📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 হাকীমুল উম্মত থানভী রহ.-এর বিনয়

📄 হাকীমুল উম্মত থানভী রহ.-এর বিনয়


আমার আপনার অবস্থা তো কোনো হিসাবে আসারই যোগ্য নয়। দেখুন! হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেন, আমি নিজেকে বর্তমান বিচারে সকল মুসলমান থেকে এবং শেষ অবস্থা ও সম্ভাবনার বিচারে কাফের থেকেও ছোট মনে করি। অর্থাৎ, প্রত্যেক মুসলমান থেকে বর্তমানে আমি নিজেকে ছোট মনে করি। আর কাফের থেকেও এই সম্ভাবনার ভিত্তিতে নিজেকে ছোট মনে করি যে, হতে পারে সে কখনো মুসলমান হয়ে যাবে এবং আমলে আমার চেয়ে অনেক অগ্রসর হয়ে যাবে।

আমার আপনার অবস্থা তো কোনো হিসাবে আসারই যোগ্য নয়। দেখুন! হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেন, আমি নিজেকে বর্তমান বিচারে সকল মুসলমান থেকে এবং শেষ অবস্থা ও সম্ভাবনার বিচারে কাফের থেকেও ছোট মনে করি। অর্থাৎ, প্রত্যেক মুসলমান থেকে বর্তমানে আমি নিজেকে ছোট মনে করি। আর কাফের থেকেও এই সম্ভাবনার ভিত্তিতে নিজেকে ছোট মনে করি যে, হতে পারে সে কখনো মুসলমান হয়ে যাবে এবং আমলে আমার চেয়ে অনেক অগ্রসর হয়ে যাবে।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 অহংকার ও ঈমান একত্র হতে পারে না

📄 অহংকার ও ঈমান একত্র হতে পারে না


অহংকার ও ঈমান একত্র হতে পারে না। আল্লাহ হেফাজত করুন। মানুষের মধ্যে যখন অহংকার চলে আসে, তখন তার ঈমান ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায়। এই অহংকারই ইবলিসকে ধ্বংস করেছে। তাকে বলা হয়েছিলো- আদমকে সেজদা করো। কিন্তু তার মাথায় অহংকার চেপে বসলো যে, আমি তো আগুনের তৈরী, আর আদম হলো মাটির তৈরী। নিজেকে বড়ো মনে করলো এবং অপরকে তুচ্ছ ও ছোট মনে করলো। এভাবে সে চির দিনের জন্যে আল্লাহর দরবার থেকে বিতাড়িত ও অভিশপ্ত হয়ে গেলো।

অহংকার ও ঈমান একত্র হতে পারে না। আল্লাহ হেফাজত করুন। মানুষের মধ্যে যখন অহংকার চলে আসে, তখন তার ঈমান ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায়। এই অহংকারই ইবলিসকে ধ্বংস করেছে। তাকে বলা হয়েছিলো- আদমকে সেজদা করো। কিন্তু তার মাথায় অহংকার চেপে বসলো যে, আমি তো আগুনের তৈরী, আর আদম হলো মাটির তৈরী। নিজেকে বড়ো মনে করলো এবং অপরকে তুচ্ছ ও ছোট মনে করলো। এভাবে সে চির দিনের জন্যে আল্লাহর দরবার থেকে বিতাড়িত ও অভিশপ্ত হয়ে গেলো।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 অহংকার একটি গোপন ব্যাধি

📄 অহংকার একটি গোপন ব্যাধি


আমাদের প্রতি অত্যাধিক দয়াপরবশ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ জন্যে উক্ত হাদীসের মাধ্যমে আমাদেরকে এ শিক্ষা দিয়েছেন যে, দেখো! অহংকার যেন কাছে ভিড়তে না পারে। এটা এমন এক ব্যাধি, যা অনেক আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেও টের পায় না যে, আমি এ রোগে আক্রান্ত। বরং সে মনে করে, আমার তো সবই ঠিক আছে। অথচ তার মধ্যে অহংকার বিদ্যমান। আক্রান্ত ব্যক্তির পক্ষে যা বুঝতে পারা অনেক দুরূহ ব্যাপার। এ জন্যে এ বিষয়ে অভিজ্ঞজনেরা কোনো আল্লাহওয়ালার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

আমাদের প্রতি অত্যাধিক দয়াপরবশ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ জন্যে উক্ত হাদীসের মাধ্যমে আমাদেরকে এ শিক্ষা দিয়েছেন যে, দেখো! অহংকার যেন কাছে ভিড়তে না পারে। এটা এমন এক ব্যাধি, যা অনেক আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেও টের পায় না যে, আমি এ রোগে আক্রান্ত। বরং সে মনে করে, আমার তো সবই ঠিক আছে। অথচ তার মধ্যে অহংকার বিদ্যমান। আক্রান্ত ব্যক্তির পক্ষে যা বুঝতে পারা অনেক দুরূহ ব্যাপার। এ জন্যে এ বিষয়ে অভিজ্ঞজনেরা কোনো আল্লাহওয়ালার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 তাসাওউফের উদ্দেশ্য

📄 তাসাওউফের উদ্দেশ্য


পীর-মুরীদির যে প্রথা চালু আছে, সে সম্পর্কে অনেকে মনে করে যে, পীর ছাহেবের হাতে হাত দিলেই বরকত হয়ে গেলো, বা পীর কিছু ওযীফা বলে দিলেন আর মুরিদ সেগুলো আদায় করে নিলো, ব্যস এখানেই শেষ। খুব ভালোভাবে মনে রাখবেন যে, এটা আদৌ পীর-মুরীদির আসল উদ্দেশ্য নয়। কোনো পীর বা শাইখের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার আসল উদ্দেশ্যই হলো, অন্তরে যে সব আধ্যাত্মিক ব্যাধি আছে, যেগুলোর শীর্ষ তালিকায় হলো অহংকার, সে সব ব্যাধির চিকিৎসা করানো। যেমনিভাবে রোগীর অনেক সময় জানা থাকে না যে, তার রোগ কী? ডাক্তার বলে দেন, তোমার এই রোগ আছে এবং এই রোগের চিকিৎসা করতে হবে, তদ্রূপ আধ্যাত্মিক রোগের চিকিৎসার জন্যেও শাইখের কাছে যেতে হয়। তিনি রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা দেন। সুতরাং শাইখের শরণাপন্ন হয়ে তার হাতে হাত রাখার উদ্দেশ্য হলো, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা।

পীর-মুরীদির যে প্রথা চালু আছে, সে সম্পর্কে অনেকে মনে করে যে, পীর ছাহেবের হাতে হাত দিলেই বরকত হয়ে গেলো, বা পীর কিছু ওযীফা বলে দিলেন আর মুরিদ সেগুলো আদায় করে নিলো, ব্যস এখানেই শেষ। খুব ভালোভাবে মনে রাখবেন যে, এটা আদৌ পীর-মুরীদির আসল উদ্দেশ্য নয়। কোনো পীর বা শাইখের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার আসল উদ্দেশ্যই হলো, অন্তরে যে সব আধ্যাত্মিক ব্যাধি আছে, যেগুলোর শীর্ষ তালিকায় হলো অহংকার, সে সব ব্যাধির চিকিৎসা করানো। যেমনিভাবে রোগীর অনেক সময় জানা থাকে না যে, তার রোগ কী? ডাক্তার বলে দেন, তোমার এই রোগ আছে এবং এই রোগের চিকিৎসা করতে হবে, তদ্রূপ আধ্যাত্মিক রোগের চিকিৎসার জন্যেও শাইখের কাছে যেতে হয়। তিনি রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা দেন। সুতরাং শাইখের শরণাপন্ন হয়ে তার হাতে হাত রাখার উদ্দেশ্য হলো, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00