📄 ৩. অহেতুক মানুষকে কষ্ট দেওয়া
অহেতুক রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়ানো, রাস্তার পাশে অনর্থক বসে থাকা, সময় নষ্ট করা, শিস দেওয়া, বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে অথবা নোংরা ও খারাপ কথার মাধ্যমে রাস্তার মানুষদের বিরক্ত করা অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও জঘন্য কাজ। প্রতিটি মুসলিম সন্তান যেন সুশিক্ষিত কর্মঠ ও উত্তম চরিত্রের অধিকারী হয়, এ বিষয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করা ইসলামি রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। তাই যারা বখাটে হয়ে অহেতুক রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়াবে, রাষ্ট্র তাদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করবে, যাতে কোনো মুসলিম সন্তান বখে না যায়।
📄 ৫. অরক্ষিত মাল চুরি করা
কেউ যদি অরক্ষিত মাল চুরি করে, তাহলে তার ওপর হদ প্রয়োগ হয় না ঠিক, কিন্তু হাকিম চোরের জন্য একটা শাস্তি নির্ধারণ করবেন। কারণ, এটা পূর্ণ অর্থে চুরি না হলেও এর মাধ্যমে চুরি করার অভ্যাস হয়ে যেতে পারে। তাই প্রথমেই এর শাস্তির ব্যবস্থা করলে সামনে থেকে এ বিষয়ে সে পূর্ণ সতর্ক থাকবে।
📄 ৬. নিসাব-নিম্ন সম্পদ চুরি করা
কেউ যদি রক্ষিত মাল চুরি করে, কিন্তু তা নিসাব পরিমাণ না হয়, অথবা রক্ষিত মাল চুরি করতে গিয়ে চুরি করার পূর্বেই ধরা পড়ে, তাহলেও তার ওপর হদ প্রয়োগ করা না হয়েও বিচারক তাকে শিক্ষাপ্রদ একটা শাস্তি দেবেন, যাতে করে সামনে সে আর এ ধরনের কাজ করার সাহস না পায় এবং মানুষও এ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।
📄 ৭. গালি-গালাজ করা
একে অপরকে অন্যায়ভাবে গালিগালাজ করা, অন্যায়ভাবে মিথ্যা অপবাদমূলক কথা বলা যেমন: একজন অপরজনকে ফাসিক, কাফির, মুনাফিক, খবিস, চোর ইত্যাদি বলা। এ ধরনের কথা বলা বা গালি দেওয়ার মাধ্যমে অন্যজনকে খাটো করা হয়। তার সম্মানের ওপর আঘাত দেওয়া হয়। তাই যারা এমন করবে ইসলামি রাষ্ট্র তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করবে।