📄 ধনীদের প্রতি ঈর্ষা
ধনী, জ্ঞানী, প্রভাবশালী ও বিচক্ষণ লোকদের প্রতি ঈর্ষাও এ মতবাদের সাথে যুক্ত হওয়ার একটা কারণ। এমন লোকেরা দক্ষতা, বিচক্ষণতা ও প্রাণবন্ত যোগ্যতার মাধ্যমে অর্থ-সম্পদ ও প্রাচুর্যতা অর্জনের জন্য নিম্নশ্রেণির লোকদের ওপর নির্যাতন করে থাকে। আর এদিকে অক্ষম ও অযোগ্য মানুষেরা জীবিকার স্বল্পতা ও কষ্টের ছায়াতলে জীবনযাপন করে। তাই অধিকাংশ দরিদ্র শ্রেণির লোকেরাই এ আন্দোলনে যুক্ত হতে থাকে।
📄 প্রাচুর্যময় জীবনের লোভ
যারা মার্ক্সবাদ নিয়ে আন্দোলন করে এবং এর বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার দোহাই দেয়, তারা নিজেদের মনোবৃত্তি, পদোন্নতি এবং উন্নত ও প্রাচুর্যময় জীবনযাপনের জন্য অতি নিকৃষ্ট পন্থায় অবলম্বন করতে কোনো দ্বিধাবোধ করে না। তাদের অধিকাংশই মূলত এর মাধ্যমে কিছু অর্থ-সম্পদ উপার্জন করার লক্ষ্যে এবং ব্যক্তিগতভাবে সচ্ছল হতে এতে যোগ দেয়।
📄 বিকৃত মানসিকতার প্রকাশ
বিকৃতমনা হওয়া বা প্রভাবান্বিত হওয়ার কারণে অনেকে নিজ থেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে মার্ক্সবাদের প্রতি আকৃষ্ট ও সম্পৃক্ত হয়ে থাকে।
এই সংক্ষিপ্ত আলোচনা থেকে বোঝা গেল, একমাত্র বক্র, ব্যাধিগ্রস্ত ও অস্বাভাবিক হৃদয়ের অধিকারীরাই সাম্যবাদী চিন্তা-চেতনাকে সানন্দে গ্রহণ করে নিতে পারে। আর কেমন যেন এমন প্রকৃতির মানুষগুলো মার্ক্সীয় চিন্তা-চেতনার মাঝে তাদের প্রাণময় ও সুখকর জীবনযাপনের সকল উপকরণ পেয়ে যায়। এ জন্যই অধিকাংশ সাম্যবাদীরা অন্যান্য মানুষের মতো স্বাভাবিক হয় না; বরং তারা অনেকটা অস্বাভাবিক প্রকৃতির, কুরুচি ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত হৃদয়ের অধিকারী হয়ে থাকে। কমিউনিজমের মাঝেই তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত বস্তু খুঁজে পায়। তাদের এসব কার্যকলাপ, যেমন: দাহযুক্ত হিংসা, নির্বুদ্ধিতাময় প্রতারণা ও অপছন্দনীয় অন্ধত্ব খুবই নিন্দনীয় বিষয়।
এ আলোচনা থেকে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট হয় যে, সাম্যবাদের প্রতি আকৃষ্ট লোকেরা এর বাস্তবতা সম্পর্কে অজ্ঞ। যদি তাদের সাম্যবাদের নিয়ম-নীতি, গতি-প্রকৃতি, চিন্তা-চেতনা ও ভিত্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়, তাহলে তাদের মুখ থেকে কেবল ধারণাপ্রসূত কিছু রাজনৈতিক বক্তব্য শোনা যাবে। এরাই হচ্ছে ধোঁকাগ্রস্ত ও অজ্ঞ, যাদের ব্যাপারে ফ্রীম্যাসনিদের ৯৩০ দেওয়া অন্ধ উপাধিটি প্রযোজ্য।
টিকাঃ
৯৩০. ইহুদিদের গোপন একটি সংগঠন।
📄 কমিউনিজমের মূলনীতিসমূহ
কমিউনিজমের চারটি মূলনীতি নিম্নরূপ: