📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 অহংকার একটি গোপন ব্যাধি

📄 অহংকার একটি গোপন ব্যাধি


আমাদের প্রতি অত্যাধিক দয়াপরবশ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ জন্যে উক্ত হাদীসের মাধ্যমে আমাদেরকে এ শিক্ষা দিয়েছেন যে, দেখো! অহংকার যেন কাছে ভিড়তে না পারে। এটা এমন এক ব্যাধি, যা অনেক আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেও টের পায় না যে, আমি এ রোগে আক্রান্ত। বরং সে মনে করে, আমার তো সবই ঠিক আছে। অথচ তার মধ্যে অহংকার বিদ্যমান। আক্রান্ত ব্যক্তির পক্ষে যা বুঝতে পারা অনেক দুরূহ ব্যাপার। এ জন্যে এ বিষয়ে অভিজ্ঞজনেরা কোনো আল্লাহওয়ালার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

আমাদের প্রতি অত্যাধিক দয়াপরবশ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ জন্যে উক্ত হাদীসের মাধ্যমে আমাদেরকে এ শিক্ষা দিয়েছেন যে, দেখো! অহংকার যেন কাছে ভিড়তে না পারে। এটা এমন এক ব্যাধি, যা অনেক আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেও টের পায় না যে, আমি এ রোগে আক্রান্ত। বরং সে মনে করে, আমার তো সবই ঠিক আছে। অথচ তার মধ্যে অহংকার বিদ্যমান। আক্রান্ত ব্যক্তির পক্ষে যা বুঝতে পারা অনেক দুরূহ ব্যাপার। এ জন্যে এ বিষয়ে অভিজ্ঞজনেরা কোনো আল্লাহওয়ালার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 তাসাওউফের উদ্দেশ্য

📄 তাসাওউফের উদ্দেশ্য


পীর-মুরীদির যে প্রথা চালু আছে, সে সম্পর্কে অনেকে মনে করে যে, পীর ছাহেবের হাতে হাত দিলেই বরকত হয়ে গেলো, বা পীর কিছু ওযীফা বলে দিলেন আর মুরিদ সেগুলো আদায় করে নিলো, ব্যস এখানেই শেষ। খুব ভালোভাবে মনে রাখবেন যে, এটা আদৌ পীর-মুরীদির আসল উদ্দেশ্য নয়। কোনো পীর বা শাইখের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার আসল উদ্দেশ্যই হলো, অন্তরে যে সব আধ্যাত্মিক ব্যাধি আছে, যেগুলোর শীর্ষ তালিকায় হলো অহংকার, সে সব ব্যাধির চিকিৎসা করানো। যেমনিভাবে রোগীর অনেক সময় জানা থাকে না যে, তার রোগ কী? ডাক্তার বলে দেন, তোমার এই রোগ আছে এবং এই রোগের চিকিৎসা করতে হবে, তদ্রূপ আধ্যাত্মিক রোগের চিকিৎসার জন্যেও শাইখের কাছে যেতে হয়। তিনি রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা দেন। সুতরাং শাইখের শরণাপন্ন হয়ে তার হাতে হাত রাখার উদ্দেশ্য হলো, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা।

পীর-মুরীদির যে প্রথা চালু আছে, সে সম্পর্কে অনেকে মনে করে যে, পীর ছাহেবের হাতে হাত দিলেই বরকত হয়ে গেলো, বা পীর কিছু ওযীফা বলে দিলেন আর মুরিদ সেগুলো আদায় করে নিলো, ব্যস এখানেই শেষ। খুব ভালোভাবে মনে রাখবেন যে, এটা আদৌ পীর-মুরীদির আসল উদ্দেশ্য নয়। কোনো পীর বা শাইখের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার আসল উদ্দেশ্যই হলো, অন্তরে যে সব আধ্যাত্মিক ব্যাধি আছে, যেগুলোর শীর্ষ তালিকায় হলো অহংকার, সে সব ব্যাধির চিকিৎসা করানো। যেমনিভাবে রোগীর অনেক সময় জানা থাকে না যে, তার রোগ কী? ডাক্তার বলে দেন, তোমার এই রোগ আছে এবং এই রোগের চিকিৎসা করতে হবে, তদ্রূপ আধ্যাত্মিক রোগের চিকিৎসার জন্যেও শাইখের কাছে যেতে হয়। তিনি রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা দেন। সুতরাং শাইখের শরণাপন্ন হয়ে তার হাতে হাত রাখার উদ্দেশ্য হলো, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 প্রকৃত আধ্যাত্মিক চিকিৎসা

📄 প্রকৃত আধ্যাত্মিক চিকিৎসা


একটা সমস্যা হলো, আজকাল তাবিজ-তুমারের নাম হয়ে গিয়েছে রূহানী এলাজ বা আধ্যাত্মিক চিকিৎসা। খুব ভালো করে বুঝে নিন- এই তাবিজ- তুমার বা ঝাড়-ফুঁকের নাম আধ্যাত্মিক চিকিৎসা নয়। প্রকৃত আধ্যাত্মিক চিকিৎসা হলো, অন্তরে যে সব রোগ আছে- যেমন অহংকার, হিংসা, বিদ্বেষ, দুশমনি ইত্যাদি- এগুলোর চিকিৎসার জন্যে শাইখের শরাণাপন্ন হওয়ার পর শাইখ দেখবেন যে, তার অন্তরে আসলে কী রোগ আছে? রোগ নির্ণয়ের পর তার জন্যে সহজ চিকিৎসা কী হতে পারে, সে চিকিৎসা তিনি মুরীদকে দিবেন, আর তার দেওয়া চিকিৎসা অনুযায়ী মুরীদ আমল করবে। এটাই হলো প্রকৃত পীর-মুরীদি।

একটা সমস্যা হলো, আজকাল তাবিজ-তুমারের নাম হয়ে গিয়েছে রূহানী এলাজ বা আধ্যাত্মিক চিকিৎসা। খুব ভালো করে বুঝে নিন- এই তাবিজ- তুমার বা ঝাড়-ফুঁকের নাম আধ্যাত্মিক চিকিৎসা নয়। প্রকৃত আধ্যাত্মিক চিকিৎসা হলো, অন্তরে যে সব রোগ আছে- যেমন অহংকার, হিংসা, বিদ্বেষ, দুশমনি ইত্যাদি- এগুলোর চিকিৎসার জন্যে শাইখের শরাণাপন্ন হওয়ার পর শাইখ দেখবেন যে, তার অন্তরে আসলে কী রোগ আছে? রোগ নির্ণয়ের পর তার জন্যে সহজ চিকিৎসা কী হতে পারে, সে চিকিৎসা তিনি মুরীদকে দিবেন, আর তার দেওয়া চিকিৎসা অনুযায়ী মুরীদ আমল করবে। এটাই হলো প্রকৃত পীর-মুরীদি।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 হযরত থানভী রহ.-এর চিকিৎসা-পদ্ধতি

📄 হযরত থানভী রহ.-এর চিকিৎসা-পদ্ধতি


হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.-এর ওখানে এ জাতীয় রোগীরা আসতেন এবং তিনি তাদের চিকিৎসা দিতেন। এ বিষয়ের উপর তার ওখানে বেশি গুরুত্বারোপ করা হতো। কোনো ঔষধ সেবন, কিংবা কোনো ওযীফা পাঠ করিয়ে এর চিকিৎসা হতো না, বরং তা হতো আমলের মাধ্যমে। অহংকারে আক্রান্ত এক লোক এসেছে তো তার চিকিৎসা ঠিক করলেন যে, মসজিদে যারা নামায পড়তে আসে, তুমি তাদের জুতা সোজা করবে। কোনো ওযীফা, কোনো তাসবীহ বা যিকির কিছুই দিলেন না। তাকে দেখেই বুঝতে পেরেছেন যে, তার মধ্যে অহংকার আছে এবং এটাই তার উপযুক্ত চিকিৎসা।

হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.-এর ওখানে এ জাতীয় রোগীরা আসতেন এবং তিনি তাদের চিকিৎসা দিতেন। এ বিষয়ের উপর তার ওখানে বেশি গুরুত্বারোপ করা হতো। কোনো ঔষধ সেবন, কিংবা কোনো ওযীফা পাঠ করিয়ে এর চিকিৎসা হতো না, বরং তা হতো আমলের মাধ্যমে। অহংকারে আক্রান্ত এক লোক এসেছে তো তার চিকিৎসা ঠিক করলেন যে, মসজিদে যারা নামায পড়তে আসে, তুমি তাদের জুতা সোজা করবে। কোনো ওযীফা, কোনো তাসবীহ বা যিকির কিছুই দিলেন না। তাকে দেখেই বুঝতে পেরেছেন যে, তার মধ্যে অহংকার আছে এবং এটাই তার উপযুক্ত চিকিৎসা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00