📘 ইসলামি রাষ্ট্র ব্যবস্থা > 📄 নবম উৎস: পূর্ববর্তী ধর্ম

📄 নবম উৎস: পূর্ববর্তী ধর্ম


কুরআন কারিম বা সুন্নাতে সহিহাতে যদি পূর্ববর্তী ধর্মের কোনো বিধান পাওয়া যায় এবং এটাও স্পষ্ট করে উল্লেখ থাকে যে-তাদের মতো আমাদের ওপরও ফরজ, তাহলে সবার মতেই তাদের বিধান আমাদের শরিয়তের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর যদি তাদের বিধান রহিত হওয়ার ওপর কোনো শরয়ি দলিল পাওয়া যায়, তাহলে সবার মতেই তা আমাদের শরিয়ত-বহির্ভূত বিষয় বলে গণ্য হবে।

আর যদি দুটোর কোনোটাই না পাওয়া যায়, অর্থাৎ ফরজ হওয়া বা রহিত হওয়ার ওপর কোনো দলিল না পাওয়া যায়; তাহলে অধিকাংশ উলামায়ে কিরামের মতে-আমাদের শরিয়ত বলে বিবেচিত হবে এবং সে অনুযায়ী আমল করা আমাদের ওপর কর্তব্য। আর কোনো কোনো আলিম বলেন—তা আমাদের শরিয়তের মধ্যে গণ্য হবে না। অবশ্য প্রথমটাই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত, যেমনটি উসুলের কিতাবে বিদ্যমান।

📘 ইসলামি রাষ্ট্র ব্যবস্থা > 📄 দশম উৎস: সাহাবিদের কথা ও কর্ম

📄 দশম উৎস: সাহাবিদের কথা ও কর্ম


তার বিস্তারিত বিবরণ বড়ো বড়ো কিতাবে উল্লিখিত আছে।

দ্রষ্টব্য: উসুলের প্রায় সব কিতাবে প্রসিদ্ধ আছে, মৌলিক উৎস চারটি। যথা— * ০১। কিতাবুল্লাহ, * ০২। সুন্নাতে রাসুল, * ০৩। ইজমায়ে উম্মাহ, * ০৪। কিয়াসে মুজতাহিদ!

কেননা, সূক্ষ্মভাবে দেখলে বোঝা যায়, অন্যান্য উৎসগুলোও এই চার উৎসের মাঝে চলে আসে। কারণ, পূর্ববর্তীদের শরিয়ত কিতাব ও সুন্নাহর মাঝে অন্তর্ভুক্ত। প্রচলন ইজমার মাঝে গণ্য, সাহাবিদের বোধগম্য কথা কিয়াসের সাথে যুক্ত আর অবোধগম্য কথা সুন্নাতের সাথে যুক্ত, ইসতিহসান এবং এ জাতীয় উৎস কিয়াসের অন্তর্ভুক্ত।”

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00