📄 মন্দ কাজ থেকে নম্রভাবে বিরত রাখবে
তবে এটা অবশ্যই জরুরী যে, তাকে মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখার জন্যে যথা সম্ভব এমন পন্থা অবলম্বন করবে, যাতে সে কম ব্যথিত হয়। নম্রভাবে বলবে। বলার মধ্যে যেন সমবেদনা, সহমর্মিতা ও স্নেহ-ভালোবাসা থাকে। কল্যাণকামনা ও ইখলাস থাকে। তার প্রতিবাদ করে রাগ মিটানো যেন উদ্দেশ্য না হয়। কিন্তু এ চিন্তা কিছুতেই ঠিক নয় যে, আমি যতো নম্রভাবেই তাকে বলি না কেন, সে মনে কষ্ট পাবে, সুতরাং আমি তাকে কিছু বলবো না। কারণ, সকল মাখলুকের সন্তুষ্টির উপর আল্লাহর সন্তুষ্টির বিষয়টি অগ্রগণ্য। সুতরাং বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির এই প্রান্তিক দুই চিন্তাই ভুল। তাই সকল মুসলমানকেই খুশি রাখার চিন্তা করতে হবে। কিন্তু যখন আল্লাহর দেওয়া সীমারেখা এসে যাবে, তখন কেউ খুশি হলো কি কষ্ট পেলো, তা দেখার বিষয় নয়। সেখানে তো আল্লাহর হুকুমই মানতে হবে। আনুগত্য একমাত্র আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামেরই করতে হবে। অন্য কারো পরোয়া করা যাবে না। অবশ্য যথাসম্ভব বিনয় ও নম্রপন্থা অবলম্বন করতে হবে। আল্লাহ আমাদের সকলকে আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
وَاخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
টিকাঃ
৩. নূরঃ ২