📄 গরুর নিসাব
গরুর সর্বনিম্ন নিসাব ত্রিশটি সায়িমা গরু। যদি কারও ত্রিশটির কম গরু থাকে, তাহলে তার ওপর কোনো জাকাত আসবে না। সুতরাং ত্রিশটি থেকে উনচল্লিশটি সায়িমা গরু থাকলে তাতে একটি তাবি বা একটি তাবিয়া (এক বছর বয়সের গরুর নর বা মাদি বাছুর) দিতে হবে। আর যদি চল্লিশটি হয়, তাহলে তাতে একটি মুসিন্না (দুবছর বয়সের নর বা মাদি বাছুর) দিতে হবে। এরপর উনষাটটি পর্যন্ত অতিরিক্ত আর অন্য কিছু দিতে হবে না। ষাটটি হলে তাতে দুটি তাবি দিতে হবে। সত্তরটি হলে একটি তাবি ও একটি মুসিন্না দিতে হবে। এভাবে প্রত্যেক দশে জাকাতের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকবে।
মুআজ বিন জাবাল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন :
'লাম্মা বাআছাহু রাসুলুল্লাহি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামা ইলাল ইয়ামানি আমারাহু আইঁ ইয়াকুজা মিন কুল্লি ছালাছিনা মিনাল বাক্বারি তাবিআন আও তাবিআতান, ওয়ামিন কুল্লি আরবাঈনা মুসিন্নাতান'
(যখন রাসুলুল্লাহ তাঁকে ইয়ামানে প্রেরণ করেন, তখন তিনি তাঁকে প্রতি ত্রিশটি গরু থেকে একটি তাবি বা একটি তাবিয়া তথা এক বছর বয়সের বাছুর বা বকনা এবং প্রতি চল্লিশটি গরু থেকে একটি মুসিন্না তথা দুবছর বয়সের বাছুর গ্রহণ করতে বলেছেন।)
টিকাঃ
৮৩৮. সুনানুন নাসায়ি: ৫/২৬, হা. নং ২৪৫২ (মাকতাবুল মাতবুআতিল ইসলামিয়্যা, হালব) - হাদিসটি সহিহ।
📄 ছাগলের নিসাব
সর্বনিম্ন চল্লিশটি ছাগল থাকলে জাকাত ওয়াজিব হয়। এর কমে ছাগলের ওপর কোনো জাকাত নেই। সুতরাং চল্লিশ থেকে একশ বিশ পর্যন্ত একটি ছাগল দিতে হবে। একশ একুশ থেকে দুইশ পর্যন্ত দুটি ছাগল দিতে হবে। দুইশ এক থেকে তিনশ পর্যন্ত তিনটি ছাগল দিতে হবে। এর পরে প্রত্যেক একশর মধ্যে একটি করে ছাগল দিতে হবে।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন:
'ওয়াফী সা-ইমাতিল গানামি ইযা কানাত আরবাঈনা, ফাফিহা শাতুন ইলা ইশরিনা ওয়ামিয়াতিন, ফাইযা যাদাত আলা ইশরিনা ওয়ামিয়াতিন, ফাফিহা শাতানি ইলা আইঁ তিবলুগা মিয়াতাইনি...'
(যদি সায়িমা ছাগল চল্লিশ থেকে একশ বিশ পর্যন্ত হয়, তাহলে তাতে একটি ছাগল জাকাত হিসাবে দিতে হবে। এরপর ছাগল একশ একুশ থেকে দুইশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে তাতে দুটি ছাগল জাকাত দিতে। এরপর ছাগল দুইশর বেশি হলে তিনশটি পর্যন্ত তিনটি ছাগল জাকাত দিতে হবে। আর তিনশর পর প্রত্যেক একশ ছাগলের মধ্যে একটি করে ছাগল জাকাত দিতে হবে।)
টিকাঃ
৮৩৯. সুনানু আবি দাউদ: ২/৯৭, হা. নং ১৫৬৭ (আল-মাকতাবাতুল আসরিয়্যা, বৈরুত) - হাদিসটি সহিহ।