📄 তৃতীয় ক্রুসেড
১১৮৯ থেকে ১১৯২ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে সংঘটিত এ যুদ্ধে জার্মান সম্রাট ফ্রেডারিক বারব্রোসা, ফ্রান্সের ফিলিপ অগাস্টাস ও ইংল্যান্ডের রিচার্ড অংশ নেয়। খ্রিষ্টান বাহিনী আক্কা বন্দর অবরোধ করে। যেহেতু অন্য কোনো ইসলামি রাষ্ট্র থেকে সালাহুদ্দিন আইয়ুবিকে সহায়তা করা হলো না, তাই শহরবাসীরা নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতিতে শহরটি খ্রিষ্টানদের হাতে ছেড়ে দেয়। রিচার্ড বিশ্বাসঘাতকতা করে মুসলমানদের হত্যা করে। পরবর্তীতে বাইতুল মুকাদ্দাস জয়ের আশা দেখতে না পেয়ে ক্রুসেডাররা সন্ধি করে। শর্ত ছিল বাইতুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের হাতে থাকবে এবং আসকালান স্বাধীন থাকবে।
📄 চতুর্থ ক্রুসেড
১২০১ থেকে ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী এ ক্রুসেড মূলত সাজানো হয়েছিল মিশরে হামলা চালিয়ে জেরুজালেম জয় করার উদ্দেশ্যে। আইয়ুবি সুলতান আল-মালিকুল আদিলের হাতে খ্রিস্টানরা পরাজয় বরণ করে এবং ইয়াফা শহর মুসলমানদের আয়ত্তে চলে আসে। পরিবর্তে ক্রুসেডাররা কনস্টান্টিনোপলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক লুণ্ঠন ও ধ্বংস সাধন করে।
📄 পঞ্চম ক্রুসেড
১২১৭ থেকে ১২২১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত চলা পঞ্চম ক্রুসেড ছিল ইউরোপের খ্রিস্টানদের জেরুসালেম ও পবিত্র ভূমি পুনর্দখলের একটি প্রচেষ্টা, যাতে প্রথমে মিশরের শক্তিশালী আইয়ুবি রাজ্যকে পরাজিত করার চেষ্টা করা হয়।
📄 ষষ্ঠ ক্রুসেড
১২২৮ সালে জেরুজালেম পুনরায় অধিকারের উদ্দেশ্যে ষষ্ঠ ক্রুসেড শুরু হয়। পোপ এনভিসেন্টের নেতৃত্বে আড়াই লাখ জার্মান সৈন্যের বিশাল বাহিনী সিরিয়ার উপকূল আক্রমণ করে। আইয়ুবি শাসক আল-আদল প্রতিরোধ গড়ে তুললে খ্রিষ্টান বাহিনী নিরাশ হয়ে ফিরে যায়।