📘 ইসলামি অর্থব্যবস্থার ইতিহাস 📄 রাষ্ট্রের অর্থায়ন

📄 রাষ্ট্রের অর্থায়ন


ইসলামের ইতিহাসে রাষ্ট্রীয় রাজস্ব ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বিকশিত হয়। নবি -এর জীবদ্দশায় রাষ্ট্রীয় আয় সীমাবদ্ধ ছিল মূলত পাঁচটি প্রকারের মধ্যে: ফাই, গনীমতের এক-পঞ্চমাংশ, যাকাত, জিযিয়া এবং ব্যক্তিগত দান-সদাকা। ব্যক্তিগত ঐচ্ছিক দানকে শুধু উৎসাহিত করা হয়েছে। বাকি চার প্রকারের আয় এবং সেগুলো খরচ করার পদ্ধতি কুরআন থেকে নির্ধারিত। তা ছাড়া কখনো এসব আয়ের সংজ্ঞায়ন তথা সেগুলোর ব্যয়ের খাত সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে তাও কুরআনের আয়াতে ও হাদীসে ব্যাখ্যা করে দেওয়া হয়েছে। মূলত যুদ্ধজয়ের ফলে ইসলামি ইতিহাস জুড়ে এসব আয়ের প্রকৃতি ও আকৃতি বাড়তে থাকে। প্রয়োজন ও নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে যুক্ত হতে থাকে আয় ও ব্যয়ের নতুন নতুন ধরন। এর শুরুটা উল্লেখযোগ্যভাবে হতে দেখা যায় দ্বিতীয় খলিফা উমরের শাসনামলে (৬৩৪-৬৪৪)। যুদ্ধ ও দেশজয় যত প্রশস্ত হতে থাকে, ততই বাড়তে থাকে আয়ের ধরন। এটা একেবারেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে উমাইয়্যা ও আব্বাসি খিলাফতের আমলে, যা যথাস্থানে আলোচিত হবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية