📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 সপ্তম ক্রুসেড

📄 সপ্তম ক্রুসেড


১২৪৮ থেকে ১২৫৪ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত এ যুদ্ধে আল-মালিকুল কামিল ও তার ভাইদের মধ্যে বিরোধের কারণে বাইতুল মুকাদ্দাস শহর ক্রুসেডারদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সালিহ তা আবার ক্রুসেডারদের হাত থেকে ছিনিয়ে নেন।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 অষ্টম ক্রুসেড

📄 অষ্টম ক্রুসেড


১২৭০ থেকে ১২৭১ সালে ফ্রান্সের সম্রাট নবম লুই পরিচালিত এ যুদ্ধে তিনি পরাজিত ও বন্দী হন। আইয়ুবি রাজবংশের শাসক মোআজ্জেম তুরানশাহ এর নেতৃত্বে মিশরীয় বাহিনী তাকে বন্দী করে এবং পরে বিপুল মুক্তিপণের বিনিময়ে মুক্তি দেয়।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 নবম ক্রুসেড

📄 নবম ক্রুসেড


১২৭১ থেকে ১২৭২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত চলা এ যুদ্ধকে পবিত্র ভূমি দখলের উদ্দেশ্যে মধ্যযুগে সংঘটিত শেষ ক্রুসেড হিসাবে গণ্য করা হয়। ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম এডওয়ার্ডের এ অভিযান ব্যর্থ হয় এবং সিরিয়া ও ফিলিস্তিন থেকে ক্রুসেডারদের অস্তিত্ব প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 অন্যান্য ক্রুসেড

📄 অন্যান্য ক্রুসেড


১২১২ খ্রিষ্টাব্দে বালকদের ক্রুসেড নামে এক বিশেষ যুদ্ধের আয়োজন করা হয়। সাঁইত্রিশ হাজার বালকের এক বিশাল বাহিনী গঠন করা হলেও তাদের কাউকেই বাইতুল মুকাদ্দাসে পৌঁছাতে দেওয়া হয়নি; বরং তাদের গোলাম বানিয়ে নেওয়া হয়। ইউরোপে উসমানি খিলাফতের সম্প্রসারণ ঠেকানোর জন্য চতুর্দশ ও পঞ্চদশ শতাব্দীতে যেসব যুদ্ধ হয়, ইউরোপীয়রা সেগুলোকেও ক্রুসেড নাম দেয়। দুই শতাব্দী ধরে চলতে থাকা এই ধর্মীয় উন্মাদনায় ইউরোপীয়রা পরাজয় ছাড়া আর কিছুই অর্জন করতে পারেনি। খ্রিষ্টান ও মুসলমানদের মাঝে বৈরিতার মজবুত দেয়াল তৈরি হয়ে যায়। তবে ইউরোপের অসভ্য লোকেরা মুসলমানদের সংস্পর্শে আসার ফলে তাদের শিক্ষা ও সভ্যতার উন্নতি ঘটে এবং ইউরোপে সামন্তপ্রথার অবসান ঘটে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। ৯৫৫

টিকাঃ
৯৫৫. খ্রিষ্টীয় একাদশ শতকে ক্রুসেড উসকে ওঠার কিছু প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কারণ থেকে ফলাফল বর্ণনা পর্যন্ত বাংলা, উর্দু, আরবি উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত।

ফন্ট সাইজ
15px
17px