📄 অহংকারী জাহান্নামে যাবে আর দুর্বল গরীব যাবে জান্নাতে
খোলাসা কথা হলো, জাহান্নام অহংকারী ও দাম্ভিক লোকদের দিয়ে পূর্ণ করা হবে, যারা নিজের বড়ত্ব প্রকাশ করে এবং অন্যের সঙ্গে অহংকারের আচরণ করে এবং অন্যকে তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখে।
পক্ষান্তরে জান্নাত পূর্ণ করা হবে দুর্বল ও গরীব প্রকৃতির লোক দ্বারা, যারা বাহ্যত দেখতে দুর্বল মনে হয়। যারা বিনয়ী এবং নিজেকে ছোট মনে করে। বিনয়ী ও বিনম্র আচরণ করে।
খোলাসা কথা হলো, জাহান্নাম অহংকারী ও দাম্ভিক লোকদের দিয়ে পূর্ণ করা হবে, যারা নিজের বড়ত্ব প্রকাশ করে এবং অন্যের সঙ্গে অহংকারের আচরণ করে এবং অন্যকে তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখে।
পক্ষান্তরে জান্নাত পূর্ণ করা হবে দুর্বল ও গরীব প্রকৃতির লোক দ্বারা, যারা বাহ্যত দেখতে দুর্বল মনে হয়। যারা বিনয়ী এবং নিজেকে ছোট মনে করে। বিনয়ী ও বিনম্র আচরণ করে।
📄 অহংকার আল্লাহর পছন্দ নয়
জাহান্নامকে আল্লাহ তা'আলা অহংকারীদের দিয়ে পূর্ণ করবেন। কারণ, অহংকারী হলো এমন ব্যক্তি, যে অন্যের উপর নিজের বড়োত্ব প্রকাশ করে। নিজেকে বড়ো মনে করে এবং অন্যকে ছোট মনে করে। নিজেকে মহান ভাবে, আর অন্যকে ভাবে তুচ্ছ। অহংকার আল্লাহর নিকট মুহূর্তের জন্যেও পছন্দ নয়। এক হাদীসে কুদসীতে এসেছে, আল্লাহর রাব্বুল আলামীন বলেন,
الْكِبْرِيَاءُ رِدَائِي وَالْعِزَّةُ إِزَارِي فَمَنْ نَازَعَنِي وَاحِدًا مِنْهُمَا أُلْقِيهِ فِي النَّارِ
বস্তুত অহংকার ও বড়োত্ব হলো আমার চাদর। আমার বৈশিষ্ট্য। আল্লাহই হলেন প্রকৃত বড়ো। সুতরাং আমার চাদর নিয়ে যে ঝগড়া করবে, আমি তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবো।' অহংকার হলো, জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়ার আমল। আল্লাহ মেহেরবানী করে এই নাফরমানী থেকে আমাদেরকে হেফাজত করুন। এটা এমন এক গোনাহ, যাকে আত্মিক ব্যাধিকূলের জননী বলা হয়। অর্থাৎ, সকল গোনাহের মূল। এই এক গোনাহের কারণে কতো গোনাহ যে জন্ম নেয়, তার ইয়ত্তা নেই। একবার যদি অন্তরে অহংকার এবং নিজের বড়োত্বের কথা চলে আসে, তাহলে তা বিভিন্ন প্রকারের গোনাহে লিপ্ত করে দেয়。
টিকাঃ
২. সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৫৬৭, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ৭০৭৮
জাহান্নামকে আল্লাহ তা'আলা অহংকারীদের দিয়ে পূর্ণ করবেন। কারণ, অহংকারী হলো এমন ব্যক্তি, যে অন্যের উপর নিজের বড়োত্ব প্রকাশ করে। নিজেকে বড়ো মনে করে এবং অন্যকে ছোট মনে করে। নিজেকে মহান ভাবে, আর অন্যকে ভাবে তুচ্ছ। অহংকার আল্লাহর নিকট মুহূর্তের জন্যেও পছন্দ নয়। এক হাদীসে কুদসীতে এসেছে, আল্লাহর রাব্বুল আলামীন বলেন,
الْكِبْرِيَاءُ رِدَائِي وَالْعِزَّةُ إِزَارِي فَمَنْ نَازَعَنِي وَاحِدًا مِنْهُمَا أُلْقِيهِ فِي النَّارِ
বস্তুত অহংকার ও বড়োত্ব হলো আমার চাদর। আমার বৈশিষ্ট্য। আল্লাহই হলেন প্রকৃত বড়ো। সুতরাং আমার চাদর নিয়ে যে ঝগড়া করবে, আমি তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবো।' অহংকার হলো, জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়ার আমল। আল্লাহ মেহেরবানী করে এই নাফরমানী থেকে আমাদেরকে হেফাজত করুন। এটা এমন এক গোনাহ, যাকে আত্মিক ব্যাধিকূলের জননী বলা হয়। অর্থাৎ, সকল গোনাহের মূল। এই এক গোনাহের কারণে কতো গোনাহ যে জন্ম নেয়, তার ইয়ত্তা নেই। একবার যদি অন্তরে অহংকার এবং নিজের বড়োত্বের কথা চলে আসে, তাহলে তা বিভিন্ন প্রকারের গোনাহে লিপ্ত করে দেয়。
টিকাঃ
২. সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৫৬৭, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ৭০৭৮
📄 অহংকারীর দৃষ্টান্ত
আরবী ভাষায় বড়ো সুন্দর প্রজ্ঞাপূর্ণ একটি দৃষ্টান্ত আছে। যার অনুবাদ এরকম- অহংকারীর দৃষ্টান্ত হলো ঐ লোকের মতো, যে পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছে। উপরে যাওয়ার কারণে সে যেমন অন্যদেরকে ছোট মনে করে এবং নিচে থেকে অন্য সকল মানুষ তাকে মনে করে ছোট, তদ্রূপ অহংকারী ব্যক্তি যখন অন্যের দিকে দৃষ্টি দেয়, তখন তাদেরকে ছোট ও তুচ্ছ মনে করে। অথচ শুধু মুমিন নয় একজন কাফেরের দিকেও তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখা কবীরা গোনাহ। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন। আমীন। এভাবে অহংকারী লোক যতো অন্যদেরকে তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখতে থাকে, তার আমলনামায় ততো কবীরা গোনাহের পরিমাণ বাড়তে থাকে।
এমন অহংকারী যখন অন্যের সঙ্গে কথা বলে, তখন এমন রুক্ষভাবে কথা বলে যে, অন্যের অন্তরে আঘাত লাগে। আর কোনো মুসলমানের মনে কষ্ট দেওয়াও গোনাহ।
আরবী ভাষায় বড়ো সুন্দর প্রজ্ঞাপূর্ণ একটি দৃষ্টান্ত আছে। যার অনুবাদ এরকম- অহংকারীর দৃষ্টান্ত হলো ঐ লোকের মতো, যে পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছে। উপরে যাওয়ার কারণে সে যেমন অন্যদেরকে ছোট মনে করে এবং নিচে থেকে অন্য সকল মানুষ তাকে মনে করে ছোট, তদ্রূপ অহংকারী ব্যক্তি যখন অন্যের দিকে দৃষ্টি দেয়, তখন তাদেরকে ছোট ও তুচ্ছ মনে করে। অথচ শুধু মুমিন নয় একজন কাফেরের দিকেও তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখা কবীরা গোনাহ। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন। আমীন। এভাবে অহংকারী লোক যতো অন্যদেরকে তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখতে থাকে, তার আমলনামায় ততো কবীরা গোনাহের পরিমাণ বাড়তে থাকে।
এমন অহংকারী যখন অন্যের সঙ্গে কথা বলে, তখন এমন রুক্ষভাবে কথা বলে যে, অন্যের অন্তরে আঘাত লাগে। আর কোনো মুসলমানের মনে কষ্ট দেওয়াও গোনাহ।
📄 কাফেরকেও তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখো না
আমি বললাম, কোনো কাফেরকেও তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখো না এবং এটাও গোনাহ। এর কারণ হলো, হতে পারে আল্লাহ কখনো তাকে ঈমানের তাওফীক দান করবেন এবং সে আল্লাহর কাছে তোমার চেয়ে অনেক প্রিয় হয়ে যাবে। তাই কোনো কাফেরকেও তুচ্ছ জ্ঞান করা উচিত নয়। অবশ্য কুফরকে তুচ্ছ ও ঘৃণ্য মনে করা উচিত। কিন্তু গোনাহগার ব্যক্তিসত্তার প্রতি ঘৃণা থাকা উচিত নয়। তবে এখানে একটি লক্ষণীয় বিষয় হলো, আমার অন্তর কখন গোনাহগার ব্যক্তিকে ঘৃণা করছে, আর কখন ব্যক্তিকে নয়, বরং তার পাপ ও অপরাধকে ঘৃণা করছে, এ বিষয়টি অনেক সময় মানুষ বুঝতে সক্ষম হয় না। এটা বোঝার জন্যে বুযুর্গদের সাহচর্যের প্রয়োজন হয়।
আমি বললাম, কোনো কাফেরকেও তুচ্ছ দৃষ্টিতে দেখো না এবং এটাও গোনাহ। এর কারণ হলো, হতে পারে আল্লাহ কখনো তাকে ঈমানের তাওফীক দান করবেন এবং সে আল্লাহর কাছে তোমার চেয়ে অনেক প্রিয় হয়ে যাবে। তাই কোনো কাফেরকেও তুচ্ছ জ্ঞান করা উচিত নয়। অবশ্য কুফরকে তুচ্ছ ও ঘৃণ্য মনে করা উচিত। কিন্তু গোনাহগার ব্যক্তিসত্তার প্রতি ঘৃণা থাকা উচিত নয়। তবে এখানে একটি লক্ষণীয় বিষয় হলো, আমার অন্তর কখন গোনাহগার ব্যক্তিকে ঘৃণা করছে, আর কখন ব্যক্তিকে নয়, বরং তার পাপ ও অপরাধকে ঘৃণা করছে, এ বিষয়টি অনেক সময় মানুষ বুঝতে সক্ষম হয় না। এটা বোঝার জন্যে বুযুর্গদের সাহচর্যের প্রয়োজন হয়।