📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 শোনা কথার উপর বিশ্বাস করা উচিত নয়

📄 শোনা কথার উপর বিশ্বাস করা উচিত নয়


এ আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেন, হে ঈমানদারগণ! তোমাদের কাছে কোনো দায়িত্বহীন ব্যক্তি কোনো সংবাদ নিয়ে আসলে প্রথমে তা যাচাই করবে। যাচাই করা ছাড়া ঐ সংবাদের ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না। এ ঘটনায় যতো ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে তার কারণ এই হতে পারে যে, হযরত ওলীদ ইবনে উকবা রাযি.-কে কেউ এসে হয়তো বলেছে যে, এরা তোমার সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্যে একত্রিত হয়েছে। এর ফলে তিনি রাস্তা থেকেই ফিরে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে এ আয়াত অবতীর্ণ হয়। যার মধ্যে সবসময়ের জন্যে মুসলমানদেরকে হেদায়েত দেওয়া হয় যে, একটি কথা শুনে তার উপর বিশ্বাস করে সামনে চালিয়ে দেওয়া এবং তার ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হারাম।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 ভিত্তিহীন প্রচার হারাম

📄 ভিত্তিহীন প্রচার হারাম


একে বর্তমানের পরিভাষায় ভিত্তিহীন প্রচার বলে। আফসোস যে, আমাদের সমাজে এ মন্দ চরিত্র এতো মারাত্মকভাবে বিস্তার লাভ করেছে যে, আল্লাহ হেফাজত করুন! কোনো কথা সামনে প্রচার করতে ও বর্ণনা করতে কোনো প্রকার সতর্কতা ও যাচাই-বাছাইয়ের প্রশ্নই নেই। কোনো উড়ো কথা কানে এলো অবিলম্বে তা সামনে চালিয়ে দিলো। বিশেষ করে যদি কারো সাথে বিরোধিতা থাকে, কারো সাথে শত্রুতা থাকে, কারো সাথে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় সংঘর্ষ থাকে, বা ব্যক্তিগত বিরোধ থাকে, আর তার সম্পর্কে সামান্য কোনো কথাও কানে পড়ে তাহলে তাই বিশ্বাস করে মানুষের মধ্যে ছড়াতে আরম্ভ করে।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 বর্তমানের রাজনীতি

📄 বর্তমানের রাজনীতি


বর্তমানের নোংরা রাজনীতিতে প্রতিপক্ষ সম্পর্কে ভিত্তিহীন কথা বানানো এবং বিনা যাচাইয়ে তা প্রচার করা আজকাল ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। উদাহরণস্বরূপ, যাচাই ছাড়া এই অপবাদ চাপিয়ে দিলো যে, অমুক ব্যক্তি এতো লক্ষ টাকা নিয়ে নিজের নীতি-আদর্শকে বিক্রি করে দিয়েছে। মনে রাখবেন! কোনো ব্যক্তি যতো খারাপই হোক না কেন, তার উপর মিথ্যা দোষ চাপিয়ে দেওয়ার কোনো বৈধতা নেই। শরীয়তের দৃষ্টিতে এমন করা হারাম।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের গীবত জায়েয নেই

📄 হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের গীবত জায়েয নেই


এক মজলিসে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযি. বসা ছিলেন। এক ব্যক্তি সেখানে হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের নিন্দা আরম্ভ করলো। হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ একজন জালেম শাসক হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলো। বলা হয় যে, সে শত শত বড়ো বড়ো আলেমকে হত্যা করেছে। এক ব্যক্তি ঐ মজলিসের মধ্যে হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের উপর দোষারোপ করে যে, সে এই কাজ করেছে। তখন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমার রাযি. বলেন, চিন্তা-ভাবনা করে কথা বলো। এরূপ মনে করবে না যে, হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ জালেম হয়ে থাকলে তার গীবত করা হালাল বা তার উপর অপবাদ আরোপ করা হালাল। আল্লাহ তা'আলা হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ থেকে শত শত মানুষের খুনের বদলা নিলে, তোমার থেকেও তার সম্পর্কে মিথ্যা বলার বদলা নিবেন। এরূপ মনে করবে না যে, সে জালেম বলে তার সম্পর্কে তুমি যা ইচ্ছা মিথ্যা বলতে থাকবে, মিথ্যা দোষারোপ করতে থাকবে, তোমার জন্যে এটা হালাল নয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00