📄 অষ্টম ক্রুসেড
১২৭০ থেকে ১২৭১ সালে ফ্রান্সের সম্রাট নবম লুই পরিচালিত এ যুদ্ধে তিনি পরাজিত ও বন্দী হন। আইয়ুবি রাজবংশের শাসক মোআজ্জেম তুরানশাহ এর নেতৃত্বে মিশরীয় বাহিনী তাকে বন্দী করে এবং পরে বিপুল মুক্তিপণের বিনিময়ে মুক্তি দেয়।
📄 নবম ক্রুসেড
১২৭১ থেকে ১২৭২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত চলা এ যুদ্ধকে পবিত্র ভূমি দখলের উদ্দেশ্যে মধ্যযুগে সংঘটিত শেষ ক্রুসেড হিসাবে গণ্য করা হয়। ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম এডওয়ার্ডের এ অভিযান ব্যর্থ হয় এবং সিরিয়া ও ফিলিস্তিন থেকে ক্রুসেডারদের অস্তিত্ব প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।
📄 অন্যান্য ক্রুসেড
১২১২ খ্রিষ্টাব্দে বালকদের ক্রুসেড নামে এক বিশেষ যুদ্ধের আয়োজন করা হয়। সাঁইত্রিশ হাজার বালকের এক বিশাল বাহিনী গঠন করা হলেও তাদের কাউকেই বাইতুল মুকাদ্দাসে পৌঁছাতে দেওয়া হয়নি; বরং তাদের গোলাম বানিয়ে নেওয়া হয়। ইউরোপে উসমানি খিলাফতের সম্প্রসারণ ঠেকানোর জন্য চতুর্দশ ও পঞ্চদশ শতাব্দীতে যেসব যুদ্ধ হয়, ইউরোপীয়রা সেগুলোকেও ক্রুসেড নাম দেয়। দুই শতাব্দী ধরে চলতে থাকা এই ধর্মীয় উন্মাদনায় ইউরোপীয়রা পরাজয় ছাড়া আর কিছুই অর্জন করতে পারেনি। খ্রিষ্টান ও মুসলমানদের মাঝে বৈরিতার মজবুত দেয়াল তৈরি হয়ে যায়। তবে ইউরোপের অসভ্য লোকেরা মুসলমানদের সংস্পর্শে আসার ফলে তাদের শিক্ষা ও সভ্যতার উন্নতি ঘটে এবং ইউরোপে সামন্তপ্রথার অবসান ঘটে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। ৯৫৫
টিকাঃ
৯৫৫. খ্রিষ্টীয় একাদশ শতকে ক্রুসেড উসকে ওঠার কিছু প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কারণ থেকে ফলাফল বর্ণনা পর্যন্ত বাংলা, উর্দু, আরবি উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত।
📄 দশম ক্রুসেড
১৮৩০ থেকে ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত চলা দশম ক্রুসেড শুরু হয় তুরস্কের উসমানি খিলাফত ধ্বংসের আবর্তনের ঘটনাবলির মাধ্যমে। এ ক্রুসেড উসমানি খিলাফতকে আবর্তন করে হলেও এর সূচনা আরও আগ থেকেই হয়েছিল, যেমন ব্রিটিশ-ফ্রান্স ইত্যাদি দেশ কর্তৃক উপনিবেশবাদ প্রতিষ্ঠা।