📄 দুই. আল্লাহকে বন্ধু ও অভিভাবক হিসাবে গ্রহণ করা
মুমিন বন্ধু ও অভিভাবক হিসাবে গ্রহণ করবে শুধু আল্লাহ তাআলাকে, অন্য কাউকে নয়। এমন মুমিনই আল্লাহর নিকটবর্তী হবে। এমন মুমিনই তার সকল ধ্যান-জ্ঞান নিয়োগ করে আল্লাহর প্রতি মনোনিবেশ করতে পারবে।
আল্লাহ বলেন :
{ قُلْ أَغَيْرَ اللهِ أَتَّخِذُ وَلِيًّا فَاطِرِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ يُطْعِمُ وَلَا يُطْعَمُ قُلْ إِنِّي أُمِرْتُ أَنْ أَكُونَ أَوَّلَ مَنْ أَسْلَمَ وَلَا تَكُونَنَّ مِنَ الْمُشْرِكِينَ }
'বলো, আমি কি আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে আমার অভিভাবক হিসাবে গ্রহণ করব, যিনি হলেন আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা? তিনি রিজিক দান করেন, কিন্তু কারও রিজিক গ্রহণ করেন না। তুমি বলো, আমি আদিষ্ট হয়েছি যে, ইসলাম গ্রহণকারীদের মধ্যে আমিই যেন প্রথম হই। আর (আমাকে এই বলে আদেশ করা হয়েছে যে,) তুমি মুশরিকদের সাথে অন্তর্ভুক্ত হবে না।'
টিকাঃ
৫৫৫. সুরা আল-আনআম : ১৪
📄 তিন. একনিষ্ঠ হয়ে একমাত্র রবের উদ্দেশ্যে ইবাদত করা
এমনিভাবে আল্লাহর আদেশের অনুগত হওয়া, তাঁর ইবাদত করা সবই হতে হবে আল্লাহর প্রতি পরিপূর্ণ ইখলাস রেখে। এ ক্ষেত্রে ইবাদতে অন্য কাউকে অংশীদার করলে ইবাদতের এ মনোনিবেশ আল্লাহর প্রতি হবে না; বরং তা কিছু অংশে আল্লাহর প্রতি আর কিছু অংশে গাইরুল্লাহর প্রতি হবে। ফলে ইবাদত যত কষ্ট করে বা যত বেশি পরিমাণেই করা হোক না কেন, তার কোনো দাম থাকবে না। ইবাদত মূল্যহীন হবে, যদি তাতে ইখলাস না থাকে।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
{ وَمَا أُمِرُوا إِلَّا لِيَعْبُدُوا اللهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ حُنَفَاءَ وَيُقِيمُوا الصَّلَاةَ وَيُؤْتُوا الزَّكَاةَ وَذَلِكَ دِينُ الْقَيِّمَةِ }
'তাদের শুধু এই নির্দেশই করা হয়েছে যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর ইবাদত করবে, নামাজ কায়েম করবে এবং জাকাত দেবে। আর এটাই সঠিক ধর্ম।'
{ ذُلِكُمُ اللهُ رَبُّكُمْ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ فَاعْبُدُوهُ }
'তিনিই আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা। তিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই। তিনিই সবকিছুর স্রষ্টা। অতএব, তোমরা তাঁরই ইবাদত করো।'
{ وَقَضَى رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ }
'তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করো না।'
টিকাঃ
৫৫৬. সুরা আল-বাইয়্যিনা : ৫
৫৫৭. সুরা আল-আনআম : ১০২
৫৫৮. সুরা বনি ইসরাইল : ২৩