📄 কবরে জানাযা নামাযের বিধান
জানাযার নামাযের সাধারণ বিধান হলো, যদি কারো জানাযার নামায হয়ে থাকে তাহলে তার কবরের উপর জানাযার নামায জায়েয নেই। আর যদি জানাযার নামায ছাড়া কাউকে দাফন করা হয়, তাহলে যতোক্ষণ পর্যন্ত লাশ ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা না হবে, ততোক্ষণ পর্যন্ত কবরের উপর তার জানাযার নামায পড়া যায়। কিন্তু যখন লাশ ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা হবে, তারপর আর কবরের উপর জানাযার নামায পড়া যাবে না।
কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উক্ত মহিলার কবরে জানাযার নামায পড়ার বিষয়টি ছিলো তাঁর বৈশিষ্ট্য। নিজের বিশেষত্ব হিসেবেই তিনি তাঁর কবরের উপর জানাযার নামায পড়েছেন। এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এই কবরগুলো অন্ধকরাচ্ছন্ন থাকে। আমার নামাযের বদৌলতে আল্লাহ সেগুলোকে আলোকিত করে দেন।
জানাযার নামাযের সাধারণ বিধান হলো, যদি কারো জানাযার নামায হয়ে থাকে তাহলে তার কবরের উপর জানাযার নামায জায়েয নেই। আর যদি জানাযার নামায ছাড়া কাউকে দাফন করা হয়, তাহলে যতোক্ষণ পর্যন্ত লাশ ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা না হবে, ততোক্ষণ পর্যন্ত কবরের উপর তার জানাযার নামায পড়া যায়। কিন্তু যখন লাশ ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা হবে, তারপর আর কবরের উপর জানাযার নামায পড়া যাবে না।
কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উক্ত মহিলার কবরে জানাযার নামায পড়ার বিষয়টি ছিলো তাঁর বৈশিষ্ট্য। নিজের বিশেষত্ব হিসেবেই তিনি তাঁর কবরের উপর জানাযার নামায পড়েছেন। এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এই কবরগুলো অন্ধকরাচ্ছন্ন থাকে। আমার নামাযের বদৌলতে আল্লাহ সেগুলোকে আলোকিত করে দেন।
📄 কাউকে তুচ্ছ মনে করবে না
উক্ত কাজটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বিষয়ে সর্তক করার জন্যে করেছেন যে, কোনো মানুষ- সে নারী হোক বা পুরুষ এবং বাহ্যত সে যে কোনো মর্যাদারই হোক না কেন- তাকে এমন মনে করবে না যে, সে প্রকৃত অর্থেই খুব সাধারণ মানুষ। তাকে গুরুত্ব দেওয়ার কি প্রয়োজন? কারণ, কে জানে যে, আল্লাহর নিকট তার মর্যাদা কতো বেশি?
উক্ত কাজটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বিষয়ে সর্তক করার জন্যে করেছেন যে, কোনো মানুষ- সে নারী হোক বা পুরুষ এবং বাহ্যত সে যে কোনো মর্যাদারই হোক না কেন- তাকে এমন মনে করবে না যে, সে প্রকৃত অর্থেই খুব সাধারণ মানুষ। তাকে গুরুত্ব দেওয়ার কি প্রয়োজন? কারণ, কে জানে যে, আল্লাহর নিকট তার মর্যাদা কতো বেশি?
📄 এলোকেশী লোকগুলো!
أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رُبَّ أَشْعَثٍ مَدْفُوعِ بِالْأَبْوَابِ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لَأَبَرَهُ
হযরত আবু হোরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে সব লোক এলোকেশী। চুলে চিরুনী লাগায় না। ধূলিমলিন থাকে। মেহনত-মজদুরী করে। শারীরিক শ্রম দিয়ে খেটে খায়। যার ফলে শরীরে ধূলার স্তর জমে যায়। কারো দুয়ারে গেলে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। এরা বাহ্যত দুনিয়ার দৃষ্টিতে মর্যাদাহীন হলেও আল্লাহর কাছে এমন সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী যে, তারা যদি আল্লাহর নামে কোনো কসম করে, তাহলে আল্লাহ তাদের কসম পূর্ণ করে দেন।' অর্থাৎ, তারা যদি কসম করে বলে দেয় যে, অমুক কাজটি হবে, তাহলে আল্লাহ ঐ কাজ করে দেন। আর যদি বলে এটা হবে না, তখন আল্লাহ ঐ কাজ বন্ধ করে দেন。
أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رُبَّ أَشْعَثٍ مَدْفُوعِ بِالْأَبْوَابِ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لَأَبَرَهُ
হযরত আবু হোরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে সব লোক এলোকেশী। চুলে চিরুনী লাগায় না। ধূলিমলিন থাকে। মেহনত-মজদুরী করে। শারীরিক শ্রম দিয়ে খেটে খায়। যার ফলে শরীরে ধূলার স্তর জমে যায়। কারো দুয়ারে গেলে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। এরা বাহ্যত দুনিয়ার দৃষ্টিতে মর্যাদাহীন হলেও আল্লাহর কাছে এমন সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী যে, তারা যদি আল্লাহর নামে কোনো কসম করে, তাহলে আল্লাহ তাদের কসম পূর্ণ করে দেন।' অর্থাৎ, তারা যদি কসম করে বলে দেয় যে, অমুক কাজটি হবে, তাহলে আল্লাহ ঐ কাজ করে দেন। আর যদি বলে এটা হবে না, তখন আল্লাহ ঐ কাজ বন্ধ করে দেন。
📄 গরীব-অসহায়দের সঙ্গে আমাদের আচরণ
উক্ত হাদীসগুলোর আলোকে এ কথা প্রতীয়মান হয় যে, বাহ্যত কোনো মানুষকে সাধারণ বা গরীব দেখে মর্যাদাহীন ভাবা যাবে না। আমরা তো মুখে মুখে খুব বলি যে, সব মুসলমান ভাই ভাই। আল্লাহর নিকট আমীর-গরীব সব সমান। বরং আল্লাহর কাছে গরীবের মূল্য অনেক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বিভিন্ন আচরণে উচ্চারণে যখন আমরা তাদের মুখোমুখি হই, তখন কি এ বিষয়গুলো আমাদের মনে থাকে। নিজের চাকর, খাদেম, অধীনস্থ কোনো লোক বা অন্যান্য গরীব সাধারণের সঙ্গে যখন কোনো কাজ করি, তখন কি আমরা এ কথাগুলো মনে রাখি? বাস্তবতা হলো, আমি বক্তৃতা দিচ্ছি, আর আপনারা বক্তৃতা শুনছেন, কিন্তু যখন আমলের প্রসঙ্গ আসবে, তখন সব ভুলে যাবো। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন। আমীন。
উক্ত হাদীসগুলোর আলোকে এ কথা প্রতীয়মান হয় যে, বাহ্যত কোনো মানুষকে সাধারণ বা গরীব দেখে মর্যাদাহীন ভাবা যাবে না। আমরা তো মুখে মুখে খুব বলি যে, সব মুসলমান ভাই ভাই। আল্লাহর নিকট আমীর-গরীব সব সমান। বরং আল্লাহর কাছে গরীবের মূল্য অনেক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বিভিন্ন আচরণে উচ্চারণে যখন আমরা তাদের মুখোমুখি হই, তখন কি এ বিষয়গুলো আমাদের মনে থাকে। নিজের চাকর, খাদেম, অধীনস্থ কোনো লোক বা অন্যান্য গরীব সাধারণের সঙ্গে যখন কোনো কাজ করি, তখন কি আমরা এ কথাগুলো মনে রাখি? বাস্তবতা হলো, আমি বক্তৃতা দিচ্ছি, আর আপনারা বক্তৃতা শুনছেন, কিন্তু যখন আমলের প্রসঙ্গ আসবে, তখন সব ভুলে যাবো। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন। আমীন।