📄 ঈমানদারের চোখ কী করে ঘুমাতে পারে?
জনৈক বুযুর্গ বলেছেন,
وَكَيْفَ تَنَامُ الْعَيْنُ وَهِيَ قَرِيرَةٌ وَلَمْ تَدْرِ فِي أَيِّ الْمَحَلَّيْنِ تَنْزِلُ
'মুমিন যতোক্ষণ জানবে না যে, তার ঠিকানা জান্নাতে না জাহান্নামে, ততোক্ষণ তার চক্ষুদ্বয় কীভাবে সুখনিদ্রায় বিভোর হতে পারে!'
জনৈক বুযুর্গ বলেছেন,
وَكَيْفَ تَنَامُ الْعَيْنُ وَهِيَ قَرِيرَةٌ وَ لَمْ تَدْرِ فِي أَيِّ الْمَحَلَّيْنِ تَنْزِلُ
'মুমিন যতোক্ষণ জানবে না যে, তার ঠিকানা জান্নাতে না জাহান্নামে, ততোক্ষণ তার চক্ষুদ্বয় কীভাবে সুখনিদ্রায় বিভোর হতে পারে!'
📄 প্রাণ যাওয়া মাত্র মুচকি হাসি
যেই বুযুর্গকে সারা জীবন হাসতে দেখা যায়নি, মৃতু্যুকালে যারা তাকে দেখেছে, তাদের বিবরণ হলো, তার প্রাণ বের হওয়ামাত্র চেহারা উজ্জ্বল হয়ে মুচকি হাসি ফুটে উঠেছে। কারণ, এখন সে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে যে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের জন্যে সৃষ্টি করেছেন।
যেই বুযুর্গকে সারা জীবন হাসতে দেখা যায়নি, মৃত্যুকালে যারা তাকে দেখেছে, তাদের বিবরণ হলো, তার প্রাণ বের হওয়ামাত্র চেহারা উজ্জ্বল হয়ে মুচকি হাসি ফুটে উঠেছে। কারণ, এখন সে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে যে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের জন্যে সৃষ্টি করেছেন।
📄 গাফেলতের জীবন খুব খারাপ
আল্লাহ যাদেরকে এই চিন্তা দান করেছেন যে, এখন আল্লাহ আমার উপর সন্তুষ্ট না অসন্তুষ্ট, তার মুখে কী করে হাসি ফুটতে পারে? কিন্তু আল্লাহরই একটা মেহেরবানী যে, তিনি আমাদেরকে এ অবস্থায় রাখেন না। যদি দুনিয়ার সব মানুষের অবস্থা এমন হয়ে যায়, তাহলে দুনিয়া অচল হয়ে পড়বে। দুনিয়ার কোনো কাজ-কারবার চলবে না। এ জন্যে ব্যাপকভাবে মানুষের মধ্যে এ অবস্থা সৃষ্টি করেন না। তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বার বার হাদীসে সতর্ক করেছেন যে, এর অর্থ এই নয় যে, সবসময় গাফলতে ডুবে থাকবে। কখনো এ কথা চিন্তা করবে না যে, জান্নাতের দিকে যাচ্ছি, না জাহান্নামের দিকে। তুমি বরং চোখ খুলে একটু দেখো, কোন পথে যাচ্ছো, জান্নাতের পথে না জাহান্নামের পথে? নিজের আমলের দিকে একটু দৃষ্টি বুলিয়ে দেখো, কি আমল করছো? আল্লাহ মেহেরবানী করে আমাদের সকলকে ঐ দলের অন্তর্ভুক্ত করুন, যাদেরকে তিনি জান্নাতের জন্যে সৃষ্টি করেছেন。
আল্লাহ যাদেরকে এই চিন্তা দান করেছেন যে, এখন আল্লাহ আমার উপর সন্তুষ্ট না অসন্তুষ্ট, তার মুখে কী করে হাসি ফুটতে পারে? কিন্তু আল্লাহরই একটা মেহেরবানী যে, তিনি আমাদেরকে এ অবস্থায় রাখেন না। যদি দুনিয়ার সব মানুষের অবস্থা এমন হয়ে যায়, তাহলে দুনিয়া অচল হয়ে পড়বে। দুনিয়ার কোনো কাজ-কারবার চলবে না। এ জন্যে ব্যাপকভাবে মানুষের মধ্যে এ অবস্থা সৃষ্টি করেন না। তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বার বার হাদীসে সতর্ক করেছেন যে, এর অর্থ এই নয় যে, সবসময় গাফলতে ডুবে থাকবে। কখনো এ কথা চিন্তা করবে না যে, জান্নাতের দিকে যাচ্ছি, না জাহান্নামের দিকে। তুমি বরং চোখ খুলে একটু দেখো, কোন পথে যাচ্ছো, জান্নাতের পথে না জাহান্নামের পথে? নিজের আমলের দিকে একটু দৃষ্টি বুলিয়ে দেখো, কি আমল করছো? আল্লাহ মেহেরবানী করে আমাদের সকলকে ঐ দলের অন্তর্ভুক্ত করুন, যাদেরকে তিনি জান্নাতের জন্যে সৃষ্টি করেছেন।
📄 বাহ্যিক শক্তি-সামর্থ্য ও রূপ-সৌন্দর্যের উপর দম্ভ করো না
পরবর্তী হাদীস হলো,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّهُ لَيَأْتِي الرَّجُلُ الْعَظِيمُ السَّمِينُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَا يَزِنُ عِنْدَ اللَّهِ جَنَاحَ بَعُوضَةٍ
হযরত আবু হোরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন এমন এক লোককে আনা হবে, যে শারীরিক দিক থেকে তো অনেক মোটা-তাজা এবং দুনিয়ার মর্যাদায় অনেক বড়ো হবে, কিন্তু আল্লাহর কাছে তার মূল্য একটা মশার ডানার বরাবরও হবে না। দুনিয়ার এই শক্তি-সামর্থ ও রূপ-সৌন্দর্য সেদিন কোনো কাজে আসবে না। কারণ, এসব সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও সে আল্লাহর সন্তুষ্টির কাজ করেনি। এ জন্যে আল্লাহর কাছে একটা মশার ডানার বরাবর মূল্যও তার নেই।
উক্ত হাদীসের উদ্দেশ্য হলো, নিজের বাহ্যিক শক্তি-সামর্থ ও রূপ-সৌন্দর্যের এবং পদমর্যাদা ও সহায়-সম্পদের উপর কখনো দম্ভ করো না।
টিকাঃ
৫. সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৩৬০, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৯৯১
পরবর্তী হাদীস হলো,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّهُ لَيَأْتِي الرَّجُلُ الْعَظِيمُ السَّمِينُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَا يَزِنُ عِنْدَ اللَّهِ جَنَاحَ بَعُوضَةٍ
হযরত আবু হোরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন এমন এক লোককে আনা হবে, যে শারীরিক দিক থেকে তো অনেক মোটা-তাজা এবং দুনিয়ার মর্যাদায় অনেক বড়ো হবে, কিন্তু আল্লাহর কাছে তার মূল্য একটা মশার ডানার বরাবরও হবে না। দুনিয়ার এই শক্তি-সামর্থ ও রূপ-সৌন্দর্য সেদিন কোনো কাজে আসবে না। কারণ, এসব সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও সে আল্লাহর সন্তুষ্টির কাজ করেনি। এ জন্যে আল্লাহর কাছে একটা মশার ডানার বরাবর মূল্যও তার নেই।
উক্ত হাদীসের উদ্দেশ্য হলো, নিজের বাহ্যিক শক্তি-সামর্থ ও রূপ-সৌন্দর্যের এবং পদমর্যাদা ও সহায়-সম্পদের উপর কখনো দম্ভ করো না。
টিকাঃ
৫. সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৩৬০, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৯৯১