📄 অবাধ অর্থনীতি
উৎপাদকদের মধ্যে উৎপাদনের নতুন নতুন কলাকৌশল, অধিক মুনাফা, কম খরচে উৎপাদন ও কম মূল্যে ভোক্তাদের কাছে দ্রব্য সরবরাহ ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা থাকে সব সময়। বেশি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে উৎপাদকশ্রেণি শ্রমিকদের ওপর চালায় নির্মম শোষণ, তাদের বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়, কম পারিশ্রমিক প্রদান করা এবং কম টাকায় বেশি শ্রম আদায়ের চেষ্টা করা হয়। পুঁজিবাদ অর্থ উপার্জনের জন্য হারাম-হালালের কোনো তোয়াক্কা করে না।
📄 ব্যক্তির নিরঙ্কুশ মালিকানা
এই অর্থব্যবস্থায় দেশের সম্পদের অধিকাংশ সমাজের পুঁজিপতিদের হাতে কেন্দ্রীভূত হতে থাকে। সমাজের আয়-ব্যয়ে বৈষম্য সৃষ্টি হয়। ধনীরা আরও ধনী হতে থাকে এবং দরিদ্ররা আরও দরিদ্র হতে থাকে।
📄 গণতন্ত্রের নামে বুর্জোয়া শ্রেণির শাসন
এ ব্যবস্থায় গণতন্ত্রকে ধরা হয় শাসনের নিয়ম হিসাবে। তবে মূলত ক্ষমতা একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির হাতেই কুক্ষিগত থেকে যায়। বেচারা গরিব মানুষের সামনে গণতন্ত্রের মুলো ঝুলে থাকা ছাড়া তাদের আর কোনো বিশেষ উন্নতি হয় না।
📄 পুরোপুরি সাম্রাজ্যবাদী
পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে পুঁজিপতিরা যখন নিজ দেশে বাজার পায় না, তখন তারা অন্য দেশের বাজারের দিকে হাত বাড়ায়। ধীরে ধীরে সেখানে কারখানা বানায়। পণ্য উৎপাদন করে। একসময় সে দেশের অর্থরাশি কুক্ষিগত করে। সে দেশের সম্পদ নিজ দেশে নিয়ে আসে। এমনকি অনেক সময় সে দেশের ওপরই কবজা প্রতিষ্ঠা করে থাকে।