📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 চতুর্থত, মিডিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা

📄 চতুর্থত, মিডিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা


মুসলিমদের মিডিয়ার শক্তিকে নিজ আয়ত্তাধীন করতে হবে। যেমন : পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশন, ম্যাগাজিনসহ ইত্যাদি প্রচারমাধ্যমকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। যাতে মুসলিমদের সাহস বৃদ্ধি ও তাদের প্রতিজ্ঞাকে শক্তিশালী করা যায় এবং উম্মাহর মধ্যে গতি সঞ্চার করে যুদ্ধের জন্য তাদের প্রস্তুত করা যায়।

ফলে উম্মাহ হবে ইমানি বলে বলীয়ান। উম্মাহ হবে ইসলামি আকিদার শক্তিতে শক্তিমান। উম্মাহ সত্যিকার অর্থে হবে গৌরবদীপ্ত। উম্মাহ হবে একদেহ, একপ্রাণ। যাদের একটি অঙ্গ ব্যথা পেলে সারা দেহ সে ব্যথা অনুভব করবে সমানভাবে। হাদিসে এটি মুসলিমদের গুণ ও বৈশিষ্ট্য হিসাবে বর্ণিত হয়েছে।

নুমান বিন বাশির বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ বলেন:
'সকল মুসলিম একটি দেহের ন্যায়। যদি চোখে ব্যথা হয়, তবে পুরো শরীর ব্যথা অনুভব করে। যদি মাথা ব্যথা হয়, তবে পুরো শরীর সে ব্যথা অনুভব করে।'৪৭৯

টিকাঃ
৪৭৯. সহিহু মুসলিম: ৪/২০০০, হা. নং ২৫৮৬ (দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবিয়্যি, বৈরুত)

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 পঞ্চমত, অর্থনীতিতে উন্নয়ন

📄 পঞ্চমত, অর্থনীতিতে উন্নয়ন


শত্রুদের প্রতিহত করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল শক্তি সঞ্চয় করতে হবে। উন্নত অর্থনীতি তার একটি। যুদ্ধের ক্ষেত্রে অর্থনীতি একটি মৌলিক উপাদান হিসাবে কাজ করে। যদি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে মুসলিমগণ স্বাবলম্বী না হয়ে থাকে, তবে তা সুখকর হবে না। কেননা, সম্পদ না থাকলে মুসলিমদের দারিদ্র্য গ্রাস করার কারণে উপনিবেশবাদীরা সে এলাকা দখল করে ফেলবে। যার কারণে আবার সে আগের মতোই জুলম-নির্যাতনের রাজত্ব কায়িম হবে।

যুদ্ধের মতো এত বিরাট একটি ক্ষেত্রে অধিক অর্থনৈতিক শক্তির প্রয়োজন। তাই মুসলিম বাহিনীর সম্পদ অর্জন করা, অন্যান্য মুসলিম কর্তৃক তাদের সম্পদ জোগান দেওয়া, সম্পদ অপচয় না করার মতো নীতিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সম্পদ খরচে বিলাসী হওয়া, বিনোদনের জন্য সম্পদ খরচ করা মোটেও সমীচীন নয়।

টিকাঃ
৪৮০. সুরা আল-হজ : ৪০
৪৮১. সুরা মুহাম্মাদ : ৭

ফন্ট সাইজ
15px
17px