📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 ২. রাস্তাঘাটে মহিলাদের উত্ত্যক্ত করা

📄 ২. রাস্তাঘাটে মহিলাদের উত্ত্যক্ত করা


মহিলাদের ইভটিজিং করা অত্যন্ত নোংরা ও খারাপ একটি কাজ। ইসলাম নারীকে সর্বোচ্চ সম্মান ও মর্যাদা দিয়েছে এবং নারীর সম্মান রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে। কেউ যদি কোনো নারীকে ইভটিজিং করে, তাহলে এ কুকর্মের মাধ্যমে সে নারীর সম্মান ও মর্যাদার ওপর আঘাত হানল। আর ইসলামি রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো, উত্যক্তকারীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া; যাতে অপরাধী ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ করতে আর সাহস না পায় এবং অন্যরাও এ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 ৩. অহেতুক মানুষকে কষ্ট দেওয়া

📄 ৩. অহেতুক মানুষকে কষ্ট দেওয়া


অহেতুক রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়ানো, রাস্তার পাশে অনর্থক বসে থাকা, সময় নষ্ট করা, শিস দেওয়া, বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে অথবা নোংরা ও খারাপ কথার মাধ্যমে রাস্তার মানুষদের বিরক্ত করা অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও জঘন্য কাজ। প্রতিটি মুসলিম সন্তান যেন সুশিক্ষিত কর্মঠ ও উত্তম চরিত্রের অধিকারী হয়, এ বিষয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করা ইসলামি রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। তাই যারা বখাটে হয়ে অহেতুক রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়াবে, রাষ্ট্র তাদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করবে, যাতে কোনো মুসলিম সন্তান বখে না যায়।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 ৫. অরক্ষিত মাল চুরি করা

📄 ৫. অরক্ষিত মাল চুরি করা


কেউ যদি অরক্ষিত মাল চুরি করে, তাহলে তার ওপর হদ প্রয়োগ হয় না ঠিক, কিন্তু হাকিম চোরের জন্য একটা শাস্তি নির্ধারণ করবেন। কারণ, এটা পূর্ণ অর্থে চুরি না হলেও এর মাধ্যমে চুরি করার অভ্যাস হয়ে যেতে পারে। তাই প্রথমেই এর শাস্তির ব্যবস্থা করলে সামনে থেকে এ বিষয়ে সে পূর্ণ সতর্ক থাকবে।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 ৬. নিসাব-নিম্ন সম্পদ চুরি করা

📄 ৬. নিসাব-নিম্ন সম্পদ চুরি করা


কেউ যদি রক্ষিত মাল চুরি করে, কিন্তু তা নিসাব পরিমাণ না হয়, অথবা রক্ষিত মাল চুরি করতে গিয়ে চুরি করার পূর্বেই ধরা পড়ে, তাহলেও তার ওপর হদ প্রয়োগ করা না হয়েও বিচারক তাকে শিক্ষাপ্রদ একটা শাস্তি দেবেন, যাতে করে সামনে সে আর এ ধরনের কাজ করার সাহস না পায় এবং মানুষও এ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px