📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 কমিউনিজমপ্রীতির কারণ

📄 কমিউনিজমপ্রীতির কারণ


প্রত্যেক বিবেকবান লোকই এই প্রশ্ন করে থাকবেন যে, এমন হিংসুটে, বক্র ও ব্যতিক্রমধর্মী মতাদর্শ কীভাবে সুপথ প্রদর্শক, মানবতাকে কল্যাণের প্রতি আহ্বানকারী এবং যুগের পর যুগ ধরে দেশ ও জাতির দর্শন হতে পারে? এমন পচা থিওরি কীভাবে জাতিকে ন্যায়পরায়ণতা, শান্তি-নিরাপত্তা ও সৌহার্দ্য-সহায়তা উপহার দিতে পারে? সেক্যুলারিজম মানবতার এসব প্রয়োজনীয় চাহিদার কোনোটিই এ পর্যন্ত জোগান দিতে পারেনি এবং ভবিষ্যতেও পারবে না। কারণ, স্বয়ং সেক্যুলারিজমের প্রবর্তক কার্ল মার্ক্সের মধ্যেই এসবের ছিটেফোঁটাও ছিল না। সুতরাং যার মধ্যে এগুলোর কোনোটিই বিদ্যমান নেই, সে কীভাবে জাতিকে ভ্রষ্টতার আঁধার থেকে তুলে এনে আলোর পথের দিশা দেবে!?

একমাত্র পথভ্রষ্ট ও অস্বাভাবিক স্বভাবের অধিকারীরাই মার্ক্সবাদের মতো ভ্রান্ত ও চরমপন্থী মতবাদের সাথে সম্পৃক্ত হতে পারে। এই প্রকৃতির মানুষগুলো মূলত রোগাক্রান্ত। এখানে রোগ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, ব্যতিক্রমধর্মী কিছু বাহ্যিক আলামত, যেগুলো চালচলনের মাধ্যমে ফুটে ওঠে। যেমন: শক্ত হৃদয় ও কঠিন স্বভাবের অধিকারী হওয়া, নির্দয় ও নম্রতাশূন্য হওয়া, অধিক পরিমাণে ধোঁকাবাজি করা, নৈরাজ্য-বিশৃঙ্খলা ও নাশকতামূলক কাজের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া এবং উত্তম ও সুশৃঙ্খল নিয়ম-নীতিকে বর্জন করা।

এগুলো ছাড়াও কমিউনিজমপ্রীতির আরও চারটি উল্লেখযোগ্য কারণ নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 জুলুম-নির্যাতনের প্রতিক্রিয়া

📄 জুলুম-নির্যাতনের প্রতিক্রিয়া


পশ্চিমা উপনিবেশের আগুনে দগ্ধ হওয়া বিভিন্ন জাতির ওপর চলা নির্যাতনের প্রতিক্রিয়ায় অনেকে এ মতাদর্শের দিকে এসেছে। পশ্চিমাদের এই অবৈধ উপনিবেশের ভিত্তি ছিল অন্যায়-অবিচার, শত্রুতা ও সীমালঙ্ঘনের ওপর। চার্চের শোষণ-পীড়ন চলছিল সমগ্র ইউরোপ জুড়ে, এমনকি এ অত্যাচার আফ্রিকাতেও চলছিল নির্মমভাবে। সেই সাথে রাজ-ক্ষমতার পৃষ্ঠপোষকতায় এই অত্যাচার সমাজের সর্বত্র দীর্ঘকাল যাবৎ স্থায়ী ছিল। এমন অকথ্য নির্যাতন ও অবিচারের ভয়ে নিপীড়িত মানুষগুলো এই ভেবে মার্ক্সবাদীদের প্রতি ঝুঁকতে শুরু করে যে, এতেই হয়ত আমরা এই দুঃখ-দুর্দশা থেকে রেহাই পাব।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 ধনীদের প্রতি ঈর্ষা

📄 ধনীদের প্রতি ঈর্ষা


ধনী, জ্ঞানী, প্রভাবশালী ও বিচক্ষণ লোকদের প্রতি ঈর্ষাও এ মতবাদের সাথে যুক্ত হওয়ার একটা কারণ। এমন লোকেরা দক্ষতা, বিচক্ষণতা ও প্রাণবন্ত যোগ্যতার মাধ্যমে অর্থ-সম্পদ ও প্রাচুর্যতা অর্জনের জন্য নিম্নশ্রেণির লোকদের ওপর নির্যাতন করে থাকে। আর এদিকে অক্ষম ও অযোগ্য মানুষেরা জীবিকার স্বল্পতা ও কষ্টের ছায়াতলে জীবনযাপন করে। তাই অধিকাংশ দরিদ্র শ্রেণির লোকেরাই এ আন্দোলনে যুক্ত হতে থাকে।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 প্রাচুর্যময় জীবনের লোভ

📄 প্রাচুর্যময় জীবনের লোভ


যারা মার্ক্সবাদ নিয়ে আন্দোলন করে এবং এর বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার দোহাই দেয়, তারা নিজেদের মনোবৃত্তি, পদোন্নতি এবং উন্নত ও প্রাচুর্যময় জীবনযাপনের জন্য অতি নিকৃষ্ট পন্থায় অবলম্বন করতে কোনো দ্বিধাবোধ করে না। তাদের অধিকাংশই মূলত এর মাধ্যমে কিছু অর্থ-সম্পদ উপার্জন করার লক্ষ্যে এবং ব্যক্তিগতভাবে সচ্ছল হতে এতে যোগ দেয়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px