📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 স্বামীর অকৃতজ্ঞতা একটি বড়ো গোনাহ

📄 স্বামীর অকৃতজ্ঞতা একটি বড়ো গোনাহ


উক্ত হাদীসে নারীদের অধিকহারে জাহান্নামে যাওয়ার দ্বিতীয় কারণ বলা হয়েছে, তারা স্বামীর খুব বেশি অকৃতজ্ঞ হয়। সাধা-সিধা সম্ভ্রান্ত স্বামী জান মাল খরচ করে তোমাদের খুশি করার জন্যে অনেক পরিশ্রম করে, কিন্তু তোমাদের মুখে কখনো শুকরিয়া আসে না, বরং উল্টো না-শোকরি প্রকাশ পায়। এ দুটি কারণেই নারীরা অধিক পরিমাণে জাহান্নামে যাবে। অকৃতজ্ঞতা এমনিতেই খারাপ এবং আল্লাহর নিকট অনেক অপছন্দনীয়। না-শোকরি যে আল্লাহর কতো অপছন্দ তা এ শব্দ থেকেই অনুমিত হয় যে, না-শোকরির আরবী প্রতিশব্দ হলো 'কুফর'। 'কাফের' শব্দের মূল ধাতু 'কুফর' অর্থও হলো 'না-শোকরি'। কাফেরকে এ জন্যে 'কাফের' বলে যে, সে আল্লাহর না-শোকরি করে। আল্লাহ তাকে এতো নেয়ামত দান করলেন, তাকে সৃষ্টি করলেন, তাকে লালন-পালন করছেন, তার উপর নেয়ামতের বারি বর্ষণ করছেন, আর সে এসব নেয়ামতের না-শোকরি করে আল্লাহর সঙ্গে অন্যকে শরীক করে, বা তাঁর অস্তিত্বই অস্বীকার করে। এ জন্যেই না-শোকরি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর গোনাহ।

উক্ত হাদীসে নারীদের অধিকহারে জাহান্নামে যাওয়ার দ্বিতীয় কারণ বলা হয়েছে, তারা স্বামীর খুব বেশি অকৃতজ্ঞ হয়। সাধা-সিধা সম্ভ্রান্ত স্বামী জান মাল খরচ করে তোমাদের খুশি করার জন্যে অনেক পরিশ্রম করে, কিন্তু তোমাদের মুখে কখনো শুকরিয়া আসে না, বরং উল্টো না-শোকরি প্রকাশ পায়। এ দুটি কারণেই নারীরা অধিক পরিমাণে জাহান্নামে যাবে। অকৃতজ্ঞতা এমনিতেই খারাপ এবং আল্লাহর নিকট অনেক অপছন্দনীয়। না-শোকরি যে আল্লাহর কতো অপছন্দ তা এ শব্দ থেকেই অনুমিত হয় যে, না-শোকরির আরবী প্রতিশব্দ হলো 'কুফর'। 'কাফের' শব্দের মূল ধাতু 'কুফর' অর্থও হলো 'না-শোকরি'। কাফেরকে এ জন্যে 'কাফের' বলে যে, সে আল্লাহর না-শোকরি করে। আল্লাহ তাকে এতো নেয়ামত দান করলেন, তাকে সৃষ্টি করলেন, তাকে লালন-পালন করছেন, তার উপর নেয়ামতের বারি বর্ষণ করছেন, আর সে এসব নেয়ামতের না-शোকরি করে আল্লাহর সঙ্গে অন্যকে শরীক করে, বা তাঁর অস্তিত্বই অস্বীকার করে। এ জন্যেই না-শোকরি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর গোনাহ।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 স্বামীর মর্যাদা

📄 স্বামীর মর্যাদা


এক হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি যদি দুনিয়ায় আল্লাহ ব্যতীত কাউকে সেজদা করার নির্দেশ দিতাম, তাহলে নারীদেরকে হুকুম দিতাম তাদের স্বামীদেরকে সেজদা করার জন্যে। কিন্তু সেজদা যেহেতু কারো জন্যেই বৈধ নয়, এ জন্যে এ নির্দেশ দেই না। উক্ত হাদীসের উদ্দেশ্য হলো, স্বামীর আনুগত্য ও তার কৃতজ্ঞতা স্ত্রীর অন্যতম ফরয। স্ত্রী যদি স্বামীর অকৃতজ্ঞ হয়, তাহলে সে মূলত আল্লাহর অকৃতজ্ঞ হলো। স্বামীর অকৃতজ্ঞতা আল্লাহর এতো অপছন্দ, যার ফলে আল্লাহ তাদের বলে দিয়েছেন যে, এ কারণে তোমরা জাহান্নামে যাবে।

টিকাঃ
৯. সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৯৩, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৪, সুনানে নাসাঈ, হাদীস নং ১৫৫৮, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ১২৭৮, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১০৬৩৭
১০. সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ১৮২৮, সুনানে দারেমী, হাদীস নং ১৪২৭

এক হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি যদি দুনিয়ায় আল্লাহ ব্যতীত কাউকে সেজদা করার নির্দেশ দিতাম, তাহলে নারীদেরকে হুকুম দিতাম তাদের স্বামীদেরকে সেজদা করার জন্যে। কিন্তু সেজদা যেহেতু কারো জন্যেই বৈধ নয়, এ জন্যে এ নির্দেশ দেই না। উক্ত হাদীসের উদ্দেশ্য হলো, স্বামীর আনুগত্য ও তার কৃতজ্ঞতা স্ত্রীর অন্যতম ফরয। স্ত্রী যদি স্বামীর অকৃতজ্ঞ হয়, তাহলে সে মূলত আল্লাহর অকৃতজ্ঞ হলো। স্বামীর অকৃতজ্ঞতা আল্লাহর এতো অপছন্দ, যার ফলে আল্লাহ তাদের বলে দিয়েছেন যে, এ কারণে তোমরা জাহান্নামে যাবে।

টিকাঃ
৯. সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৯৩, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৪, সুনানে নাসাঈ, হাদীস নং ১৫৫৮, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ১২৭৮, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১০৬৩৭
১০. সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ১৮২৮, সুনানে দারেমী, হাদীস নং ১৪২৭

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 জাহান্নাম থেকে বাঁচার দুটি উপায়

📄 জাহান্নাম থেকে বাঁচার দুটি উপায়


আল্লাহ স্বামীর উপর স্ত্রীর কিছু হক রেখেছেন, আবার স্ত্রীর উপরও স্বামীর কিছু হক রেখেছেন। বিশেষ করে আমাদের মা-বোনদের খুব মনে রাখা দরকার যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষ গুরুত্ব সহকারে নারী সম্প্রদায়কে সম্বোধন করে বলেছেন যে, তোমাদের অধিকহারে জাহান্নামে যাওয়ার কারণ এ দুটি। এ কথা স্বাভাবিক যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে আল্লাহর দ্বীন সম্পর্কে আর কে বেশি জানে এবং তাঁর উম্মতের ব্যাপারেও তাঁর চেয়ে বেশি আর কে জানে? উম্মতের রোগ কী? রোগের চিকিৎসা কী? এ বিষয়ে তাঁর চেয়ে নিশ্চয়ই অন্য কেউ বেশি জানে না। তাই নারীদেরকে জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্যে তিনি দুটি পন্থা বলে দিয়েছেন- এক অভিশাপ না করা, দুই স্বামীর না-শোকরি না করা। স্বামীর হকের ব্যাপারে হাদীসে এ কথা পর্যন্ত এসেছে যে, স্বামী যদি স্ত্রীকে তার বিছানায় আহ্বান করে, কিন্তু স্ত্রী তার ডাকে সাড়া না দেয়, ফলে স্বামী তার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে, আর এ অবস্থায় স্ত্রী রাত যাপন করে, তাহলে সারা রাত ফেরেশতারা তার উপর অভিশাপ করতে থাকে।

আল্লাহ স্বামীর উপর স্ত্রীর কিছু হক রেখেছেন, আবার স্ত্রীর উপরও স্বামীর কিছু হক রেখেছেন। বিশেষ করে আমাদের মা-বোনদের খুব মনে রাখা দরকার যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষ গুরুত্ব সহকারে নারী সম্প্রদায়কে সম্বোধন করে বলেছেন যে, তোমাদের অধিকহারে জাহান্নামে যাওয়ার কারণ এ দুটি। এ কথা স্বাভাবিক যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে আল্লাহর দ্বীন সম্পর্কে আর কে বেশি জানে এবং তাঁর উম্মতের ব্যাপারেও তাঁর চেয়ে বেশি আর কে জানে? উম্মতের রোগ কী? রোগের চিকিৎসা কী? এ বিষয়ে তাঁর চেয়ে নিশ্চয়ই অন্য কেউ বেশি জানে না। তাই নারীদেরকে জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্যে তিনি দুটি পন্থা বলে দিয়েছেন- এক অভিশাপ না করা, দুই স্বামীর না-শোকরি না করা। স্বামীর হকের ব্যাপারে হাদীসে এ কথা পর্যন্ত এসেছে যে, স্বামী যদি স্ত্রীকে তার বিছানায় আহ্বান করে, কিন্তু স্ত্রী তার ডাকে সাড়া না দেয়, ফলে স্বামী তার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে, আর এ অবস্থায় স্ত্রী রাত যাপন করে, তাহলে সারা রাত ফেরেশতারা তার উপর অভিশাপ করতে থাকে。

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 জিহ্বাকে সংযত রাখুন

📄 জিহ্বাকে সংযত রাখুন


আজকাল খুব শ্লোগান ও প্রোপাগান্ডা চলছে যে, নারীদেরকে অবমূল্যায়ণ করা হয়েছে। এমনকি জাহান্নামেও তাদেরকে বেশি দেওয়া হবে। কিন্তু যে বিষয়টি এখানে খুব ভালোভাবে বোঝা দরকার, তা হলো নারীদেরকে তো নারী হওয়ার কারণে জাহান্নামে বেশি দেওয়া হবে না, বরং তাদেরকে জাহান্নামে দেওয়া হবে তাদের বদ আমল বেশি হওয়ার কারণে। বিশেষ করে তাদের অসংযতো জিবই তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মানুষকে উপুড় করে জাহান্নামে নিপতিত করার বস্তু হলো তার জিব। কারণ, সাধারণত দেখা যায় জিব যখন মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তখন এর কারণে অসংখ্য গোনাহ হতে থাকে। চিন্তা করে দেখুন, পুরুষের জিব তুলনামূলক বেশি সংযত থাকে। পক্ষান্তরে নারীরা সাধারণত জিবকে সংযত রাখার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করে না। এ জন্যেই এ সমস্যা তৈরী হয়। দয়া করে আল্লাহর ওয়াস্তে জিবকে সংযত রাখার চেষ্টা করুন। জিব থেকে যেন এমন কোনো শব্দ বের না হয়, যার কারণে কেউ মনে ব্যথ্যা পায়। বিশেষত যে স্বামীর অন্তর খুশি রাখা আল্লাহ নারীর অন্যতম ফরয সাব্যস্ত করেছেন, তাদের মন রক্ষা করায় সচেতন হওয়া জরুরী। এমন মনে করা অন্যায় যে, নারীদেরকে এমনিতেই অন্যায়ভাবে জাহান্নামে বেশি দেওয়া হবে। বরং তারা তাদের আমলের কারণে জাহান্নামে বেশি যাবে। আল্লাহ তাদেরকে এমন কাজ থেকে হেফাজত করুন। আমীন। তারা নিজেরা যদি বাঁচতে চায় তাহলে অবশ্যই বেঁচে যাবে, ইনশাআল্লাহ। আপনারা জানেন, আল্লাহ জান্নাতের নারীদের সর্দার যাকে বানিয়েছেন, তিনিও এমনই একজন নারী ছিলেন। তিনি হলেন হযরত ফাতেমা রাযি.। আল্লাহ নারীদেরকেও জান্নাতের অধিকারী বানিয়েছেন। তবে সকলের জন্যেই জান্নাতে যাওয়ার ভিত্তি হলো তার আমল।

আজকাল খুব শ্লোগান ও প্রোপাগান্ডা চলছে যে, নারীদেরকে অবমূল্যায়ণ করা হয়েছে। এমনকি জাহান্নামেও তাদেরকে বেশি দেওয়া হবে। কিন্তু যে বিষয়টি এখানে খুব ভালোভাবে বোঝা দরকার, তা হলো নারীদেরকে তো নারী হওয়ার কারণে জাহান্নামে বেশি দেওয়া হবে না, বরং তাদেরকে জাহান্নামে দেওয়া হবে তাদের বদ আমল বেশি হওয়ার কারণে। বিশেষ করে তাদের অসংযতো জিবই তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মানুষকে উপুড় করে জাহান্নামে নিপতিত করার বস্তু হলো তার জিব। কারণ, সাধারণত দেখা যায় জিব যখন মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তখন এর কারণে অসংখ্য গোনাহ হতে থাকে। চিন্তা করে দেখুন, পুরুষের জিব তুলনামূলক বেশি সংযত থাকে। পক্ষান্তরে নারীরা সাধারণত জিবকে সংযত রাখার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করে না। এ জন্যেই এ সমস্যা তৈরী হয়। দয়া করে আল্লাহর ওয়াস্তে জিবকে সংযত রাখার চেষ্টা করুন। জিব থেকে যেন এমন কোনো শব্দ বের না হয়, যার কারণে কেউ মনে ব্যথ্যা পায়। বিশেষত যে স্বামীর অন্তর খুশি রাখা আল্লাহ নারীর অন্যতম ফরয সাব্যস্ত করেছেন, তাদের মন রক্ষা করায় সচেতন হওয়া জরুরী। এমন মনে করা অন্যায় যে, নারীদেরকে এমনিতেই অন্যায়ভাবে জাহান্নামে বেশি দেওয়া হবে। বরং তারা তাদের আমলের কারণে জাহান্নামে বেশি যাবে। আল্লাহ তাদেরকে এমন কাজ থেকে হেফাজত করুন। আমীন। তারা নিজেরা যদি বাঁচতে চায় তাহলে অবশ্যই বেঁচে যাবে, ইনশাআল্লাহ। আপনারা জানেন, আল্লাহ জান্নাতের নারীদের সর্দার যাকে বানিয়েছেন, তিনিও এমনই একজন নারী ছিলেন। তিনি হলেন হযরত ফাতেমা রাযি.। আল্লাহ নারীদেরকেও জান্নাতের অধিকারী বানিয়েছেন। তবে সকলের জন্যেই জান্নাতে যাওয়ার ভিত্তি হলো তার আমল।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00