📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 জিহ্বাকে সংযত রাখুন

📄 জিহ্বাকে সংযত রাখুন


আজকাল খুব শ্লোগান ও প্রোপাগান্ডা চলছে যে, নারীদেরকে অবমূল্যায়ণ করা হয়েছে। এমনকি জাহান্নামেও তাদেরকে বেশি দেওয়া হবে। কিন্তু যে বিষয়টি এখানে খুব ভালোভাবে বোঝা দরকার, তা হলো নারীদেরকে তো নারী হওয়ার কারণে জাহান্নামে বেশি দেওয়া হবে না, বরং তাদেরকে জাহান্নামে দেওয়া হবে তাদের বদ আমল বেশি হওয়ার কারণে। বিশেষ করে তাদের অসংযতো জিবই তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মানুষকে উপুড় করে জাহান্নামে নিপতিত করার বস্তু হলো তার জিব। কারণ, সাধারণত দেখা যায় জিব যখন মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তখন এর কারণে অসংখ্য গোনাহ হতে থাকে। চিন্তা করে দেখুন, পুরুষের জিব তুলনামূলক বেশি সংযত থাকে। পক্ষান্তরে নারীরা সাধারণত জিবকে সংযত রাখার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করে না। এ জন্যেই এ সমস্যা তৈরী হয়। দয়া করে আল্লাহর ওয়াস্তে জিবকে সংযত রাখার চেষ্টা করুন। জিব থেকে যেন এমন কোনো শব্দ বের না হয়, যার কারণে কেউ মনে ব্যথ্যা পায়। বিশেষত যে স্বামীর অন্তর খুশি রাখা আল্লাহ নারীর অন্যতম ফরয সাব্যস্ত করেছেন, তাদের মন রক্ষা করায় সচেতন হওয়া জরুরী। এমন মনে করা অন্যায় যে, নারীদেরকে এমনিতেই অন্যায়ভাবে জাহান্নামে বেশি দেওয়া হবে। বরং তারা তাদের আমলের কারণে জাহান্নামে বেশি যাবে। আল্লাহ তাদেরকে এমন কাজ থেকে হেফাজত করুন। আমীন। তারা নিজেরা যদি বাঁচতে চায় তাহলে অবশ্যই বেঁচে যাবে, ইনশাআল্লাহ। আপনারা জানেন, আল্লাহ জান্নাতের নারীদের সর্দার যাকে বানিয়েছেন, তিনিও এমনই একজন নারী ছিলেন। তিনি হলেন হযরত ফাতেমা রাযি.। আল্লাহ নারীদেরকেও জান্নাতের অধিকারী বানিয়েছেন। তবে সকলের জন্যেই জান্নাতে যাওয়ার ভিত্তি হলো তার আমল।

আজকাল খুব শ্লোগান ও প্রোপাগান্ডা চলছে যে, নারীদেরকে অবমূল্যায়ণ করা হয়েছে। এমনকি জাহান্নামেও তাদেরকে বেশি দেওয়া হবে। কিন্তু যে বিষয়টি এখানে খুব ভালোভাবে বোঝা দরকার, তা হলো নারীদেরকে তো নারী হওয়ার কারণে জাহান্নামে বেশি দেওয়া হবে না, বরং তাদেরকে জাহান্নামে দেওয়া হবে তাদের বদ আমল বেশি হওয়ার কারণে। বিশেষ করে তাদের অসংযতো জিবই তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মানুষকে উপুড় করে জাহান্নামে নিপতিত করার বস্তু হলো তার জিব। কারণ, সাধারণত দেখা যায় জিব যখন মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তখন এর কারণে অসংখ্য গোনাহ হতে থাকে। চিন্তা করে দেখুন, পুরুষের জিব তুলনামূলক বেশি সংযত থাকে। পক্ষান্তরে নারীরা সাধারণত জিবকে সংযত রাখার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করে না। এ জন্যেই এ সমস্যা তৈরী হয়। দয়া করে আল্লাহর ওয়াস্তে জিবকে সংযত রাখার চেষ্টা করুন। জিব থেকে যেন এমন কোনো শব্দ বের না হয়, যার কারণে কেউ মনে ব্যথ্যা পায়। বিশেষত যে স্বামীর অন্তর খুশি রাখা আল্লাহ নারীর অন্যতম ফরয সাব্যস্ত করেছেন, তাদের মন রক্ষা করায় সচেতন হওয়া জরুরী। এমন মনে করা অন্যায় যে, নারীদেরকে এমনিতেই অন্যায়ভাবে জাহান্নামে বেশি দেওয়া হবে। বরং তারা তাদের আমলের কারণে জাহান্নামে বেশি যাবে। আল্লাহ তাদেরকে এমন কাজ থেকে হেফাজত করুন। আমীন। তারা নিজেরা যদি বাঁচতে চায় তাহলে অবশ্যই বেঁচে যাবে, ইনশাআল্লাহ। আপনারা জানেন, আল্লাহ জান্নাতের নারীদের সর্দার যাকে বানিয়েছেন, তিনিও এমনই একজন নারী ছিলেন। তিনি হলেন হযরত ফাতেমা রাযি.। আল্লাহ নারীদেরকেও জান্নাতের অধিকারী বানিয়েছেন। তবে সকলের জন্যেই জান্নাতে যাওয়ার ভিত্তি হলো তার আমল।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 বান্দার হকের গুরুত্ব

📄 বান্দার হকের গুরুত্ব


আরো একটি বিষয় বুঝুন, যা এ হাদীস থেকেই বোঝা যায়, তা হলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা বলেননি যে, নারীদের অধিকহারে জাহান্নামে যাওয়ার কারণ হলো, তারা ইবাদাত কম করে, বা তারা নফল নামায কম পড়ে, কিংবা তিলাওয়াত কম করে, ওযীফা কম পড়ে, বরং কারণ হিসাবে যে দুটি বিষয় উল্লেখ করেছেন, লানত বা অভিশাপ করা এবং স্বামীর না-শোকরি করা। এ দুটি বিষয়ই হুকুকুল ইবাদ বা বান্দার হক সম্পর্কীয়। এতে বোঝা যায়, নফল ইবাদতের চেয়ে বান্দার হকের গুরুত্ব বেশি। আল্লাহ মেহেরবানী করে আমাদেরকে সঠিক বুঝ এবং সকলের সকল হক আদায় করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
وَصَلَّى اللَّهُ تَعَالَى عَلَى خَيْرِ خَلْقِهِ مُحَمَّدٍ وَالِهِ وَأَصْحَابِهِ أَجْمَعِينَ. أَمِينَ بِرَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ

আরো একটি বিষয় বুঝুন, যা এ হাদীস থেকেই বোঝা যায়, তা হলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা বলেননি যে, নারীদের অধিকহারে জাহান্নামে যাওয়ার কারণ হলো, তারা ইবাদাত কম করে, বা তারা নফল নামায কম পড়ে, কিংবা তিলাওয়াত কম করে, ওযীফা কম পড়ে, বরং কারণ হিসাবে যে দুটি বিষয় উল্লেখ করেছেন, লানত বা অভিশাপ করা এবং স্বামীর না-শোকরি করা। এ দুটি বিষয়ই হুকুকুল ইবাদ বা বান্দার হক সম্পর্কীয়। এতে বোঝা যায়, নফল ইবাদতের চেয়ে বান্দার হকের গুরুত্ব বেশি। আল্লাহ মেহেরবানী করে আমাদেরকে সঠিক বুঝ এবং সকলের সকল হক আদায় করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
وَصَلَّى اللَّهُ تَعَالَى عَلَى خَيْرِ خَلْقِهِ مُحَمَّدٍ وَالِهِ وَأَصْحَابِهِ أَجْمَعِينَ. أَمِينَ بِرَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00