📄 ৬. নিসাব-নিম্ন সম্পদ চুরি করা
কেউ যদি রক্ষিত মাল চুরি করে, কিন্তু তা নিসাব পরিমাণ না হয়, অথবা রক্ষিত মাল চুরি করতে গিয়ে চুরি করার পূর্বেই ধরা পড়ে, তাহলেও তার ওপর হদ প্রয়োগ করা না হয়েও বিচারক তাকে শিক্ষাপ্রদ একটা শাস্তি দেবেন, যাতে করে সামনে সে আর এ ধরনের কাজ করার সাহস না পায় এবং মানুষও এ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।
📄 ৭. গালি-গালাজ করা
একে অপরকে অন্যায়ভাবে গালিগালাজ করা, অন্যায়ভাবে মিথ্যা অপবাদমূলক কথা বলা যেমন: একজন অপরজনকে ফাসিক, কাফির, মুনাফিক, খবিস, চোর ইত্যাদি বলা। এ ধরনের কথা বলা বা গালি দেওয়ার মাধ্যমে অন্যজনকে খাটো করা হয়। তার সম্মানের ওপর আঘাত দেওয়া হয়। তাই যারা এমন করবে ইসলামি রাষ্ট্র তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করবে।
📄 ৮. জিনার নিম্নবর্তী গুনাহ করা
ইমাম মাওয়ারদি জিনার নিম্নবর্তী কিছু গুনাহের তাজির বর্ণনা করে বলেন, 'যদি তাজিরের শাস্তিটা জিনা জাতীয় কোনো কাজে হয়ে থাকে, তবে জিনাকারী ও জিনাকারিণীর অবস্থা বিবেচনায় শাস্তির মাত্রায় কমবেশ হবে। যদি উভয়কে এ অবস্থায় পাওয়া যায় যে, উভয়ের যৌনাঙ্গ এখনো মিলিত হয়নি, তবে তাদের সর্বোচ্চ তাজিরের শাস্তি ৭৫ চাবুক মারা হবে। যদি তাদের উভয়ের মাঝে শরীরের নিম্নভাগে কাপড় জড়ানো থাকে এবং তারা দুজন কাছাকাছি তো থাকে, কিন্তু সহবাসের কর্ম থেকে বিরত থাকে, তবে ৬০ চাবুক মারা হবে। যদি তাদের উভয়কে পূর্বের অবস্থায় পাওয়া যায়, কিন্তু কাছাকাছি না পাওয়া যায়, তবে ৪০ চাবুক মারা হবে। যদি তাদের খালি বাড়িতে পাওয়া যায়, তাদের গায়ের পোশাক গায়েই থাকে, এমতাবস্থায় তাদের ৩০ চাবুক মারা হবে। যদি রাস্তায় কথা বলা অবস্থায় তাদের পাওয়া যায়, তবে ২০ চাবুক মারা হবে। যদি তাদের ইশারা ইঙ্গিতে মনোভাব আদান-প্রদান করতে দেখা যায়, তবে ১০ চাবুক মারা হবে।'
টিকাঃ
৫৩৪. আল-আহকামুস সুলতানিয়্যা: পৃ. নং ৩৪৫ (দারুল হাদিস, কায়রো)