📘 ইসলামি অর্থব্যবস্থার ইতিহাস > 📄 যাকাতের বিধান প্রয়োগ

📄 যাকাতের বিধান প্রয়োগ


যাকাত হলো কুরআনে বিধিবদ্ধ নির্দিষ্ট একটি আর্থিক প্রদেয়। নবি এটি আদায় করেছেন। আর প্রথম খলিফা আবু বকর (৬৩৪ খ্রি.) একে ধর্মীয়- রাষ্ট্রীয় অধিকার হিসেবে যাকাত অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। যাকাত থেকে প্রাপ্ত অর্থ কোন কোন খাতে খরচ করতে হবে, তা উল্লেখ করে দিয়ে কুরআন বুঝিয়ে দিয়েছে যাকাত কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে যাকাতের ভিত্তি, সীমা বা হার উল্লেখ করেনি। নবি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কোন ধরনের সম্পদের ওপর যাকাত আসবে, এর সীমা ও পার্সেন্ট কী হবে। যাকাতের রাজনৈতিক দিকটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে আবু বকরের জামানায়। নবি -এর মৃত্যুর পর যেসব গোষ্ঠী যাকাত প্রদানে অস্বীকৃতি জানায়, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন তিনি। তখন থেকে যাকাত পরিচিত হয়ে আসছে বিশেষ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হিসেবে।

অবশেষে তৃতীয় খলিফা উসমান -এর (মৃ. ৬৫৬ খ্রি.) শাসনামলে যাকাত থেকে সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যায়। তাই তিনি শুধু আর্থিক সম্পদের যাকাতকে রাষ্ট্রীয় অধিকারে রাখেন। বাকি সব যাকাত খলিফার পক্ষ থেকে ব্যক্তিগতভাবে পরিশোধ করার অধিকার জনগণের জন্য ছেড়ে দেন। নিজ নিজ ধর্মীয় সততা দিয়ে তারা বুঝে নেবে যে, কতটুকু পর্যন্ত যাকাত প্রদান করা উচিত (Al-Neim, 1969)। নতুন এই চর্চার ফলে ইতিহাসজুড়ে যাকাতের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় নীতিমালা প্রণয়নের পথ খুলে যায়। কখনো বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি দফতর এর নিয়ন্ত্রণ নেয়, কখনো আবার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্বেচ্ছায় যাকাত সংগ্রহের কাজ পরিচালনা করে।

যাকাতকে কর হিসেবে উল্লেখ করার ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা চাই। মুসলিম লেখকরা সাধারণত যাকাতের ক্ষেত্রে ট্যাক্স বা কর পরিভাষাটি ব্যবহারের বিরোধিতা করেন। কারণ এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চম ভিত্তির একটি। তবে যদি একে ট্যাক্স হিসেবে ধরাই হয়, তাহলেও ধরতে হবে খুবই বিশেষ ধর্মীয় প্রেরণাবিশিষ্ট এক ধরনের কর হিসেবে। এ এমন এক কর, যার রয়েছে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ:
➡ ক. এটি এক ধরনের ধর্মীয় কর, যা ইবাদত হিসেবে পরিগণিত (যাকাত ইসলামের পঞ্চম রুকনের একটি)।
➡ খ. এটি এমন এক বিশেষ ট্যাক্স, যা খরচ করতে হবে কুরআনে উল্লেখিত খাতসমূহে: 'ফকির ও মিসকিনদের জন্য এবং যাকাত কালেক্টরদের জন্য, আর যাদের অন্তর (ইসলামের দিকে) আকৃষ্ট করতে হয় তাদের জন্য; (তা বণ্টন করা যায়) দাস আজাদ করার ক্ষেত্রে, ঋণগ্রস্তদের মধ্যে, আল্লাহর রাস্তায় এবং মুসাফিরদেরকে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত' (সূরা তাওবা, ৯: ৬০)।
➡ গ. যাকাত-সংশ্লিষ্ট ট্যাক্সের ভিত্তি খুবই বিস্তৃত এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এর হার বিভিন্ন রকম। সুন্নাহতে এসব সংজ্ঞায়িত করে দেওয়া হয়েছে।
➡ ঘ. এটি শুধু মুসলিম ব্যক্তিদের ওপর প্রজোয্য। যা থেকে বোঝা যায়, যাকাত একটি ধর্মীয় দায়িত্ব। অমুসলিমদের ওপর অন্য কোনো কর বিধিবদ্ধ হতে পারে। (ঐতিহাসিকভাবে, অমুসলিমদের ওপর প্রজোয্য কর হচ্ছে জিযিয়া)।
➡ ঙ. যাকাত মোট অর্জিত সম্পদের (নিট মূল্যমানের) ওপর আরোপিত একটি প্রধান কর। যাকাত হিসেব করার সময় মোট সম্পদ থেকে সকল ঋণ বিয়োগ করতে হয়।
➡ চ. তিনটি শর্ত পূরণ না করলে সম্পদের ওপর যাকাত ধার্য হয় না: এক. বৃদ্ধি-অর্থসম্পদ না হলে, সেই ক্ষেত্রে ওই সম্পদের বৃদ্ধি পাওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। হয় নিজে নিজে, নয়তো কোনো কারবারের মাধ্যমে। দুই, পরিমাণ-সুন্নাহতে যে সর্বনিম্ন সীমার কথা বলা হয়েছে, সম্পদ ন্যূনতম সে পরিমাণে হতে হবে। তা ছাড়া মালিকানাধীন সম্পদ হবে উদ্বৃত্ত। যেমন, নিত্যব্যবহার্য ঘর-বাড়ি, গাড়ি, জমি ও দাস-দাসী ইত্যাদিতে যাকাত আসে না। তিন. সময়কাল-কৃষিপণ্য ছাড়া অন্যান্য সম্পদ অবশ্যই এক বছর পরিমাণ সময় মালিকের হাতে থাকতে হবে। এরপরই যাকাত ধার্য হবে সেটার ওপর। কৃষিজাত পণ্যের ওপর যাকাত প্রযোজ্য হয় ফসল উত্তোলনের সময়।
➡ ছ. যাকাতের হার মোট মূল্যমানের ২.৫%। এর মাঝে শিল্পসম্পদ ও স্থাবর জমিজমাও অন্তর্ভুক্ত। তবে কৃষিপণ্যের ওপর যাকাত ধার্য হয় দুটি হারে-৫% ও ১০%। ৫% প্রযোজ্য হয় কৃত্রিমভাবে সেচ করা জমির ওপর, আর ১০% প্রাকৃতিকভাবে (যেমন বৃষ্টির পানি দিয়ে) সেচ করা জমির ওপর।

ওপরের আলোচনা থেকে লক্ষণীয় যে, যাকাতের প্রভাব দুই প্রকার:
➡ প্রথমত, সামাজিক প্রভাব। এর ফলে ধনী ও দরিদ্রের মাঝে পার্থক্য হ্রাস পায়। এটিকে সম্পদের পুনর্বণ্টনমূলক প্রভাবও বলা চলে।
➡ দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক প্রভাব। এর মাধ্যমে অলস সম্পদকে "জরিমানা" করা হয়। এই সম্পদকে বিনিয়োগ করা যেত বার্ষিক এই হারে: যাকাতের হার/১ – যাকাতের হার। তাহলে মেয়াদকাল শেষে অন্তত এর মূল্যমান অক্ষুণ্ণ থাকত। আরেকটি আগ্রহোদ্দীপক উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো, যাকাতকে ধনীদের সম্পদে দরিদ্রের অধিকার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, "তাদের সম্পদে রয়েছে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতের হক।” (কুরআন ৫১: ১৯)। যাকাত প্রচলিত দানের মতো নয়, যদিও এটি বণ্টন করা হয় মূলত দরিদ্র ও অভাবীদের উপকারার্থে। দান-খয়রাত করা হয় ঐচ্ছিকভাবে, আর যাকাত হলো আইনের দ্বারা বিধিবদ্ধ প্রদেয়।

📘 ইসলামি অর্থব্যবস্থার ইতিহাস > 📄 উত্তরাধিকার আইনের বাস্তবায়ন

📄 উত্তরাধিকার আইনের বাস্তবায়ন


অন্যান্য উত্তরাধিকার পদ্ধতিতে মৃতের সকল সম্পদ হয় পরিবারের জ্যেষ্ঠতম পুরুষ সদস্যের কাছে হস্তান্তরিত হয়, অথবা পুরো সম্পদই মৃতের লিখে যাওয়া উইল অনুযায়ী বণ্টিত হয়। ইসলামি উত্তরাধিকার আইনে পুরুষ-নারী নির্বিশেষে সকল আত্মীয়কেই সম্পদে অধিকার দেওয়া হয়েছে। আর মৃতের উইল/ওসিয়ত কার্যকর হবে সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ পরিমাণ সম্পদের ওপর। এর বেশি হতে হলে সকল উত্তরাধিকারীর নিরঙ্কুশ সমর্থন লাগবে। কুরআনের আয়াত এবং সুন্নাহর ব্যাখ্যা মিলিয়ে এই ব্যাপারগুলো খুব স্পষ্টভাবে নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে। উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আয়াতগুলো যদিও আপাতদৃষ্টে দীর্ঘ, কিন্তু পুরো চিত্রটার সারাংশ তুলে ধরার জন্য সেগুলো উদ্ধৃত না করলেই না। সাধারণ মূলনীতি হিসেবে কুরআন বলেছে, "পিতামাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদেরও অংশ রয়েছে; এবং পিতামাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারীদেরও অংশ রয়েছে; তা কম হোক বা বেশি, একটি নির্ধারিত অংশ।” (সূরা নিসা, ৪: ৭)। ইয়াতিম ও অভাবীদেরও ঐচ্ছিকভাবে কোনো অংশ প্রদান করা যায়। কুরআন বলে, "সম্পত্তি বণ্টনের সময় যদি আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতিম ও মিসকিন হাজির হয়, তখন সেখান থেকে তাদেরকেও কিছু দিবে এবং তাদের সাথে সদালাপ করবে।” (সূরা নিসা, ৪: ৮)। ভাবুন তো, আপনার নিজের সন্তান ইয়াতিম ও দুর্বল অবস্থায় পড়ে গেলে আপনার কেমন লাগত? "তারা যেন ভয় করে যে, অসহায় সন্তান রেখে গেলে তারাও তাদের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হতো। সুতরাং তারা যেন আল্লাহকে ভয়ে করে এবং সংগত কথা বলে। যারা অন্যায়ভাবে ইয়াতিমের সম্পদ গ্রাস করে, তারা তো আগুন দিয়ে নিজেদের উদর পূর্ণ করছে; তারা অচিরেই জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করবে।” (সূরা নিসা, ৪: ৯-১০)।

উত্তরাধিকারী সন্তান ও পিতামাতার প্রাপ্য অংশ নির্ধারিত করা হয়েছে এভাবে: “আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেন-একজন পুত্রের অংশ দুইজন কন্যার সমান। কিন্তু যদি শুধু নারী হয় দুইয়ের অধিক, তবে তাদের জন্যে সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশ; আর যদি কন্যা একজন হয়, তবে তার জন্য অর্ধেক সম্পদ। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের সন্তান থাকে। যদি সন্তান না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিশ হয়, তবে মা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। যদি মৃতের একাধিক ভাই-বোন থাকে, তবে তার মা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ-(এসব বণ্টন হবে) তার ওসিয়ত পূরণ অথবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী, তা তোমরা জানো না। নিশ্চয়ই এটি আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত বিধান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।” (সূরা নিসা, ৪: ১১)।

দাম্পত্যসঙ্গীদের মাঝে উত্তরাধিকারের ব্যাপারে কুরআন বলে চলে, “তোমাদের স্ত্রীদের রেখে যাওয়া সম্পত্তির অর্ধেক তোমাদের জন্য-যদি তাদের কোনো সন্তান না থাকে। আর যদি সন্তান থাকে, তবে তোমাদের জন্য তাদের রেখে যাওয়া সম্পত্তির এক-চতুর্থাংশ-(এসব বণ্টন হবে) তাদের ওসিয়ত পূরণ অথবা ঋণ পরিশোধের পর। আর যদি তোমাদের স্ত্রীদের কোনো সন্তান-সন্ততি না থাকে, তাহলে তোমরা যা রেখে যাবে তাদের জন্য তার এক-চতুর্থাংশ। কিন্তু যদি তোমাদের সন্তান-সন্ততি থাকে, তাহলে তোমাদের ওসিয়ত পূরণ ও ঋণ পরিশোধের পর তোমাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তি হতে তাদের জন্য এক-অষ্টমাংশ।” (সূরা নিসা, ৪:১২)

অন্যান্য আপন ভাইদের মাঝে যে সৎভাই দুর্বলতর অবস্থানে থাকতে পারে, তার জন্যও জোর দেওয়া হয়েছে আলাদা করে: "আর যদি পুরুষ বা স্ত্রীলোকের সন্তান না থাকে এবং বাবা-মা'ও জীবিত না থাকে, কিন্তু সৎভাই বা এক বোন থাকে, তাহলে তারা প্রত্যেকেই ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে। তবে ভাই-বোন একজনের বেশি হলে, রেখে যাওয়া সম্পত্তির তিন ভাগের একভাগে তারা সবাই শরিক হবে। (এসব বণ্টন হবে) তাদের ওসিয়ত পূরণ অথবা ঋণ পরিশোধের পর, যদি তা কারও জন্য ক্ষতিকর না হয়। এটি আল্লাহর নির্দেশ। আর আল্লাহ মহাজ্ঞানী, সহনশীল." (সূরা নিসা, ৪: ১২)।

উত্তরাধিকার আইন সম্পূর্ণ করে কুরআন উপসংহার দেয়: "যদি কোনো ব্যক্তি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যায় এবং তার একটিমাত্র বোন থাকে, তাহলে সে (ভাইয়ের) পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধাংশ পাবে। আর যদি বোন নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যায়, তাহলে ভাই হবে তার ওয়ারিশ। দুজন বোন যদি (নিঃসন্তান ব্যক্তির) ওয়ারিশ হয়, তাহলে তারা পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ পাবে। আর যদি ভাই-বোন কয়েকজন হয়, তাহলে (প্রত্যেক) পুরুষ পাবে দুজন নারীর সমান। আল্লাহ তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট বিধান বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা বিভ্রান্ত না হও। আর আল্লাহ সবকিছু সম্পর্কে জানেন।” (সূরা নিসা, ৪: ১৭৬)।

ওপরের আয়াতসমূহ থেকে লক্ষণীয় যে,
➡ ১. বণ্টনের আগে মৃতের সম্পত্তি থেকে ঋণ বাদ দিতে হবে,
➡ ২. আয়াতগুলোতে উল্লেখ করা আছে যে, মৃতের ওসিয়ত বাস্তবায়ন করার পরে সম্পদ বণ্টন করা হবে। নবি ওসিয়তকে এক-তৃতীয়াংশের মাঝে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছেন। সকল ওয়ারিশের সর্বসম্মত মত না থাকলে, এর বেশি করা যাবে না। হাদীসে আছে, “এক-তৃতীয়াংশও অনেক।” (সহীহ মুসলিম: ১৬২৮)
➡ ৩. ছেলের ভাগ মেয়ের ভাগের দ্বিগুণ। অবশ্য মাথায় রাখতে হবে যে, স্ত্রী ও পরিবারের আর্থিক ভরণপোষণের দায়িত্ব পুরুষের ওপর। স্ত্রীর আর্থিক সম্পদ স্বামীর থেকে আলাদা এবং সে ধনী হলেও পরিবারের আর্থিক ভরণপোষণ দিতে বাধ্য নয়।
➡ ৪. সম্পদ অনেকজন উত্তরাধিকারীর মাঝে বণ্টিত হয়। এর ফলে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের হাতে সম্পদ পুঞ্জীভূত হওয়াকে প্রতিরোধ বা বিদূরিত করা হয়। অধিক সংখ্যক মানুষের মাঝে বিন্যস্ত করা যায় সেই সম্পদকে।

দানশীলতার প্রতি উৎসাহ, যাকাতের বিধান প্রয়োগ এবং উত্তরাধিকার বণ্টনের আদেশমালা হলো এমন তিনটি উপাদান, যা আর্থ-সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00