📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 উপসাগরীয় অঞ্চলে সৃষ্ট নতুন রাষ্ট্রসমূহ

📄 উপসাগরীয় অঞ্চলে সৃষ্ট নতুন রাষ্ট্রসমূহ


১৮৩০ সালের পর থেকে ব্রিটিশ সেনা ও নেভালের অধীনে থাকা কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, আরব আমিরাত অঞ্চলগুলো ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে রাষ্ট্র হিসাবে অস্তিত্বে আসে। সৌদি আরব ১৯৩০-এর দশকে অস্তিত্বে আসে। কুয়েত ১৯৫০-এর দশকে ইরাকি-ব্রিটিশ অভিভাবকত্ব থেকে বের হতে সক্ষম হয়। ৯৫৭

টিকাঃ
৯৫৭. http://coldwarstudies.com/2013/01/11/history-of-colonization-in-the-middle-east-and-north-africa-mena-precursor-to-cold-war-conflict/

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 আরব উপদ্বীপের দরিদ্র রাষ্ট্রসমূহ

📄 আরব উপদ্বীপের দরিদ্র রাষ্ট্রসমূহ


দক্ষিণ ও উত্তর ইয়ামান: ১৮৩৯ সালে ব্রিটিশরা এডেন দখল করে এবং ১৯৬৭ সালে দক্ষিণ ইয়ামান স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৯০ সালের মে মাস পর্যন্ত এ দেশ দুটি উত্তর ইয়ামান এবং দক্ষিণ ইয়ামান নামে বিভক্ত ছিল। ৯৫৮

টিকাঃ
৯৫৮. https://bn.wikipedia.org/wiki/ইয়েমেন#আধুনিক ইতিহাস

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 চলমান ক্রুসেড

📄 চলমান ক্রুসেড


এখনও অবিরতভাবে ইউরোপ ও আমেরিকা তাদের মনের গভীরে লুকায়িত হিংসা ও ঘৃণা থেকে উত্তেজিত হয়, যা তাদের অতীত সে পরাজয়গুলোর ফল। ২০০১ সালে আফগানিস্তানের ওপর আমেরিকার হামলাকে বুশ ক্রুসেড হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। এ ছাড়া ইরাক হামলা, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, সিরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে হামলা অব্যাহত রয়েছে।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 কাফিরদের সাথে মুসলিমদের আচরণনীতি

📄 কাফিরদের সাথে মুসলিমদের আচরণনীতি


ইসলাম মুসলিমদের আদেশ দেয় এ ধরা থেকে শিরক ও জুলুম নিশ্চিহ্ন করার। তাই মুসলিমদের দায়িত্ব হলো এ ধরা থেকে কুফর-শিরককে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া এবং ক্রুসেডের মতো প্রভৃতি জুলুম থেকে পৃথিবীকে মুক্ত করে ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠা করা। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে :
{ وَقَٰتِلُوهُمْ حَتَّىٰ لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ ٱلدِّينُ لِلَّهِ ۖ فَإِنِ ٱنتَهَوْا۟ فَلَا عُدْوَٰنَ إِلَّا عَلَى ٱلظَّٰلِمِينَ }
'আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই করো, যে পর্যন্ত না ফিতনার অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়। অতঃপর যদি তারা নিবৃত্ত হয়ে যায়, তাহলে কারও প্রতি কোনো জবরদস্তি নেই। কিন্তু যারা জালিম তাদের ব্যাপার স্বতন্ত্র।' ৯৫৯

{ وَقَٰتِلُوهُمْ حَتَّىٰ لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ ٱلدِّينُ كُلُّهُۥ لِلَّهِ ۚ فَإِنِ ٱنتَهَوْا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ بِمَا يَعْمَلُونَ بَصِيرٌ }
'আর তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকো, যতক্ষণ না ভ্রান্তি শেষ হয়ে যায় এবং আল্লাহর দ্বীন পুরোপুরিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। তারপর যদি তারা বিরত হয়ে যায়, তবে আল্লাহ তাদের কার্যকলাপ লক্ষ করেন।' ৯৬০

এমনিভাবে ইসলাম মুসলিমদের শিক্ষা দেয় দয়া-পরবশ হওয়ার, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার। ইসলামে মুসলিম ও অমুসলিম সবার ওপর জুলুম করাকে হারাম করা হয়েছে। সকল ক্ষেত্রে সত্যের সাক্ষ্য প্রদান করতে বলেছে; যদিও তা কোনো ইহুদি, খ্রিষ্টানের পক্ষে বা কোনো নিকটাত্মীয়ের বিরুদ্ধে যাক না কেন। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন :
{ ۞يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ لِلَّهِ شُهَدَاءَ بِالْقِسْطِ ۖ وَلَا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَآنُ قَوْمٍ عَلَىٰ أَلَّا تَعْدِلُوا ۚ اعْدِلُوا هُوَ أَقْرَبُ لِلتَّقْوَىٰ ۖ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۚ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا تَعْمَلُونَ ۞ }
'হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে ন্যায় সাক্ষ্যদানের ব্যাপারে অবিচল থাকবে এবং কোনো সম্প্রদায়ের শত্রুতার কারণে কখনো ন্যায়বিচার পরিত্যাগ করো না। সুবিচার করো; এটাই আল্লাহভীতির অধিক নিকটবর্তী। আল্লাহকে ভয় করো। তোমরা যা করো, নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে জ্ঞাত।' ৯৬১

{ ۞ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ بِالْقِسْطِ شُهَدَاءَ لِلَّهِ وَلَوْ عَلَىٰ أَنفُসِكُمْ أَوِ الْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ ۚ إِن يَكُنْ غَنِيًّا أَوْ فَقِيرًا فَاللَّهُ أَوْلَىٰ بِهِمَا ۖ فَلَا تَتَّبِعُوا الْهَوَىٰ أَن تَعْدِلُوا ۚ وَإِن تَلْوُوا أَوْ تُعْرِضُوا فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرًا ۞ }
'হে মুমিনগণ, তোমরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠাকারী হয়ে যাও আল্লাহর সাক্ষীরূপে, যদিও তা তোমাদের নিজের অথবা মাতা-পিতার ও আত্মীয়-স্বজনের প্রতিকূল হয়। কেউ যদি সম্পদশালী কিংবা দরিদ্র হয়, তাহলে আল্লাহ তোমাদের চেয়ে তাদের ব্যাপারে অধিক কল্যাণকামী। অতএব তোমরা বিচার করতে গিয়ে রিপুর কামনা-বাসনার অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে প্যাঁচিয়ে কথা বলো কিংবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কর্ম সম্পর্কেই অবগত।' ৯৬২

টিকাঃ
৯৫৯. সুরা আল-বাকারা: ১৯৩
৯৬০. সুরা আল-আনফাল : ৩৯
৯৬১. সুরা আল-মায়িদা: ৮
৯৬২. সুরা আন-নিসা : ১৩৫

ফন্ট সাইজ
15px
17px