞা, যার দ্বারা বোঝা যাবে—কে বেশি নেতৃত্বের যোগ্য, শাসন ব্যবস্থাপনার জন্য অধিকনিষ্ঠ এবং অভিজ্ঞ।
এই শর্তাগুলো পাওয়া গেলেই তারা নির্বাচন করবেন তাকে, যে নেতৃত্বের যোগ্য এবং মুসলিমদের জন্য উপকারী।
ইলম দ্বারা উদ্দেশ্য: দ্বীন সম্পর্কে জ্ঞান রাখা জাতির সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে জান রাখা রাজনীতি সম্পর্কে জ্ঞান রাখা তবে এই জ্ঞানের ধরন যুগের পার্থক্যের কারণে পরিবর্তন হতে পারে।
বর্তমান যুগে শাসক এবং শুরা সদস্যদের-যারা নেতৃত্বের ভিত্তি শাসন ক্ষমতার মূল-তাদের জ্ঞান রাখতে হবে রাষ্ট্রীয় আইন-কানুন সম্পর্কে, চুক্তি ও সন্ধি সম্পর্কে, পার্শ্ববর্তী দেশ ও জাতি সম্পর্কে, তাদের সাথে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সম্পর্ক সম্বন্ধে, অর্থাৎ তাদের রাজনৈতিক শক্তি কেমন, তাদের থেকে কী আশা করা যায়, কী আশঙ্কা করা যায়। তাদের ক্ষতি রোধ করার জন্য, তাদের মাধ্যমে উপকার গ্রহণ করার জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন-এসব সম্পর্কেও জ্ঞান রাখা জরুরি। তবে সবার মাঝেই এসব শর্ত পরিপূর্ণভাবে থাকা জরুরি না, বরং সামষ্টিগতভাবে পাওয়া গেলেই যথেষ্ট। সদস্যের মাঝে যে শর্ত থাকতে হবে, এ সম্পর্কে যে সকল 'আসার' (সাহাবায়ে কিরামের কর্ম বা বাণী) পাওয়া যায়, সেগুলো থেকে হাফিজ ইবনু হাজারের বক্তব্য পাওয়া যায়। তিনি উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর বাইআত প্রসঙ্গে বলেন-উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর প্রশাসক নির্বাচনের ক্ষেত্রে তার নীতি লক্ষ্য করলে বোঝা যায় যে, তিনি শুধু দ্বীনি যোগ্যতা দেখতেন না, বরং সাথে সাথে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাও-তবে শরিয়তবিরোধী কিছু থাকলে পরিহার করতেন-দেখতেন। এজন্যই দেখা যায়, শামে আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু, কুফায় ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু, এদের মতো মহান সাহাবি দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও তিনি মুআবিয়া, মুগিরা ইবনু শুবা, এবং আমরা ইবনুল আস রহ.-কে প্রশাসক বানিয়েছিলেন। ২৬১
এজন্যই সাধারণত খিলাফত সম্পর্কিত বিষয়ে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর নীতি অবলম্বন করা হয়। বিশেষ করে বড়ো বড়ো এবং দেশ ও জাতির সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে। হুজাইফা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-
إني لا أدري ما بقائي فيكم فاقتدوا بالذين من بعدي وأشار الى أبي بكر وعمر
আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে বসা ছিলাম। তিনি বললেন-জানি না, আর কতদিন তোমাদের মাঝে আমি আছি। সুতরাং তোমরা আমার পর যে দুজন আসবে, তাদের অনুসরণ করবে। তখন তিনি আবু বকর এবং উমার রা.-এর দিকে ইশারা করেছেন। ২৬২
যারা রাজনীতির বা রাষ্ট্রের মূল কেন্দ্রে থাকে, অন্যদের ওপর তাদের কোনো বৈশিষ্ট্য নেই সুতন্ত্র নেই। আবু ইয়ালা রহ. বলেন-যারা খলিফার শহরে থাকবে, অন্যান্য অঞ্চলের অধিবাসীদের ওপর তাদের কোনো আলাদা বৈশিষ্ট্য নেই, যার মাধ্যমে তারা কোনো ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে। হ্যাঁ, সর্বোচ্চ এটা হতে পারে যে, যে খলিফার শহরে থাকবে সে নেতৃত্ব বিষয়ে ব্যবস্থাপক হতে পারে। কারণ, সে খলিফার মৃত্যু সম্পর্কে আগে জানবে, তাছাড়া যারা খলিফার শহরে থাকে, সাধারণত তারাই খিলাফতের যোগ্য হয়।২৬০
আহলুল হিল্লি ওয়াল আকদ ছাড়া অন্যদের বাইআত গ্রহণ: আহলুল হিল্লি ওয়াল আকদ ছাড়া অন্যদের বাইআত গ্রহণ বিবেচ্য নয়।২৬৪
ইমাম জুহাইলি বলেন-সাধারণ জনগণের জন্য এতটুকুই বিশ্বাস করা যথেষ্ট যে, তারা নিযুক্ত শাসকের দায়িত্বে আছে। এর চেয়ে ভিন্ন কিছু যদি মনে করে, তাহলে তারা ফাসিক। তাদের ক্ষেত্রেও এ হাদিস প্রযোজ্য হবে-
من مات وليس في عنقه بيعة مات ميتة جاهلية যে বাইআত গ্রহণ ছাড়া মৃত্যুবরণ করল সে জাহেলিয়াতের মরা মরল। ২৬৫
টিকাঃ
২২১ মিনহাজুত তালিবিন: ২৯২
২৮০ গিয়াসুল উমাম: ৬৪
*** ফাতহুল বারি, খণ্ড: ১৩, পৃষ্ঠা: ১৯৭
২৬২ জামি তিরমিজি: ৩৬৬৩
২৬০ আহকামুস সুলতানিয়া: ১৯
২৬৪ নিহায়াতুল মুহতাজ ইলা শারহিল মিনহাজ, খণ্ড: ৭, পৃষ্ঠা: ৪১০
২৬৫আল-ফিকহুল ইসলামিয়্য