📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 অবাধ ব্যক্তি স্বাধীনতা

📄 অবাধ ব্যক্তি স্বাধীনতা


এখানে ব্যক্তি নিজের অর্থসম্পদ যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে ব্যবহার করতে পারে। একজনের নিজের খেয়াল-খুশিমতো যেকোনো কিছুই করার স্বাধীনতা রয়েছে। তার এই স্বাধীনতার সামনে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা আছে কেবল তারই তৈরি আইন, স্বৈরাচারী শাসক ও ক্ষেত্রবিশেষে সামরিক শক্তির। ভোগের ক্ষেত্রে উন্মত্ত-উন্মাদ হয়ে পড়লেও তাতে কোনো ক্ষতি নেই। সে নিজে নিবৃত্ত না হলে তাকে নিবৃত্ত করার সাহস কারও নেই। পৃথিবীর বুকে লক্ষ লক্ষ মানবসন্তান ক্ষুধা-পিপাসায় মারা যাক, কিন্তু তার টেবিলে খাবারের পসরা থাকা চাই। এমনিভাবে বিনিয়োগ, বণ্টন, উৎপাদন, পারিবারিক জীবনসহ সর্বত্রই তার এই স্বাধীনতা স্বীকৃত ও ব্যবহৃত।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 অবাধ অর্থনীতি

📄 অবাধ অর্থনীতি


উৎপাদকদের মধ্যে উৎপাদনের নতুন নতুন কলাকৌশল, অধিক মুনাফা, কম খরচে উৎপাদন ও কম মূল্যে ভোক্তাদের কাছে দ্রব্য সরবরাহ ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা থাকে সব সময়। বেশি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে উৎপাদকশ্রেণি শ্রমিকদের ওপর চালায় নির্মম শোষণ, তাদের বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়, কম পারিশ্রমিক প্রদান করা এবং কম টাকায় বেশি শ্রম আদায়ের চেষ্টা করা হয়। পুঁজিবাদ অর্থ উপার্জনের জন্য হারাম-হালালের কোনো তোয়াক্কা করে না।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 ব্যক্তির নিরঙ্কুশ মালিকানা

📄 ব্যক্তির নিরঙ্কুশ মালিকানা


এই অর্থব্যবস্থায় দেশের সম্পদের অধিকাংশ সমাজের পুঁজিপতিদের হাতে কেন্দ্রীভূত হতে থাকে। সমাজের আয়-ব্যয়ে বৈষম্য সৃষ্টি হয়। ধনীরা আরও ধনী হতে থাকে এবং দরিদ্ররা আরও দরিদ্র হতে থাকে।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 গণতন্ত্রের নামে বুর্জোয়া শ্রেণির শাসন

📄 গণতন্ত্রের নামে বুর্জোয়া শ্রেণির শাসন


এ ব্যবস্থায় গণতন্ত্রকে ধরা হয় শাসনের নিয়ম হিসাবে। তবে মূলত ক্ষমতা একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির হাতেই কুক্ষিগত থেকে যায়। বেচারা গরিব মানুষের সামনে গণতন্ত্রের মুলো ঝুলে থাকা ছাড়া তাদের আর কোনো বিশেষ উন্নতি হয় না।

ফন্ট সাইজ
15px
17px