📄 দ্য ফার্স্ট ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইসলামিক ইকোনমিকস
জেদ্দার কিং আবদুল আযিয ইউনিভার্সিটির পৃষ্ঠপোষকতায় মক্কায় অনুষ্ঠিত হয় দ্য ফার্স্ট ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইসলামিক ইকোনমিকস। এক সপ্তাহের কাছাকাছি স্থায়ী হয় এই আয়োজন। ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের (১৩৯৬ হিজরি) ২১শে ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রায় দুইশ মুসলিম অর্থনীতিবিদ ও আলিম সুযোগ পান এতে নিবন্ধ উপস্থাপন, সম্মেলন আয়োজন, আলোচনা ও মতবিনিময়ের। "এ যেন স্বপ্ন সত্যি হওয়া”, বলেছেন সম্মেলনটির সভাপতি। উপস্থাপিত নিবন্ধগুলোতে আলোচিত হয়েছে বিস্তৃত পরিসরের বিষয়াদি, যেমন:
১. ইসলামি অর্থনীতির ধারণা ও পদ্ধতি,
২. একটি ইসলামি অর্থনীতিতে উৎপাদন ও ভোগ,
৩. ইসলামি অর্থনীতিতে রাষ্ট্রের ভূমিকা,
৪. শরীয়তের পরিসীমায় বীমা,
৫. সুদমুক্ত ব্যাংকিং,
৬. যাকাত, কর, ও আর্থিক নীতিমালা,
৭. ইসলামি কাঠামোয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি,
৮. মুসলিম দেশসমূহের মাঝে অর্থনৈতিক সহযোগিতা,
৯. জনস্বার্থ ও ন্যায্যমূল্য,
১০. সমসাময়িক ইসলামি অর্থনৈতিক লেখালেখির ওপর দুটি জরিপ। একটি “মুসলিম অর্থনৈতিক চিন্তা” বিষয়ে, এবং অপরটি “ইসলামি অর্থনীতির ওপর সমসাময়িক তুর্কি লেখালেখি” বিষয়ে। উক্ত ক্ষেত্রের গবেষকদের জন্য এগুলো খুবই উপকারী বলে প্রমাণিত হয়।
১১. বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের পাঠ্যক্রমে ইসলামি অর্থনীতির অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা এবং বিষয়টির ওপর গবেষণাকে ঘিরে থাকা সমস্যাসমূহ ও সম্ভাব্য সমাধান নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে ইসলামি অর্থনীতির ওপর পাঠদান।
এই সম্মেলনের ব্যাপারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ রয়েছে। অ্যাকাডেমিক ও পেশাদার লোকদের পাশাপাশি আলিমগণও এতে অংশ নিয়েছেন। আলিমদের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে আয়োজকরা ধর্মীয় নেতাদের সাথে অন্য সকলের স্বতঃস্ফূর্ত মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেন। তাও আবার ইসলামি অর্থনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের ওপর। আধুনিকায়ন বা তাজদিদের ব্যাপারে আগ্রহী ইসলামপন্থি কর্মীবৃন্দ এবং ঈমানের প্রহরী হিসেবে নিজেদের বিবেচনা করা আলিমগণের মাঝে দূরত্ব ঘোচাতে ভূমিকা রাখবে এটি। আরেকটি পর্যবেক্ষণ হলো, গবেষণাপত্র উপস্থাপনের ক্ষেত্রে মুসলিম অর্থনীতিবিদগণ পশ্চিমা বিশ্লেষণপদ্ধতি প্রয়োগে বদ্ধপরিকর ছিলেন। যেমন মার্জিনাল অ্যানালাইসিস। যদিও জিয়াউদ্দীন সরদার নিজের বইয়ে এটিকে পছন্দ করেননি। Islamic Futures (১৯৮৫)-তে তিনি বলেন যে, মুসলিম অর্থনীতিবিদগণ ইসলামি অর্থনীতিতে পশ্চিমা পদ্ধতি ও কৌশল প্রয়োগে অতিরিক্ত ব্যস্ত। তার মতে, এর ফলে কাঙ্ক্ষিত গভীরতার বদলে চিন্তা ও কর্ম বিক্ষিপ্ত হওয়ার সমস্যা দেখা দেবে, (সরদার, ১৯৮৫)। তবে যার ঝোঁক যেদিকেই হোক না কেন, এই কনফারেন্স এবং ইসলামি অর্থনীতি বিষয়ে মুসলিম অর্থনীতিবিদদের অন্যান্য কাজকর্মের গুরুত্ব ও পরিমাণের বিশালতাকে কেউই অস্বীকার করতে পারবে না। মজার ব্যাপার, সম্মেলনটির ভাষা আরবি ও ইংরেজি উভয়টিই ছিল। দুই ভাষাতেই গবেষণাপত্র উপস্থাপিত হয়েছে। উপস্থাপন-পরবর্তী আলোচনার আলোকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন করে নিবন্ধগুলো প্রকাশিত হয়েছে দুটি খণ্ডে। একটি ইংরেজি ভাষায় ইংরেজি নিবন্ধগুলো সহকারে, আরেকটি আরবি নিবন্ধসমূহ আরবি ভাষায় (গ্রন্থপঞ্জি দ্রষ্টব্য, ইংরেজি ও আরবি সংকলনের জন্য যথাক্রমে আহমাদ কে, এবং সাক্ এম)। ইসলামি অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও অর্থব্যবস্থার পাঠকদের জন্য এ খণ্ডদ্বয় মহামূল্যবান সম্পদ।
কনফারেন্সটির অন্য অনেক সুপারিশের মধ্যে রয়েছে জেদ্দার কিং আবদুল আযীয বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামি অর্থনীতির ওপর একটি আন্তর্জাতিক গবেষণাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা। কেন্দ্রটি এর কয়েক মাস পরই চালু হয়ে যায়।
📄 ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর রিসার্চ ইন ইসলামিক ইকোনমিকস (ICRIE)
ওপরে যে কেন্দ্রের কথা বলা হলো, সেটিই ICRIE। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে নিম্নলিখিত লক্ষ্যগুলো মাথায় রেখে (ICRIE প্রকাশনাসমূহ ও ওয়েবসাইট):
১. একটি বিশেষায়িত গ্রন্থাগার স্থাপন, যা ইসলামি অর্থনীতির ওপর বিভিন্ন ভাষায় বিশেষজ্ঞদের কাজ সংগ্রহ করবে এবং সব জায়গার গবেষণা-বিশেষজ্ঞদের জন্য ক্যাটালগ তৈরি করে পাঠাবে।
২. ইসলামি অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক গবেষণা পরিচালনা ও পৃষ্ঠপোষকতা করা। মুসলিম প্রতিষ্ঠানসমূহে ব্যবহারের জন্য পাঠ্যবই প্রকাশ করা এবং মুসলিম অর্থনৈতিক স্থাপনাসমূহের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করা।
৩. সফররত মুসলিম বিশেষজ্ঞদের নিজ নিজ পছন্দের বিষয়ে গবেষণাকর্ম চালানোর জন্য সুবিধাদি ও বৃত্তি প্রদান করা।
৪. ইসলামি অর্থনীতির ওপর গবেষণায় সহযোগিতার প্রসার ঘটানো।
৫. ইসলামি অর্থনীতির ওপর গবেষণাপত্র ও সাময়িকী প্রকাশ করা।
৬. ইসলামি অর্থনীতি শিক্ষণের জন্য পদ সৃষ্টিতে সাহায্য করা, এই ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য বৃত্তি প্রদান করা এবং বক্তৃতা, সমাবেশ ও স্থানীয় সম্মেলনের ব্যবস্থা করা।
আইসিআরআইই বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছে। যেমন: ১. ইসলামি অর্থনীতিতে বিশেষায়ণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাত্ত্বিক ও ফলিত গবেষণাকর্ম পরিচালনা ২. ইসলামি অর্থনীতির ওপর পাঠদান উপকরণ তৈরি, বণ্টন ও অনুবাদ ৩. অতিথি বক্তব্য ও কর্মশালার আয়োজন ৪. নিজস্ব পেশাদার পত্রিকা প্রকাশ ৫. সাময়িক পত্র ও ধারাবাহিক মনোগ্রাফ প্রকাশ ৬. জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সম্মেলন ও সমাবেশের আয়োজন ৭. বিশেষজ্ঞদের মতবিনিময় সভার আয়োজন ৮. অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ সুবিধা প্রদান ৯. তরুণ মুসলিম অর্থনীতিবিদদের ডক্টোরাল এবং পোস্ট-ডক্টোরাল পড়াশোনার জন্য ফেলোশিপ প্রদান
ICRIE'র রয়েছে ইসলামি অর্থনীতির ওপর উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন অধ্যাপকবৃন্দ, যারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় পর্যায় থেকে যাদের সংগ্রহ করা হয়েছে। সেইসাথে রয়েছে দাল্লাহ আল-বারাকা ব্যাংকিং গ্রুপ ও কিং আবদুল আযীয বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদার আর্থিক সহযোগিতা। এভাবে ICRIE হয়ে উঠেছে ইসলামি অর্থনীতির ওপর গবেষণা ও শিক্ষার এক প্রধান অ্যাকাডেমিক কেন্দ্র।
📄 ইসলামিক রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (IRTI)
ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের অধীনে IRTI প্রতিষ্ঠিত হয় সৌদি আরবের জেদ্দায় ১৯৮১ সালে। ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) প্রতিষ্ঠার জন্য উল্লেখিত শর্তসমূহের একটি ধারায় বলা হয়েছে, আইডিবির দায়িত্ব হলো: "(সদস্য দেশগুলোতে) উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের জন্য প্রশিক্ষণ সুবিধাদি প্রসারিত করা এবং গবেষণাকর্মের মাধ্যমে মুসলিম দেশগুলোর অর্থনৈতিক, আর্থিক ও ব্যাংকিং কার্যক্রমকে শরীয়ত মোতাবেক হতে সক্ষম করে তোলা"। এই ধারার বাস্তবায়ন হিসেবে আইডিবি বোর্ড অব গভর্নর্স ১৯৭৯ সালে একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপনের সংকল্প ব্যক্ত করে। এটি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর উপকারার্থে গবেষণাকর্ম হাতে নেবে এবং প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। এরই ফলে ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইন্সটিটিউট, যা তার কার্যক্রম শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
IRTI-এর কার্যক্রম নিম্নরূপ (আইআরটিআই ওয়েবসাইট):
১. অর্থনীতি, অর্থব্যবস্থা ও ব্যাংকিং ক্ষেত্রে শরীয়ত প্রয়োগের মডেল ও পদ্ধতি তৈরি করার উদ্দেশ্যে মৌলিক ও ব্যবহারিক গবেষণা পরিচালনা,
২. ইসলামি অর্থনীতির পেশাদার ব্যক্তিবর্গ যেন গবেষণা ও শরীয়ত-মান্যকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা পূরণ করতে পারেন, সেজন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা,
৩. ব্যাংকের (আইডিবির) সদস্য দেশগুলোতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দান,
৪. এর কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের তথ্যসমূহ সংগ্রহ, বিন্যাসকরণ ও প্রচারের জন্য তথ্যকেন্দ্র স্থাপন,
৫. প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সহায়ক, এরকম অন্য যে-কোনো কর্মকাণ্ড সম্পাদন।
ICRIE'র মতো IRTI'রও নিজস্ব প্রকাশনা কর্মকাণ্ড ও একটি অ্যাকাডেমিক পত্রিকা রয়েছে। এগুলো ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যাংকিং ও অর্থব্যবস্থার ওপর বিশাল পরিসরের বিষয়বস্তু নিয়ে কাজ করে থাকে। আফ্রিকা, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের যেসব মুসলিম দেশ এর সদস্য কিংবা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেসব জায়গায় এর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিস্তৃত। উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন গবেষকদের এখানে অন্তর্ভুক্তও করে নেওয়া হয়। কিন্তু ICRIE'র সাথে পার্থক্য হলো, IRTI অ্যাকাডেমিক ডিগ্রিদাতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়। এর উদ্দেশ্য বরং গবেষণা, পেশাদার প্রশিক্ষণ, এবং তথ্যকেন্দ্রের সহায়তায় সদস্য দেশগুলোকে তথ্য সরবরাহ করা। বিভিন্নরকম শিল্প, ব্যাংকিং ও আর্থিক ক্ষেত্রে সরবরাহ করা হয় এসব তথ্য। এসব কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি IRTI আয়োজন করে থাকে বিভিন্ন সেমিনার ও আন্তর্জাতিক সম্মেলন, অতিথিদের বক্তৃতা, জ্যেষ্ঠ গবেষক ও অধ্যাপকদের জন্য বিভিন্ন প্রোগাম, এবং প্রধান প্রধান কাজের অনুবাদ। এই ময়দানের অন্যান্য গবেষণাকেন্দ্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগও বজায় রাখে এটি। ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এবং ইসলামি অর্থনীতির ওপর পাঠ্যক্রমের অধিকারী পশ্চিমা বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে এ প্রতিষ্ঠানটি ইসলামি গবেষণা প্রকল্পের জন্য আর্থিক সহায়তাও প্রদান করে। মোটকথা, IRTI ইসলামি গবেষণা ও প্রশিক্ষণের ময়দানে এক বিশাল অর্জন।
📄 ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (IIIT)
IIIT প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮১ সালে। বর্তমান সমাজে ইসলামের ভূমিকাকে পুনর্জীবিত করার জন্য সমাজবিজ্ঞান ও মানবিক ক্ষেত্রের সমসাময়িক ইসলামি চিন্তা ও জ্ঞানকে পুনর্গঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করে এ প্রতিষ্ঠানটি। এ উদ্দেশ্যে IIIT মুসলিম বিশেষজ্ঞ ও বুদ্ধিজীবীদের প্রচেষ্টাকে একত্র করে থাকে। এই ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠার ধারণাটি জন্ম নেয় ১৯৭৭ সালে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলন থেকে। উম্মতের সংকট এবং ইসলামকে পরবর্তী শতকের জন্য সামনে এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যম সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য সেই সম্মেলনে প্রায় ত্রিশজন অগ্রগণ্য মুসলিম বুদ্ধিজীবী অংশ নেন। সদস্যগণ সিদ্ধান্তে আসেন যে, ইসলামি চিন্তার জন্য একটি আন্তর্জাতিক মানের ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। নিজেদের ধর্মের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে গভীরভাবে নিরীক্ষণ করতে এবং ইসলামি বুদ্ধিবৃত্তিক সমস্যাগুলোর সমাধানে এই ইন্সটিটিউট মুসলিমদের পথ দেখাবে। প্রতিষ্ঠার এক বছরের মাথায় ইন্সটিটিউটটি প্রথম যে বড় অবদানটি রাখে, তা হলো "জ্ঞানের ইসলামিকরণে"র ওপর একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন। এটি পাকিস্তানের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার হেনডনে। সেখান থেকে এটি বিভিন্ন সভা, সম্মেলন ও সমাবেশ আয়োজন করে থাকে। পাশাপাশি প্রকাশ করে মূল্যবান গবেষণা, অ্যাকাডেমিক থিসিস ও পাঠ্যবই। এই ক্ষেত্রের গবেষকদের জন্য সহযোগিতা ও বৃত্তিও প্রদান করে এটি। ইংরেজি ও আরবি ভাষায় IIIT'র প্রকাশনাগুলো সুবিশাল পরিসরের বিষয়বস্তু নিয়ে কাজ করে। এর কিছু উদাহরণ হলো (IIIT ওয়েবসাইট):
১. জ্ঞানের ইসলামিকরণ ২. সংস্কৃতির ইসলামিকরণ ৩. ইসলামি চিন্তার সমকালীন বিষয়াদি ৪. ইসলামি মেথোডোলজি ৫. অ্যাকাডেমিক গবেষণা ও থিসিস ৬. অতিথিদের বক্তৃতা ৭. পারিভাষিক অভিধান, পরিভাষা ও গবেষণা সংশ্লেষণ ৮. ইসলামি ঐতিহ্য ও ইসলামি ইতিহাস ৯. সংস্কার আন্দোলনসমূহ
মুসলিম ও অমুসলিম উভয়ের জন্যই IIIT ইসলাম সংক্রান্ত জ্ঞানের মূল্যবান উৎস সরবরাহ করে। আন্তর্জাতিক পরিসরে কাজ করার মাধ্যমে মুসলিম প্রাচ্য ও খ্রিষ্টান প্রতীচ্যের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের প্রতিনিধিত্বও করে এই প্রতিষ্ঠান।