📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 এক. তালাকে রজয়ি

📄 এক. তালাকে রজয়ি


রজয়ি অর্থ প্রত্যাহারযোগ্য। এ প্রকারের তালাকে যেহেতু স্বামী তার স্ত্রীর মতের প্রতি ভ্রূক্ষেপ করা ব্যতীতই তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে ইদ্দতের মধ্যে পুনরায় ফিরিয়ে নিতে পারে, তাই এটাকে তালাকে রজয়ি বলা হয়। সাধারণত তালাক শব্দের মাধ্যমে প্রদত্ত তালাককে তালাকে রজয়ি বলে। অনুরূপ তালাকের অর্থে প্রচলিত শব্দের দ্বারাও তালাকে রজয়ি হয়। যেমন স্বামী স্ত্রীকে লক্ষ করে বলল, 'তোমাকে তালাক দিলাম' বা বলল, 'তোমাকে ছেড়ে দিলাম' তাহলে এতে স্ত্রীর ওপর তালাকে রজয়ি পতিত হয়ে যাবে। তালাকে রজয়ি এক বা দুই তালাক পর্যন্ত হয়ে থাকে। তিন তালাক দিলে সেটা আর তালাকে রজয়ি থাকে না; বরং তা তালাকে মুগাল্লাজা হয়ে যায়, যার আলোচনা শীঘ্রই আসছে।

তালাকে রজয়ি হওয়ার জন্য শর্ত হলো বিবাহের পর তালাক দেওয়ার আগে স্ত্রীর সাথে একবার হলেও সহবাস হতে হবে। আর যদি বিবাহ পরবর্তী তাদের মাঝে কখনো সহবাস না হয়ে থাকে, তাহলে এমন স্ত্রীকে যে শব্দেই তালাক দেওয়া হোক না কেন, তা বাইন তালাক হয়ে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাবে।

কুরআনের ভাষায় :
“হে নবি, (আপনি বলে দিন) তোমরা যখন স্ত্রীদের তালাক দিতে চাও, তখন তাদের ইদ্দতের প্রতি লক্ষ রেখে তালাক দিয়ো এবং ইদ্দত গণনা কোরো।”

অর্থাৎ যখন তোমরা সহবাসকৃত মহিলাকে তালাক দেবে, তোমরা তাদের হায়িজের সময় বা সহবাস হয়েছে এমন তুহুরে (পবিত্রতাকালীন সময়ে) তালাক দেবে না; বরং তোমরা তাদের এমন তুহুরে তালাক দাও, যে তুহুরে তোমরা তাদের সাথে সহবাস করোনি।

তালাকের এ প্রকারে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে তালাকদাতা স্বামীর জন্য বিরাট সুযোগ রয়েছে। স্ত্রীকে সে তালাক পতিত হওয়ার পর থেকে ইদ্দত শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফিরিয়ে আনতে পারবে। ইদ্দতের সময়টার পরিমাণ তিন হায়িজ। অর্থাৎ তালাকের পর থেকে তিন হায়িজ শেষ হওয়া পর্যন্ত। এর মাঝে যদি স্ত্রীকে ফিরিয়ে না নেওয়া হয়, তাহলে ইদ্দত শেষে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তালাকে বাইনে পরিণত হয়ে যাবে।

পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে :
“অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে, তখন তাদের যথোপযুক্ত পন্থায় রেখে দেবে অথবা যথোপযুক্ত পন্থায় ছেড়ে দেবে।”

টিকাঃ
৬২৬. আল ফিকহু আলাল মাজাহিবিল আরবাআ: ৪/৩৭৭-৩৭৮ (দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, বৈরুত)
৬২৭. সুরা আত-তালাক: ১
৬২৮. আহকামুল কুরআন, জাসসাস : ৩/৬০৫ (দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, বৈরুত)
৬২৯. সুরা আত-তালাক : ২

রজয়ি অর্থ প্রত্যাহারযোগ্য। এ প্রকারের তালাকে যেহেতু স্বামী তার স্ত্রীর মতের প্রতি ভ্রূক্ষেপ করা ব্যতীতই তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে ইদ্দতের মধ্যে পুনরায় ফিরিয়ে নিতে পারে, তাই এটাকে তালাকে রজয়ি বলা হয়। সাধারণত তালাক শব্দের মাধ্যমে প্রদত্ত তালাককে তালাকে রজয়ি বলা হয়। অনুরূপ তালাকের অর্থে প্রচলিত শব্দের দ্বারাও তালাকে রজয়ি হয়। যেমন স্বামী স্ত্রীকে লক্ষ করে বলল, 'তোমাকে তালাক দিলাম' বা বলল, 'তোমাকে ছেড়ে দিলাম' তাহলে এতে স্ত্রীর ওপর তালাকে রজয়ি পতিত হয়ে যাবে। তালাকে রজয়ি এক বা দুই তালাক পর্যন্ত হয়ে থাকে। তিন তালাক দিলে সেটা আর তালাকে রজয়ি থাকে না; বরং তা তালাকে মুগাল্লাজা হয়ে যায়।

তালাকে রজয়ি হওয়ার জন্য শর্ত হলো বিবাহের পর তালাক দেওয়ার আগে স্ত্রীর সাথে একবার হলেও সহবাস হতে হবে। আর যদি বিবাহ পরবর্তী তাদের মাঝে কখনো সহবাস না হয়ে থাকে, তাহলে এমন স্ত্রীকে যে শব্দেই তালাক দেওয়া হোক না কেন, তা বাইন তালাক হয়ে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাবে।

কুরআনের ভাষায় :
﴿يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ وَأَحْصُوا الْعِدَّةَ﴾
'হে নবি, (আপনি বলে দিন) তোমরা যখন স্ত্রীদের তালাক দিতে চাও, তখন তাদের ইদ্দতের প্রতি লক্ষ রেখে তালাক দিয়ো এবং ইদ্দত গণনা কোরো।'

অর্থাৎ যখন তোমরা সহবাসকৃত মহিলাকে তালাক দেবে, তোমরা তাদের হায়িজের সময় বা সহবাস হয়েছে এমন তুহুরে (পবিত্রতাকালীন সময়ে) তালাক দেবে না; বরং তোমরা তাদের এমন তুহুরে তালাক দাও, যে তুহুরে তোমরা তাদের সাথে সহবাস করোনি।

তালাকের এ প্রকারে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে তালাকদাতা স্বামীর জন্য বিরাট সুযোগ রয়েছে। স্ত্রীকে সে তালাক পতিত হওয়ার পর থেকে ইদ্দত শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফিরিয়ে আনতে পারবে। ইদ্দতের সময়টার পরিমাণ তিন হায়িজ। অর্থাৎ তালাকের পর থেকে তিন হায়িজ শেষ হওয়া পর্যন্ত। এর মাঝে যদি স্ত্রীকে ফিরিয়ে না নেওয়া হয়, তাহলে ইদ্দত শেষে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তালাকে বাইনে পরিণত হয়ে যাবে।

পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে :
﴿ فَإِذَا بَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَأَمْسِكُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ أَوْ فَارِقُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ ﴾
'অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে, তখন তাদের যথোপযুক্ত পন্থায় রেখে দেবে অথবা যথোপযুক্ত পন্থায় ছেড়ে দেবে।'

টিকাঃ
৬২৬. আল ফিকহু আলাল মাজাহিবিল আরবাআ: ৪/৩৭৭-৩৭৮ (দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, বৈরুত)
৬২৭. সুরা আত-তালাক: ১
৬২৮. আহকামুল কুরআন, জাসসাস : ৩/৬০৫ (দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, বৈরুত)
৬২৯. সুরা আত-তালাক : ২

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 দুই. তালাকে বাইন

📄 দুই. তালাকে বাইন


বাইন অর্থ পৃথককারী, বিচ্ছেদকারী। এ তালাকের দ্বারা যেহেতু বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়, তাই এটাকে তালাকে বাইন বলে। এটা সাধারণত অস্পষ্ট শব্দ বা রূপক শব্দের মাধ্যমে তালাকের নিয়ত করলে তবেই পতিত হয়। যেমন কেউ তার স্ত্রীকে তালাকের নিয়তে বলল, 'বের হয়ে যাও' বা বলল 'বাপের বাড়ি চলে যাও' তাহলে কথাটি তালাকের নিয়তে বলে থাকলে এদ্বারা তালাকে বাইন হয়ে যাবে। এ তালাকে বাইনও এক বা দুই তালাক পর্যন্ত থাকে। তিন তালাক দিলে সেটা আর সাধারণ বাইন তালাক থাকবে না; বরং তা মুগাল্লাজা হয়ে যাবে।

রজয়ি তালাকে স্ত্রীকে রুজু বা ফিরিয়ে আনার জন্য কোনো ওলি বা সাক্ষীর প্রয়োজন হয় না, এমনকি স্ত্রীর সন্তুষ্টি বা তার সম্মতি জানারও প্রয়োজন হয় না। কিন্তু তালাকে বাইনের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। তালাকে বাইনের ক্ষেত্রে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে হলে নতুন মোহর আদায় করতে হয়, নতুন করে ইজাব-কবুলের মাধ্যমে আকদ নবায়ন করতে হয়।

বাইন অর্থ পৃথককারী, বিচ্ছেদকারী। এ তালাকের দ্বারা যেহেতু বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়, তাই এটাকে তালাকে বাইন বলে। এটা সাধারণত অস্পষ্ট শব্দ বা রূপক শব্দের মাধ্যমে তালাকের নিয়ত করলে তবেই পতিত হয়। যেমন কেউ তার স্ত্রীকে তালাকের নিয়তে বলল, 'বের হয়ে যাও' বা বলল 'বাপের বাড়ি চলে যাও' তাহলে কথাটি তালাকের নিয়তে বলে থাকলে এদ্বারা তালাকে বাইন হয়ে যাবে। এ তালাকে বাইনও এক বা দুই তালাক পর্যন্ত থাকে। তিন তালাক দিলে সেটা আর সাধারণ বাইন তালাক থাকবে না; বরং তা মুগাল্লাজা হয়ে যাবে।

রজয়ি তালাকে স্ত্রীকে রুজু বা ফিরিয়ে আনার জন্য কোনো ওলি বা সাক্ষীর প্রয়োজন হয় না, এমনকি স্ত্রীর সন্তুষ্টি বা তার সম্মতি জানারও প্রয়োজন হয় না। কিন্তু তালাকে বাইনের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। তালাকে বাইনের ক্ষেত্রে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে হলে নতুন মোহর আদায় করতে হয়, নতুন করে ইজাব-কবুলের মাধ্যমে আকদ নবায়ন করতে হয়।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 তিন. তালাকে মুগাল্লাজা

📄 তিন. তালাকে মুগাল্লাজা


মুগাল্লাজা অর্থ কঠিন, শক্ত। এ তালাকের দ্বারা যেহেতু বিচ্ছেদ কঠিনভাবে হয়, এমনভাবে যে, স্বামী চাইলে নতুন আকদের মাধ্যমেও আর তাকে ফিরিয়ে নিতে পারে না, তাই এটাকে মুগাল্লাজা বলা হয়। একসাথে বা পৃথক পৃথকভাবে স্ত্রীকে তিন তালাক দিলে তা তালাকে মুগাল্লাজা বলে গণ্য হয়।

তালাকে মুগাল্লাজা হলে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কঠিনভাবে বিচ্ছেদ ঘটে যায়। এ ক্ষেত্রে স্বামী তার স্ত্রীকে আর বিয়ে করতে পারবে না। সে তার জন্য স্থায়ীভাবে হারাম হয়ে যায়। তবে হ্যাঁ, মুগাল্লাজা তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী যদি ইদ্দত পালনের পর অন্য কারও সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়, অতঃপর বিবাহ পরবর্তী তাদের সহবাস হয়, এরপর সে দ্বিতীয় স্বামী স্বেচ্ছায় তাকে তালাক দিয়ে দেয় বা মারা যায়, তবেই সে পুনরায় ইদ্দত পালনের পর আগের স্বামীর সাথে বিবাহ করতে পারবে, অন্যথায় নয়।

এ ব্যাপারে ইরশাদ হচ্ছে :
“তালাকে রজয়ি হলো দুবার পর্যন্ত। তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে, না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে।”

এরপরে আল্লাহ তাআলা বলেন :
“অতঃপর যদি সে (দুই তালাকের পর তৃতীয়) তালাক প্রদান করে, তাহলে এরপর অন্য স্বামীর সাথে বিবাহ না করা পর্যন্ত সে তার (আগের স্বামীর) জন্য বৈধ হবে না। অতঃপর সে (নতুন স্বামী) তাকে তালাক প্রদান করলে যদি উভয়ে পরস্পর প্রত্যাবর্তিত হয়, তাহলে এতে তাদের কোনো দোষ নেই, যদি তাদের আল্লাহর সীমারেখা বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। এগুলোই আল্লাহর সীমাসমূহ, যা তিনি জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য ব্যক্ত করে থাকেন।”

টিকাঃ
৬৩০. সুরা আল-বাকারা : ২২৯
৬৩১. সুরা আল-বাকারা: ২৩০

মুগাল্লাজা অর্থ কঠিন, শক্ত। এ তালাকের দ্বারা যেহেতু বিচ্ছেদ কঠিনভাবে হয়, এমনভাবে যে, স্বামী চাইলে নতুন আকদের মাধ্যমেও আর তাকে ফিরিয়ে নিতে পারে না, তাই এটাকে মুগাল্লাজা বলা হয়। একসাথে বা পৃথক পৃথকভাবে স্ত্রীকে তিন তালাক দিলে তা তালাকে মুগাল্লাজা বলে গণ্য হয়।

তালাকে মুগাল্লাজা হলে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কঠিনভাবে বিচ্ছেদ ঘটে যায়। এ ক্ষেত্রে স্বামী তার স্ত্রীকে আর বিয়ে করতে পারবে না। সে তার জন্য স্থায়ীভাবে হারাম হয়ে যায়। তবে হ্যাঁ, মুগাল্লাজা তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী যদি ইদ্দত পালনের পর অন্য কারও সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়, অতঃপর বিবাহ পরবর্তী তাদের সহবাস হয়, এরপর সে দ্বিতীয় স্বামী স্বেচ্ছায় তাকে তালাক দিয়ে দেয় বা মারা যায়, তবেই সে পুনরায় ইদ্দত পালনের পর আগের স্বামীর সাথে বিবাহ করতে পারবে, অন্যথায় নয়।

এ ব্যাপারে ইরশাদ হচ্ছে :
﴿ الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ فَإِمْسَاكَ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحُ بِإِحْسَانٍ ﴾
'তালাকে রজয়ি হলো দুবার পর্যন্ত। তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে, না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে।'

এরপরে আল্লাহ তাআলা বলেন :
﴿ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ ﴾
'অতঃপর যদি সে (দুই তালাকের পর তৃতীয়) তালাক প্রদান করে, তাহলে এরপর অন্য স্বামীর সাথে বিবাহ না করা পর্যন্ত সে তার (আগের স্বামীর) জন্য বৈধ হবে না। অতঃপর সে (নতুন স্বামী) তাকে তালাক প্রদান করলে যদি উভয়ে পরস্পর প্রত্যাবর্তিত হয়, তাহলে এতে তাদের কোনো দোষ নেই, যদি তাদের আল্লাহর সীমারেখা বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। এগুলোই আল্লাহর সীমাসমূহ, যা তিনি জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য ব্যক্ত করে থাকেন।'

টিকাঃ
৬৩০. সুরা আল-বাকারা : ২২৯
৬৩১. সুরা আল-বাকারা: ২৩০

ফন্ট সাইজ
15px
17px