📄 মানুষ হিসেবে খলিফা আলি
তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য আলি-কে অনন্য করে তুলেছে: সৎকর্মশীলতা, জ্ঞান ও সাহস (আস-সুয়ুতি)। ধর্মানুরাগী ব্যক্তি ছিলেন তিনি। ইতিহাস গ্রন্থাবলিতে তাঁর ধার্মিকতার উদাহরণ অসংখ্য। শরীয়তের ব্যাপারে বিস্তর জ্ঞান রাখতেন। সেইসাথে তিনি ছিলেন দুঃসাহসী। নবি-এর হিজরতের রাতে তিনি নবিজির গৃহ অবরোধকারীদের ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে নবিজির বিছানায় শুয়ে ছিলেন। জিহাদের শুরুতে মল্লযুদ্ধের তিনি সব সময় নিজের চেয়ে অনেক বেশি অভিজ্ঞ ও প্রসিদ্ধ তলোয়ারবাজদের মোকাবিলা করেছেন। সাহসিকতার জন্য নবি তাঁকে উপাধি দেন "আল্লাহর সিংহ”। শিশুকাল থেকে নবিজির কাছে লালিত-পালিত হওয়ার কারণে এর প্রভাব তার চরিত্রের ওপর পড়েছে নিশ্চয়ই। ফলে তাঁর ধার্মিকতা বৃদ্ধি পায়, জ্ঞান গভীর হয় এবং নির্ভীকতা দৃঢ় হয়। তা ছাড়া খলিফা হিসেবে তিনি ছিলেন অমায়িক, কোমল ও অনুরাগভাজন।
তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য আলি-কে অনন্য করে তুলেছে: সৎকর্মশীলতা, জ্ঞান ও সাহস (আস-সুয়ুতি)। ধর্মানুরাগী ব্যক্তি ছিলেন তিনি। ইতিহাস গ্রন্থাবলিতে তাঁর ধার্মিকতার উদাহরণ অসংখ্য। শরীয়তের ব্যাপারে বিস্তর জ্ঞান রাখতেন। সেইসাথে তিনি ছিলেন দুঃসাহসী। নবি-এর হিজরতের রাতে তিনি নবিজির গৃহ অবরোধকারীদের ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে নবিজির বিছানায় শুয়ে ছিলেন। জিহাদের শুরুতে মল্লযুদ্ধের তিনি সব সময় নিজের চেয়ে অনেক বেশি অভিজ্ঞ ও প্রসিদ্ধ তলোয়ারবাজদের মোকাবিলা করেছেন। সাহসিকতার জন্য নবি তাঁকে উপাধি দেন "আল্লাহর সিংহ”। শিশুকাল থেকে নবিজির কাছে লালিত-পালিত হওয়ার কারণে এর প্রভাব তার চরিত্রের ওপর পড়েছে নিশ্চয়ই। ফলে তাঁর ধার্মিকতা বৃদ্ধি পায়, জ্ঞান গভীর হয় এবং নির্ভীকতা দৃঢ় হয়। তা ছাড়া খলিফা হিসেবে তিনি ছিলেন অমায়িক, কোমল ও অনুরাগভাজন।