📄 তৃতীয় উৎস: ইজমা বা একমত হওয়া
ইজমার পরিচয়, হুকুম, প্রকার ইত্যাদি উসুলের কিতাবে বর্ণনা করা হয়েছে। সুতরাং, সেখানে থেকে দেখে নেওয়া যেতে পারে।
📄 চতুর্থ উৎস: কিয়াস
এর বিস্তারিত বিবরণ উসুলের কিতাবে আছে।
টিকাঃ
৪০ সাধারণ কিয়াস ( قياس ) বলতে— ইসলামি আইনশাস্ত্রের চতুর্থ উৎসকে নির্দেশ করা হয়। কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমার পর এর অবস্থান। এই তিন উৎসতে সরাসরি নেই—এমন কোনো বিষয়ের মাসআলা বা বিধান উৎসভিত্তিক অনুমান করে নির্ণয় করাকে কিয়াস বলে। বিস্তারিত ও গবেষণাসহ জানতে সংশ্লিষ্ট অন্যাক্তিগ্রন্থ দেখতে হবে।
📄 পঞ্চম উৎস: ইসতিহসান
উসুলবিদদের পরিভাষায় ইসতিইসান হলো-স্পষ্ট কিয়াস বাদ দিয়ে সূক্ষ্ম ক্রিয়াকে প্রাধান্য দেওয়া।
📄 ষষ্ঠ উৎস: মাসলাহাতে মুরসালা
উসুলবিদদের পরিভাষায় 'মাসলাহাতে মুরসালা' বলে ওইসব কল্যাণময় বিষয়কে যা বাস্তবায়নের জন্য কোনো হুকুম প্রণয়ন করা হয় নি। তদ্রুপ তার স্বপক্ষে বা বিপক্ষে কোনো শরয়ি দলিলও পাওয়া যায় নি।
আর এটাকে মুতলাক বা মুরসাল বলা হয় এজন্য যে, এটা দলিলমুক্ত। পক্ষের হোক বা বিপক্ষের! এর উদাহরণ হলো-কারাগার এবং রাজস্ব কর প্রভৃতি, যা সাহাবায়ে কিরাম বিভিন্ন প্রয়োজনে বানিয়েছেন; কিন্তু তার কোনো বিধিবিধানও নেই। সেই সাথে তার পক্ষে বা বিপক্ষে প্রণয়ন করার কোনো দলিলও নেই। মাসলাহাতে মুরসালা দিয়ে প্রমাণ পেশ করার জন্য শর্ত হলো-
* ০১। বাস্তবেই কল্যাণ আছে, শুধু ধারণাভিত্তিক নয়। অর্থাৎ মাসলাহাতে মুরসালা দিয়ে হুকুম প্রণয়নের পর যেন তা দিয়ে কল্যাণ লাভ করা যায়, অথবা ক্ষতি রোধ করা যায়।
* ০২। কল্যাণটি ব্যাপক হতে হবে, ব্যক্তিগতভাবে সীমাবদ্ধ থাকা যাবে না।
* ০৩। এই কল্যাণ কুরআন-হাদিস বা ইজমার বিপরীত হতে পারবে না। সুতরাং, কুরআন-হাদিস বা ইজমার মোকাবিলায় ওই কল্যাণ ধর্তব্য নয়।