📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 অহংকারীর দৃষ্টান্ত

📄 অহংকারীর দৃষ্টান্ত


আরবী ভাষায় বড়ো সুন্দর প্রজ্ঞাপূর্ণ একটি দৃষ্টান্ত আছে। যার অনুবাদ এরকম- অহংকারীর দৃষ্টান্ত হলো ঐ লোকের মতো, যে পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছে। উপরে যাওয়ার কারণে সে যেমন অন্যদেরকে ছোট মনে করে এবং নিচে থেকে অন্য সকল মানুষ তাকে মনে করে ছোট, তদ্রূপ অহংকারী ব্যক্তি যখন অন্যের দিকে দৃষ্টি দেয়, তখন তাদেরকে ছোট ও তুচ্ছ মনে করে। অথচ শুধু মুমিন নয় একজন কাফেরের দিকেও তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখা কবীরা গোনাহ। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন। আমীন। এভাবে অহংকারী লোক যতো অন্যদেরকে তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখতে থাকে, তার আমলনামায় ততো কবীরা গোনাহের পরিমাণ বাড়তে থাকে।
এমন অহংকারী যখন অন্যের সঙ্গে কথা বলে, তখন এমন রুক্ষভাবে কথা বলে যে, অন্যের অন্তরে আঘাত লাগে। আর কোনো মুসলমানের মনে কষ্ট দেওয়াও গোনাহ।

আরবী ভাষায় বড়ো সুন্দর প্রজ্ঞাপূর্ণ একটি দৃষ্টান্ত আছে। যার অনুবাদ এরকম- অহংকারীর দৃষ্টান্ত হলো ঐ লোকের মতো, যে পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছে। উপরে যাওয়ার কারণে সে যেমন অন্যদেরকে ছোট মনে করে এবং নিচে থেকে অন্য সকল মানুষ তাকে মনে করে ছোট, তদ্রূপ অহংকারী ব্যক্তি যখন অন্যের দিকে দৃষ্টি দেয়, তখন তাদেরকে ছোট ও তুচ্ছ মনে করে। অথচ শুধু মুমিন নয় একজন কাফেরের দিকেও তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখা কবীরা গোনাহ। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন। আমীন। এভাবে অহংকারী লোক যতো অন্যদেরকে তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখতে থাকে, তার আমলনামায় ততো কবীরা গোনাহের পরিমাণ বাড়তে থাকে।
এমন অহংকারী যখন অন্যের সঙ্গে কথা বলে, তখন এমন রুক্ষভাবে কথা বলে যে, অন্যের অন্তরে আঘাত লাগে। আর কোনো মুসলমানের মনে কষ্ট দেওয়াও গোনাহ।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 কাফেরকেও তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখো না

📄 কাফেরকেও তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখো না


আমি বললাম, কোনো কাফেরকেও তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখো না এবং এটাও গোনাহ। এর কারণ হলো, হতে পারে আল্লাহ কখনো তাকে ঈমানের তাওফীক দান করবেন এবং সে আল্লাহর কাছে তোমার চেয়ে অনেক প্রিয় হয়ে যাবে। তাই কোনো কাফেরকেও তুচ্ছ জ্ঞান করা উচিত নয়। অবশ্য কুফরকে তুচ্ছ ও ঘৃণ্য মনে করা উচিত। কিন্তু গোনাহগার ব্যক্তিসত্তার প্রতি ঘৃণা থাকা উচিত নয়। তবে এখানে একটি লক্ষণীয় বিষয় হলো, আমার অন্তর কখন গোনাহগার ব্যক্তিকে ঘৃণা করছে, আর কখন ব্যক্তিকে নয়, বরং তার পাপ ও অপরাধকে ঘৃণা করছে, এ বিষয়টি অনেক সময় মানুষ বুঝতে সক্ষম হয় না। এটা বোঝার জন্যে বুযুর্গদের সাহচর্যের প্রয়োজন হয়।

আমি বললাম, কোনো কাফেরকেও তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখো না এবং এটাও গোনাহ। এর কারণ হলো, হতে পারে আল্লাহ কখনো তাকে ঈমানের তাওফীক দান করবেন এবং সে আল্লাহর কাছে তোমার চেয়ে অনেক প্রিয় হয়ে যাবে। তাই কোনো কাফেরকেও তুচ্ছ জ্ঞান করা উচিত নয়। অবশ্য কুফরকে তুচ্ছ ও ঘৃণ্য মনে করা উচিত। কিন্তু গোনাহগার ব্যক্তিসত্তার প্রতি ঘৃণা থাকা উচিত নয়। তবে এখানে একটি লক্ষণীয় বিষয় হলো, আমার অন্তর কখন গোনাহগার ব্যক্তিকে ঘৃণা করছে, আর কখন ব্যক্তিকে নয়, বরং তার পাপ ও অপরাধকে ঘৃণা করছে, এ বিষয়টি অনেক সময় মানুষ বুঝতে সক্ষম হয় না। এটা বোঝার জন্যে বুযুর্গদের সাহচর্যের প্রয়োজন হয়।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 হাকীমুল উম্মত থানভী রহ.-এর বিনয়

📄 হাকীমুল উম্মত থানভী রহ.-এর বিনয়


আমার আপনার অবস্থা তো কোনো হিসাবে আসারই যোগ্য নয়। দেখুন! হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেন, আমি নিজেকে বর্তমান বিচারে সকল মুসলমান থেকে এবং শেষ অবস্থা ও সম্ভাবনার বিচারে কাফের থেকেও ছোট মনে করি। অর্থাৎ, প্রত্যেক মুসলমান থেকে বর্তমানে আমি নিজেকে ছোট মনে করি। আর কাফের থেকেও এই সম্ভাবনার ভিত্তিতে নিজেকে ছোট মনে করি যে, হতে পারে সে কখনো মুসলমান হয়ে যাবে এবং আমলে আমার চেয়ে অনেক অগ্রসর হয়ে যাবে।

আমার আপনার অবস্থা তো কোনো হিসাবে আসারই যোগ্য নয়। দেখুন! হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেন, আমি নিজেকে বর্তমান বিচারে সকল মুসলমান থেকে এবং শেষ অবস্থা ও সম্ভাবনার বিচারে কাফের থেকেও ছোট মনে করি। অর্থাৎ, প্রত্যেক মুসলমান থেকে বর্তমানে আমি নিজেকে ছোট মনে করি। আর কাফের থেকেও এই সম্ভাবনার ভিত্তিতে নিজেকে ছোট মনে করি যে, হতে পারে সে কখনো মুসলমান হয়ে যাবে এবং আমলে আমার চেয়ে অনেক অগ্রসর হয়ে যাবে।

📘 ইসলামী মু'আশারাত পরস্পরের প্রতি কর্তব্য ও অধিকার সুন্দর ও সুখী সমাজ > 📄 অহংকার ও ঈমান একত্র হতে পারে না

📄 অহংকার ও ঈমান একত্র হতে পারে না


অহংকার ও ঈমান একত্র হতে পারে না। আল্লাহ হেফাজত করুন। মানুষের মধ্যে যখন অহংকার চলে আসে, তখন তার ঈমান ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায়। এই অহংকারই ইবলিসকে ধ্বংস করেছে। তাকে বলা হয়েছিলো- আদমকে সেজদা করো। কিন্তু তার মাথায় অহংকার চেপে বসলো যে, আমি তো আগুনের তৈরী, আর আদম হলো মাটির তৈরী। নিজেকে বড়ো মনে করলো এবং অপরকে তুচ্ছ ও ছোট মনে করলো। এভাবে সে চির দিনের জন্যে আল্লাহর দরবার থেকে বিতাড়িত ও অভিশপ্ত হয়ে গেলো।

অহংকার ও ঈমান একত্র হতে পারে না। আল্লাহ হেফাজত করুন। মানুষের মধ্যে যখন অহংকার চলে আসে, তখন তার ঈমান ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায়। এই অহংকারই ইবলিসকে ধ্বংস করেছে। তাকে বলা হয়েছিলো- আদমকে সেজদা করো। কিন্তু তার মাথায় অহংকার চেপে বসলো যে, আমি তো আগুনের তৈরী, আর আদম হলো মাটির তৈরী। নিজেকে বড়ো মনে করলো এবং অপরকে তুচ্ছ ও ছোট মনে করলো। এভাবে সে চির দিনের জন্যে আল্লাহর দরবার থেকে বিতাড়িত ও অভিশপ্ত হয়ে গেলো।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00