📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 এক মুমিন অপর মুমিনের জন্য আয়না স্বরূপ

📄 এক মুমিন অপর মুমিনের জন্য আয়না স্বরূপ


হাদীস শরীফে এসেছে,
الْمُؤْمِنُ مِرْآةُ الْمُؤْمِنِ 'এক মুমিন অন্য মুমিনের আয়না। '
মানুষের চেহারায় কোনো দাগ লাগলে আর সে আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়ালে আয়না তাকে বলে দেয় যে, তোমার চেহারায় এই দাগ লেগে আছে। আয়না যেন মানুষের দোষ বলে দেয়। এমনিভাবে একজন মুমিনও অন্য মুমিনের জন্যে আয়না স্বরূপ। অর্থাৎ, যখন একজন মুমিন অন্য মুমিনের মধ্যে কোনো দোষ দেখবে, তখন তাকে স্নেহ ও ভালোবাসার সাথে বলে দিবে যে, তোমার মধ্যে এই দোষ রয়েছে, তা দূর করো। যেমন কোনো মানুষের শরীরের উপর যদি কোনো পোকা বা পিঁপড়া হাঁটতে থাকে আর আপনি তা দেখেন, তখন ভালোবাসার দাবি হলো, আপনি তাকে বলে দিবেন যে, ভাই দেখো তোমার শরীরের উপর পোকা হাঁটছে তা ফেলে দাও। এমনিভাবে কোনো মুসলমানের মধ্যে দ্বীনের দিক থেকে কোনো খারাপি থাকলে স্নেহ-ভালোবাসার সাথে তাকে বলে দেওয়া উচিত যে, তোমার মধ্যে এই খারাপি রয়েছে। কারণ, এক মুমিন অন্য মুমিনের জন্যে আয়না স্বরূপ。

টিকাঃ
৪. সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৪২৭২

হাদীস শরীফে এসেছে,
الْمُؤْمِنُ مِرْآةُ الْمُؤْمِنِ 'এক মুমিন অন্য মুমিনের আয়না। '
মানুষের চেহারায় কোনো দাগ লাগলে আর সে আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়ালে আয়না তাকে বলে দেয় যে, তোমার চেহারায় এই দাগ লেগে আছে। আয়না যেন মানুষের দোষ বলে দেয়। এমনিভাবে একজন মুমিনও অন্য মুমিনের জন্যে আয়না স্বরূপ। অর্থাৎ, যখন একজন মুমিন অন্য মুমিনের মধ্যে কোনো দোষ দেখবে, তখন তাকে স্নেহ ও ভালোবাসার সাথে বলে দিবে যে, তোমার মধ্যে এই দোষ রয়েছে, তা দূর করো। যেমন কোনো মানুষের শরীরের উপর যদি কোনো পোকা বা পিঁপড়া হাঁটতে থাকে আর আপনি তা দেখেন, তখন ভালোবাসার দাবি হলো, আপনি তাকে বলে দিবেন যে, ভাই দেখো তোমার শরীরের উপর পোকা হাঁটছে তা ফেলে দাও। এমনিভাবে কোনো মুসলমানের মধ্যে দ্বীনের দিক থেকে কোনো খারাপি থাকলে স্নেহ-ভালোবাসার সাথে তাকে বলে দেওয়া উচিত যে, তোমার মধ্যে এই খারাপি রয়েছে। কারণ, এক মুমিন অন্য মুমিনের জন্যে আয়না স্বরূপ。

টিকাঃ
৪. সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৪২৭২

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 একজনের দোষ অন্যজনকে বলো না

📄 একজনের দোষ অন্যজনকে বলো না


হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেন যে, এ হাদীস দ্বারা এ কথা জানা গেলো যে, তুমি যখন অন্য কারো মধ্যে কোনো দোষ দেখবে, তখন শুধু তাকেই বলবে যে, তোমার মধ্যে এই দোষ রয়েছে। অন্যকে বলবে না যে, অমুকের মধ্যে এই দোষ রয়েছে। কারণ, হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুমিনকে আয়নার সাথে তুলনা করেছেন। যে ব্যক্তি আয়নার সামনে এসে দাঁড়ায়, আয়না কেবল তাকেই চেহারার দাগের কথা বলে দেয়। আয়না অন্যকে বলে না যে, অমুক ব্যক্তির চেহারায় দাগ রয়েছে। তাই 'একজন মুমিনের কাজ এই যে, যার মধ্যে কোনো দোষ বা খারাপ কিছু দেখবে শুধু তাকেই বলবে। অন্যদের সাথে আলোচনা করবে না যে, অমুকের মধ্যে এই দোষ রয়েছে। একজনের দোষের কথা যদি অন্যকে বলো, তার অর্থ হবে এর মধ্যে তোমার রিপু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তখন তা আর দ্বীনী কাজ থাকবে না। আর যদি শুধু তাকে নির্জনে স্নেহ-মমতার সাথে তার দোষের ব্যাপারে সতর্ক করো, তাহলে এটা হবে ভ্রাতৃত্ব ও ঈমানের দাবি। কিন্তু তাকে হেয় ও তুচ্ছ জ্ঞান করা কোনো অবস্থাতেই জায়েয নেই।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে বোঝার এবং আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
وَاخِرُ دَعْوَانَا آنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেন যে, এ হাদীস দ্বারা এ কথা জানা গেলো যে, তুমি যখন অন্য কারো মধ্যে কোনো দোষ দেখবে, তখন শুধু তাকেই বলবে যে, তোমার মধ্যে এই দোষ রয়েছে। অন্যকে বলবে না যে, অমুকের মধ্যে এই দোষ রয়েছে। কারণ, হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুমিনকে আয়নার সাথে তুলনা করেছেন। যে ব্যক্তি আয়নার সামনে এসে দাঁড়ায়, আয়না কেবল তাকেই চেহারার দাগের কথা বলে দেয়। আয়না অন্যকে বলে না যে, অমুক ব্যক্তির চেহারায় দাগ রয়েছে। তাই 'একজন মুমিনের কাজ এই যে, যার মধ্যে কোনো দোষ বা খারাপ কিছু দেখবে শুধু তাকেই বলবে। অন্যদের সাথে আলোচনা করবে না যে, অমুকের মধ্যে এই দোষ রয়েছে। একজনের দোষের কথা যদি অন্যকে বলো, তার অর্থ হবে এর মধ্যে তোমার রিপু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তখন তা আর দ্বীনী কাজ থাকবে না। আর যদি শুধু তাকে নির্জনে স্নেহ-মমতার সাথে তার দোষের ব্যাপারে সতর্ক করো, তাহলে এটা হবে ভ্রাতৃত্ব ও ঈমানের দাবি। কিন্তু তাকে হেয় ও তুচ্ছ জ্ঞান করা কোনো অবস্থাতেই জায়েয নেই।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে বোঝার এবং আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
وَاخِرُ دَعْوَانَا آنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00