📘 ইসলামি অর্থব্যবস্থার ইতিহাস > 📄 জনপ্রশাসন বিভাগ

📄 জনপ্রশাসন বিভাগ


খলিফার দৃষ্টিতে এই বিভাগের মধ্যে রয়েছেন বিচারক, নির্বাহী কর্মকর্তা এবং কর্মচারীর সমষ্টি। তার দৃষ্টিতে তারা হলেন, "সন্দেহজনক বিষয়ে (ভাবনাচিন্তার জন্য) থেমে যেতে সবচেয়ে বেশি প্রস্তুত, মতামত শোনার ব্যাপারে যারা সবচেয়ে বেশি ধৈর্যশীল, মামলাকারীদের কলহে সবচেয়ে কম বিরক্ত, কোনো বিষয় সামলে নিতে সবচেয়ে বেশি ধৈর্যশীল এবং রায় দেওয়ার সময় সবচেয়ে নির্ভীক”। তাদের মধ্য থেকেই বিচারক নির্বাচন করতে হবে। তাদের যথাযথভাবে পুরস্কৃত করা হবে এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা তাদের ওপর কোনো অধিকার খাটাতে পারবেন না। নির্বাহী কর্মকর্তাগণকে নিয়োগ দেওয়ার আগে পরীক্ষা করতে হবে। অবিচার ও অন্যায় প্রতিরোধের স্বার্থে পক্ষপাতিত্ব কিংবা স্বজনপ্রীতির ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া যাবে না তাদের। এ ছাড়াও তাদের উদারহস্তে প্রতিদান দেওয়া হবে, যেন "দায়িত্বে থাকা তহবিলের ওপর তাদের কুনজর না পড়ে।” কিন্তু তারা নিজেরাও রাষ্ট্রের নজরদারিতে থাকবেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত তদারকদের তত্ত্বাবধানে চলবেন। কারণ এর ফলে আস্থা ও যোগ্যতা রক্ষার উদ্দীপনা বোধ করবেন তারা। কর্মচারী কাঠামোর গুরুত্ব হলো এতে সরকারি যোগাযোগকে মসৃণ ও গতিশীল করা হয়।

সচিব পদের কর্মীদের সতর্কতা সহকারে বাছাই করতে হবে। কারণ তাদের হাতে এমনসব সরকারি নথির দায়িত্ব থাকে, যাতে আছে নীতিমালা ও গোপনীয় বিভিন্ন তথ্য। এই কর্মী সদস্যদের বাছাইপ্রক্রিয়া শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব যোগ্যতা দিয়ে করলেই হবে না। বরং তাদের পরীক্ষা নিতে হবে এবং পূর্বেকার কর্মস্থলের সুপারিশকেও বিবেচনায় নিতে হবে। তাদের কর্মের সাংগঠনিকতা রক্ষায় কাঠামোটিকে কয়েকটি বিভাগে ভাগ করতে হবে। প্রতিটি বিভাগের দায়িত্বে থাকবেন একজন করে প্রধান কর্মকর্তা। পরিশেষে, এই কাঠামোর কাজকর্মকে খুবই যত্নের চোখে দেখতে হবে। কারণ সচিবদের কোনো ত্রুটি অগ্রাহ্য করে গেলে সরকারই দায়ী থাকবে সেটার জন্য।

খলিফার দৃষ্টিতে এই বিভাগের মধ্যে রয়েছেন বিচারক, নির্বাহী কর্মকর্তা এবং কর্মচারীর সমষ্টি। তার দৃষ্টিতে তারা হলেন, "সন্দেহজনক বিষয়ে (ভাবনাচিন্তার জন্য) থেমে যেতে সবচেয়ে বেশি প্রস্তুত, মতামত শোনার ব্যাপারে যারা সবচেয়ে বেশি ধৈর্যশীল, মামলাকারীদের কলহে সবচেয়ে কম বিরক্ত, কোনো বিষয় সামলে নিতে সবচেয়ে বেশি ধৈর্যশীল এবং রায় দেওয়ার সময় সবচেয়ে নির্ভীক”। তাদের মধ্য থেকেই বিচারক নির্বাচন করতে হবে। তাদের যথাযথভাবে পুরস্কৃত করা হবে এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা তাদের ওপর কোনো অধিকার খাটাতে পারবেন না। নির্বাহী কর্মকর্তাগণকে নিয়োগ দেওয়ার আগে পরীক্ষা করতে হবে। অবিচার ও অন্যায় প্রতিরোধের স্বার্থে পক্ষপাতিত্ব কিংবা স্বজনপ্রীতির ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া যাবে না তাদের। এ ছাড়াও তাদের উদারহস্তে প্রতিদান দেওয়া হবে, যেন "দায়িত্বে থাকা তহবিলের ওপর তাদের কুনজর না পড়ে।” কিন্তু তারা নিজেরাও রাষ্ট্রের নজরদারিতে থাকবেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত তদারকদের তত্ত্বাবধানে চলবেন। কারণ এর ফলে আস্থা ও যোগ্যতা রক্ষার উদ্দীপনা বোধ করবেন তারা। কর্মচারী কাঠামোর গুরুত্ব হলো এতে সরকারি যোগাযোগকে মসৃণ ও গতিশীল করা হয়।

সচিব পদের কর্মীদের সতর্কতা সহকারে বাছাই করতে হবে। কারণ তাদের হাতে এমনসব সরকারি নথির দায়িত্ব থাকে, যাতে আছে নীতিমালা ও গোপনীয় বিভিন্ন তথ্য। এই কর্মী সদস্যদের বাছাইপ্রক্রিয়া শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব যোগ্যতা দিয়ে করলেই হবে না। বরং তাদের পরীক্ষা নিতে হবে এবং পূর্বেকার কর্মস্থলের সুপারিশকেও বিবেচনায় নিতে হবে। তাদের কর্মের সাংগঠনিকতা রক্ষায় কাঠামোটিকে কয়েকটি বিভাগে ভাগ করতে হবে। প্রতিটি বিভাগের দায়িত্বে থাকবেন একজন করে প্রধান কর্মকর্তা। পরিশেষে, এই কাঠামোর কাজকর্মকে খুবই যত্নের চোখে দেখতে হবে। কারণ সচিবদের কোনো ত্রুটি অগ্রাহ্য করে গেলে সরকারই দায়ী থাকবে সেটার জন্য।

📘 ইসলামি অর্থব্যবস্থার ইতিহাস > 📄 সমাজের সমৃদ্ধি

📄 সমাজের সমৃদ্ধি


এই ব্যাপারটি চতুর্থ খলিফার দৃষ্টিতে তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল: নৈতিক মূল্যবোধ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ন্যায়ানুগ বণ্টন। ইসলামি শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা মূল্যবোধ এই উম্মতের সমৃদ্ধিতে অপরিহার্য। এতে করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অপব্যবহার প্রতিহত করা যাবে এবং সুস্থ সামাজিক কাঠামো রক্ষা করা যাবে। সমাজে বিভিন্ন বিভাগের গুরুত্ব এবং সেসব বিভাগের মাঝে অর্থনৈতিক সমন্বয় অর্জন করাটা যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এই স্বীকৃতির ওপর নির্ভর করবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন。

চতুর্থ খলিফা সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে বিভিন্ন পরস্পর-সম্পর্কিত বিভাগে বিভক্ত হিসেবে বিবেচনা করতেন। উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় এই প্রতিটি বিভাগই সরকারের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। এই শ্রেণিবিন্যাস দেখে প্লেটোর রিপাবলিক-এ বর্ণিত শ্রেণিবিন্যাসের কথা মনে পড়ে যায়, যদিও চতুর্থ খলিফার আমলে তখনো গ্রিক দর্শন আরবিতে অনূদিত হয়নি। অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষিখাতের ভূমিকা খলিফা আলি-এর চিন্তায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে, যা ফিজিওক্র্যাটিক চিন্তারা। উদ্ভবের বহু আগের ঘটনা। কিন্তু আবার বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপরও জোরারোপ করা হয়। মার্কেন্টাইলিস্টিক চিন্তাকে এটির প্রতিরূপ মনে করা যেতেও পারে। সেনাবাহিনী-সহ সকল সেবাখাতেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে অর্থনৈতিক উন্নয়নে। আর উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্ববহ। উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অর্থনৈতিক সম্পদের ন্যায়ানুগ বণ্টনও সর্বোচ্চ গুরুত্বের অধিকারী।

চতুর্থ খলিফা-সহ সাধারণভাবে কোনো খলিফার কাছেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন শুধু উৎপাদন-বৃদ্ধিতে সীমাবদ্ধ নয়। জনগণের মাঝে উৎপাদনের মূল্য বণ্টনও এর অন্তর্ভুক্ত। আধুনিক অর্থনৈতিক পরিভাষায় বললে, জাতীয় উৎপাদের মূল্য তথা জাতীয় আয় বাড়ানোটাই তার একমাত্র চিন্তা ছিল না। সেই জাতীয় উৎপাদ সমাজের ব্যক্তিদের কাছে কিভাবে বণ্টিত হবে, সেটাও তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় আয়ের ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টন বোঝাতে তিনি একটি দারুণ ভাষা ব্যবহার করেন। তার মতে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় আয়ের ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টন মানে একজন ব্যক্তির সম্পদ বৃদ্ধির কারণে আরেকজনের সম্পদ কমে না যাওয়া। এরকম ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টনের ধারণাটি পারেটোর কার্যকর বণ্টন ধারণার সাথে না মিললেও কাছাকাছি বটে।

নিঃসন্দেহে চতুর্থ খলিফা আলি -এর অর্থনৈতিক চিন্তা ছিল বিশেষভাবে সমৃদ্ধ। সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে তিনি এমনসব অর্থনৈতিক বিষয়ের মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিক ধ্যানধারণার প্রয়োগ ঘটিয়েছেন, যেগুলো পরবর্তীকালের অর্থনীতিবিদদের আগ্রহের বিষয়ে পরিণত হয়।

ছয়শ একষট্টি সালে খলিফা আলির শাহাদাতের মধ্য দিয়ে সুপথপ্রাপ্ত খিলাফত তথা আল-খিলাফাতুর রাশিদার সমাপ্তি ঘটে। তাঁর জায়গায় আসে ইসলামি সরকারব্যবস্থার এক নতুন যুগ: রাজতন্ত্র। এর প্রথমটি হলো উমাইয়্যা রাজবংশ, যা নব্বই বছর যাবৎ স্থায়ী হয়。

টিকাঃ
[১] অষ্টাদশ শতাব্দীতে ফ্রান্সে উদ্ভূত অর্থনৈতিক চিন্তাসমূহ। এই দর্শনের প্রধান মূলনীতি হলো প্রাকৃতিক অর্থনৈতিক নিয়মের ভেতর সরকারের হস্তক্ষেপ করা অনুচিত এবং ভূমিই সকল সম্পদের উৎস (এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)। -অনুবাদক।
[২] মার্কেন্টাইলিজম একধরনের অর্থনৈতিক চর্চা, যেখানে সরকার নিজের অর্থনীতি ব্যবহার কবে অন্যান্য দেশকে দুর্বল করে দিয়ে নিজের শক্তি বৃদ্ধি করে। এক্ষেত্রে সরকারের উদ্দেশ্য থাকে আমদানির চেয়ে রপ্তানি বেশি করে স্বর্ণ-রৌপ্য আকারে সম্পদ জমা করা (এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)। -অনুবাদক。

এই ব্যাপারটি চতুর্থ খলিফার দৃষ্টিতে তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল: নৈতিক মূল্যবোধ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ন্যায়ানুগ বণ্টন। ইসলামি শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা মূল্যবোধ এই উম্মতের সমৃদ্ধিতে অপরিহার্য। এতে করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অপব্যবহার প্রতিহত করা যাবে এবং সুস্থ সামাজিক কাঠামো রক্ষা করা যাবে। সমাজে বিভিন্ন বিভাগের গুরুত্ব এবং সেসব বিভাগের মাঝে অর্থনৈতিক সমন্বয় অর্জন করাটা যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এই স্বীকৃতির ওপর নির্ভর করবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন。

চতুর্থ খলিফা সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে বিভিন্ন পরস্পর-সম্পর্কিত বিভাগে বিভক্ত হিসেবে বিবেচনা করতেন। উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় এই প্রতিটি বিভাগই সরকারের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। এই শ্রেণিবিন্যাস দেখে প্লেটোর রিপাবলিক-এ বর্ণিত শ্রেণিবিন্যাসের কথা মনে পড়ে যায়, যদিও চতুর্থ খলিফার আমলে তখনো গ্রিক দর্শন আরবিতে অনূদিত হয়নি। অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষিখাতের ভূমিকা খলিফা আলি-এর চিন্তায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে, যা ফিজিওক্র্যাটিক চিন্তারা। উদ্ভবের বহু আগের ঘটনা। কিন্তু আবার বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপরও জোরারোপ করা হয়। মার্কেন্টাইলিস্টিক চিন্তাকে এটির প্রতিরূপ মনে করা যেতেও পারে। সেনাবাহিনী-সহ সকল সেবাখাতেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে অর্থনৈতিক উন্নয়নে। আর উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্ববহ। উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অর্থনৈতিক সম্পদের ন্যায়ানুগ বণ্টনও সর্বোচ্চ গুরুত্বের অধিকারী।

চতুর্থ খলিফা-সহ সাধারণভাবে কোনো খলিফার কাছেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন শুধু উৎপাদন-বৃদ্ধিতে সীমাবদ্ধ নয়। জনগণের মাঝে উৎপাদনের মূল্য বণ্টনও এর অন্তর্ভুক্ত। আধুনিক অর্থনৈতিক পরিভাষায় বললে, জাতীয় উৎপাদের মূল্য তথা জাতীয় আয় বাড়ানোটাই তার একমাত্র চিন্তা ছিল না। সেই জাতীয় উৎপাদ সমাজের ব্যক্তিদের কাছে কিভাবে বণ্টিত হবে, সেটাও তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় আয়ের ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টন বোঝাতে তিনি একটি দারুণ ভাষা ব্যবহার করেন। তার মতে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় আয়ের ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টন মানে একজন ব্যক্তির সম্পদ বৃদ্ধির কারণে আরেকজনের সম্পদ কমে না যাওয়া। এরকম ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টনের ধারণাটি পারেটোর কার্যকর বণ্টন ধারণার সাথে না মিললেও কাছাকাছি বটে।

নিঃসন্দেহে চতুর্থ খলিফা আলি -এর অর্থনৈতিক চিন্তা ছিল বিশেষভাবে সমৃদ্ধ। সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে তিনি এমনসব অর্থনৈতিক বিষয়ের মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিক ধ্যানধারণার প্রয়োগ ঘটিয়েছেন, যেগুলো পরবর্তীকালের অর্থনীতিবিদদের আগ্রহের বিষয়ে পরিণত হয়।

ছয়শ একষট্টি সালে খলিফা আলির শাহাদাতের মধ্য দিয়ে সুপথপ্রাপ্ত খিলাফত তথা আল-খিলাফাতুর রাশিদার সমাপ্তি ঘটে। তাঁর জায়গায় আসে ইসলামি সরকারব্যবস্থার এক নতুন যুগ: রাজতন্ত্র। এর প্রথমটি হলো উমাইয়্যা রাজবংশ, যা নব্বই বছর যাবৎ স্থায়ী হয়。

টিকাঃ
[১] অষ্টাদশ শতাব্দীতে ফ্রান্সে উদ্ভূত অর্থনৈতিক চিন্তাসমূহ। এই দর্শনের প্রধান মূলনীতি হলো প্রাকৃতিক অর্থনৈতিক নিয়মের ভেতর সরকারের হস্তক্ষেপ করা অনুচিত এবং ভূমিই সকল সম্পদের উৎস (এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)। -অনুবাদক।
[২] মার্কেন্টাইলিজম একধরনের অর্থনৈতিক চর্চা, যেখানে সরকার নিজের অর্থনীতি ব্যবহার কবে অন্যান্য দেশকে দুর্বল করে দিয়ে নিজের শক্তি বৃদ্ধি করে। এক্ষেত্রে সরকারের উদ্দেশ্য থাকে আমদানির চেয়ে রপ্তানি বেশি করে স্বর্ণ-রৌপ্য আকারে সম্পদ জমা করা (এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)। -অনুবাদক。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00