📄 ক্রুসেড যুদ্ধসমূহ
ফিলিস্তিন ভূখণ্ড, বিশেষ করে বাইতুল মুকাদ্দাস খ্রিষ্টানদের কর্তৃত্ব বহাল করার জন্য ইউরোপের খ্রিষ্টানরা যে সকল যুদ্ধ পরিচালনা করেছিল, ইতিহাসে সেগুলোই ক্রুসেড যুদ্ধ নামে পরিচিত। নিজেদের দীর্ঘ যুদ্ধের ধারা শেষ হয় এবং খ্রিষ্টানরা ধ্বংস ও পরাজয় ছাড়া আর কিছু অর্জন করতে না পারায় তাদের যুদ্ধের উন্মাদনা থিতিয়ে যায়। একপর্যায়ে ধারাবাহিক ক্রুসেড যুদ্ধসমূহের অবসান ঘটে।
📄 চরম উপনিবেশকৃত উত্তর আফ্রিকার দেশসমূহ
মিশর: ১৮৮২ থেকে এটি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এবং ১৯৫৬ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।
সুদান: ১৮৯৯ থেকে ব্রিটিশদের অধীনে ছিল এবং ১৯৫৬-এর পর স্বাধীনতা লাভ করে।
তিউনিসিয়া: ১৮৮১ থেকে ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল এবং ১৯৫৬ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।
আলজেরিয়া: ১৮৩০ সালে ফ্রান্সের বশীকরণ শুরু হয় এবং ১৯৬২ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।
মরক্কো: ১৯১২ সালে ফ্রান্সের আশ্রিত রাজ্যে পরিণত হয় এবং ১৯৫৬ সালে স্বাধীন হয়।
লিবিয়া: ১৯১১ থেকে ইটালীয় উপনিবেশ ছিল এবং ১৯৫১ সালে এখানে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
📄 সাধারণ উপনিবেশকৃত দেশসমূহ
এ সকল দেশ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত উসমানি খিলাফতের অধীনে ছিল। সাইকস-পিকটের চুক্তিটি ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সীমানা নির্ধারণ করে দেয়। যেমন: সিরিয়া (১৯৪৬ সালে স্বাধীন), ইরাক (১৯৩২ সালের পর নামমাত্র স্বাধীন), জর্দান (১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশমুক্ত), ফিলিস্তিন (১৯৪৮-১৯৬৭ সালে ইসরাইল কর্তৃক দখলকৃত) এবং লেবানন (১৯৪৩ সালে উপনিবেশমুক্ত)।
📄 উপসাগরীয় অঞ্চলে সৃষ্ট নতুন রাষ্ট্রসমূহ
১৮৩০ সালের পর থেকে ব্রিটিশ সেনা ও নেভালের অধীনে থাকা কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, আরব আমিরাত অঞ্চলগুলো ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে রাষ্ট্র হিসাবে অস্তিত্বে আসে। সৌদি আরব ১৯৩০-এর দশকে অস্তিত্বে আসে। কুয়েত ১৯৫০-এর দশকে ইরাকি-ব্রিটিশ অভিভাবকত্ব থেকে বের হতে সক্ষম হয়। ৯৫৭
টিকাঃ
৯৫৭. http://coldwarstudies.com/2013/01/11/history-of-colonization-in-the-middle-east-and-north-africa-mena-precursor-to-cold-war-conflict/