📘 ইসলামি রাষ্ট্র ব্যবস্থা > 📄 আলি ইবনু আবি তালিব রা. এর নির্বাচন

📄 আলি ইবনু আবি তালিব রা. এর নির্বাচন


আলি রা.-এর বাইআত নির্বাচনের মাধ্যমে সংগঠিত হয়েছে। এর আগে যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হচ্ছে : ৩৫ হিজরির জিলহজ মাসের ১৮ তারিখ শুক্রবার, বিভিন্ন এলাকা ও গোত্রের বহিরাগত ধর্মত্যাগী অপরিচিত লোকেরা অন্যায়ভাবে উসমান ইবনু আফফান রা.-কে শহিদ করে। এরপর মদিনায় অবস্থানরত সমস্ত সাহাবায়ে কিরাম আলি রা.-এর হাতে বাইআত গ্রহণ করেন। কারণ, শাব্দিক অর্থেই ওই সময়ে তার থেকে শ্রেষ্ঠ আর কেউ ছিল না। এজন্যই সাহাবায়ে কিরামের অনেক পীড়াপীড়ির পর তিনি খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। কোনো কোনো আহলে ইলম আলি রা.-এর সেই নির্বাচনের পদ্ধতিটা বর্ণনা করেছেন। আবু বকর খল্লাল মুহাম্মাদ ইবনু হানাফিয়্যার সনদে মুহাম্মাদ রহ. বর্ণনা করেন—

(সেদিন) আমি, আলি ও উসমান রা.-এর সাথে অবরুদ্ধ ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি এসে বলল— আমিরুল মুমিনিনকে অতিসত্বরই হত্যা করা হবে। তারপর আরেকজন এসে বলল— এখনই হত্যা করা হবে। তখন আলি রা. দাঁড়িয়ে গেলেন। মুহাম্মাদ রহ. বলেন— আলি রা. উসমান রা. এর ঘরে এসে দেখেন, তিনি শহিদ হয়ে গেছেন। তখন আলি রা. নিজের ঘরে এসে দরজা বন্ধ করে দেন। তখন লোকেরা এসে দরজায় করাঘাত করলে তিনি দরজা খোলেন। তারা তার সামনে এসে বলে— উসমান রা.-কে তো শহিদ করা হয়ে গেছে, আর সবার একজন খলিফাও দরকার, কিন্তু আমরা আপনার চেয়ে আর কাউকে এই বিষয়ের যোগ্য মনে করি না।

আলি রা. তাদেরকে বললেন— তোমরা আমাকে খলিফা বানাতে চেয়ো না। কারণ, তোমাদের আমির হওয়ার চাইতে পরামর্শদাতা বা সাহায্যকারী হওয়াই উত্তম। তারা বলল, না, আল্লাহর কসম! আপনি ছাড়া আর কেউ এর হকদার হতে পারে না। তখন তিনি বললেন— তাহলে তোমরা যদি আমাকে খলিফা বানাতেই চাও, তাহলে আমার বাইআত গোপনে হলে চলবে না। বরং, আমি মসজিদে যাব, তখন যার ইচ্ছা আমার হাতে বাইআত গ্রহণ করবে। তখন লোকজন তার হাতে বাইআত গ্রহণ করে

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00