📄 জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝে আল্লাহর ফায়সালা
আলোচ্য হাদীসের শেষাংশে এসেছে যে, আল্লাহ উভয়ের মাঝে ফয়সালা করলেন এভাবে- জান্নাতকে বললেন, তুমি হলে আমার রহমতের নিদর্শন। যাকে রহমত ও দয়া করতে চাই, তোমার দ্বারা তার প্রতি দয়া করবো। আর জাহান্নামকে বললেন, তুমি আমার আযাবের নিদর্শন। যাকে আযাব দিতে চাই, তোমার দ্বারা আযাব দেবো। জান্নাত ও জাহান্নাম উভয়কেই মানুষ দ্বারা পূর্ণ করবো। এ কারণে দুনিয়ায় দুই ধরনের লোকই পাওয়া যাবে। জান্নাতের অধিকারী লোকও পাওয়া যাবে, তারা জান্নাতের কাজ করে। আবার জাহান্নামের উপযুক্ত লোকও পাওয়া যাবে, তারা জাহান্নামের কাজ করে। আমরা কেবল দু'আ করবো, আল্লাহ যেন আমাদেরকে ঐ সকল লোকের অন্তর্ভুক্ত করেন, যাদেরকে তিনি জান্নাতের জন্যে তৈরী করেছেন। আমীন। ছুম্মা আমীন।
আলোচ্য হাদীসের শেষাংশে এসেছে যে, আল্লাহ উভয়ের মাঝে ফয়সালা করলেন এভাবে- জান্নাতকে বললেন, তুমি হলে আমার রহমতের নিদর্শন। যাকে রহমত ও দয়া করতে চাই, তোমার দ্বারা তার প্রতি দয়া করবো। আর জাহান্নামকে বললেন, তুমি আমার আযাবের নিদর্শন। যাকে আযাব দিতে চাই, তোমার দ্বারা আযাব দেবো। জান্নাত ও জাহান্নাম উভয়কেই মানুষ দ্বারা পূর্ণ করবো। এ কারণে দুনিয়ায় দুই ধরনের লোকই পাওয়া যাবে। জান্নাতের অধিকারী লোকও পাওয়া যাবে, তারা জান্নাতের কাজ করে। আবার জাহান্নামের উপযুক্ত লোকও পাওয়া যাবে, তারা জাহান্নামের কাজ করে। আমরা কেবল দু'আ করবো, আল্লাহ যেন আমাদেরকে ঐ সকল লোকের অন্তর্ভুক্ত করেন, যাদেরকে তিনি জান্নাতের জন্যে তৈরী করেছেন। আমীন। ছুম্মা আমীন।
📄 জনৈক বুযুর্গের পরকাল ভীতি
এক বুযুর্গ সম্পর্কে প্রসিদ্ধ ছিলো যে, তিনি জীবনে কখনো হাসেননি। এমনকি তার মুখে কখনো মুচকি হাসিও দেখা যায়নি। সর্বদাই তিনি চিন্তাগ্রস্থ থাকতেন। কেউ প্রশ্ন করলো, হযরত আপনার চেহারায় কখনো একটু মুচকি হাসিও দেখা যায় না, আপনি সবসময় শুধু চিন্তাগ্রস্থ থাকেন, এর কারণ কী? তিনি উত্তরে বললেন, ভাই! আসল ঘটনা হলো, আমি হাদীসে শুনেছি যে, আল্লাহ কিছু মানুষ তৈরী করেছেন জান্নাতের জন্যে, আর কিছু মানুষ তৈরী করেছেন জাহান্নামের জন্যে। কিন্তু আমি জানি না যে, আমি কোন দলের অন্তর্ভুক্ত। যতোক্ষণ পর্যন্ত আমি নিশ্চিত হতে পারবো না যে, আমি জান্নাতী দলের অন্তর্ভুক্ত, ততোক্ষণ পর্যন্ত কীভাবে হাসি আসবে, বলো? এ জন্যেই আমি সর্বদা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকি।
এক বুযুর্গ সম্পর্কে প্রসিদ্ধ ছিলো যে, তিনি জীবনে কখনো হাসেননি। এমনকি তার মুখে কখনো মুচকি হাসিও দেখা যায়নি। সর্বদাই তিনি চিন্তাগ্রস্থ থাকতেন। কেউ প্রশ্ন করলো, হযরত আপনার চেহারায় কখনো একটু মুচকি হাসিও দেখা যায় না, আপনি সবসময় শুধু চিন্তাগ্রস্থ থাকেন, এর কারণ কী? তিনি উত্তরে বললেন, ভাই! আসল ঘটনা হলো, আমি হাদীসে শুনেছি যে, আল্লাহ কিছু মানুষ তৈরী করেছেন জান্নাতের জন্যে, আর কিছু মানুষ তৈরী করেছেন জাহান্নামের জন্যে। কিন্তু আমি জানি না যে, আমি কোন দলের অন্তর্ভুক্ত। যতোক্ষণ পর্যন্ত আমি নিশ্চিত হতে পারবো না যে, আমি জান্নাতী দলের অন্তর্ভুক্ত, ততোক্ষণ পর্যন্ত কীভাবে হাসি আসবে, বলো? এ জন্যেই আমি সর্বদা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকি।
📄 ঈমানদারের চোখ কী করে ঘুমাতে পারে?
জনৈক বুযুর্গ বলেছেন,
وَكَيْفَ تَنَامُ الْعَيْنُ وَهِيَ قَرِيرَةٌ وَلَمْ تَدْرِ فِي أَيِّ الْمَحَلَّيْنِ تَنْزِلُ
'মুমিন যতোক্ষণ জানবে না যে, তার ঠিকানা জান্নাতে না জাহান্নামে, ততোক্ষণ তার চক্ষুদ্বয় কীভাবে সুখনিদ্রায় বিভোর হতে পারে!'
জনৈক বুযুর্গ বলেছেন,
وَكَيْفَ تَنَامُ الْعَيْنُ وَهِيَ قَرِيرَةٌ وَ لَمْ تَدْرِ فِي أَيِّ الْمَحَلَّيْنِ تَنْزِلُ
'মুমিন যতোক্ষণ জানবে না যে, তার ঠিকানা জান্নাতে না জাহান্নামে, ততোক্ষণ তার চক্ষুদ্বয় কীভাবে সুখনিদ্রায় বিভোর হতে পারে!'
📄 প্রাণ যাওয়া মাত্র মুচকি হাসি
যেই বুযুর্গকে সারা জীবন হাসতে দেখা যায়নি, মৃতু্যুকালে যারা তাকে দেখেছে, তাদের বিবরণ হলো, তার প্রাণ বের হওয়ামাত্র চেহারা উজ্জ্বল হয়ে মুচকি হাসি ফুটে উঠেছে। কারণ, এখন সে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে যে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের জন্যে সৃষ্টি করেছেন।
যেই বুযুর্গকে সারা জীবন হাসতে দেখা যায়নি, মৃত্যুকালে যারা তাকে দেখেছে, তাদের বিবরণ হলো, তার প্রাণ বের হওয়ামাত্র চেহারা উজ্জ্বল হয়ে মুচকি হাসি ফুটে উঠেছে। কারণ, এখন সে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে যে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের জন্যে সৃষ্টি করেছেন।