📄 যুদ্ধের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনার গুরুত্ব
যুদ্ধের জন্য যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়ার উদ্দেশ্যে সাধ্যমতো চেষ্টা করা মুসলিমদের ওপর ফরজ। ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সর্বদিক থেকে পরিকল্পনা করার জন্য সর্বোচ্চ সাধনা করা মুসলিমদের ওপর ফরজ। এ প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা তৈরি করার স্বার্থে উপযুক্ত কর্মপন্থা গ্রহণ, পার্থিব সরঞ্জামাদি একত্রিকরণ, দক্ষতা অর্জন, সাংগঠনিক কাঠামো গঠন, মানসিক প্রস্তুতি অর্জনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিক থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ আবশ্যক।
আমাদের এমন প্রস্তুতি ফরজ করে কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে :
'আর প্রস্তুত করো তাদের সাথে যুদ্ধের জন্য যা কিছু সংগ্রহ করতে পারো নিজেদের শক্তি-সামর্থ্যের মধ্যে থেকে।'৪৭৭
সাবধানতা ও সচেতনতা গ্রহণকে ফরজ করে, এর প্রতি উদ্বুদ্ধ করে ইরশাদ হচ্ছে :
'হে ইমানদারগণ, তোমরা সতর্কতা অবলম্বন করো এবং পৃথক পৃথক সৈন্যদলে কিংবা সমবেতভাবে বেরিয়ে পড়ো।'৪৭৮
যে সকল মুসলিম ইসলামি তালিমের অধীনে ইসলামি নিজামের অধীনে, সুবিন্যস্ত হুকুম-আহকামের পাবন্দির সাথে বেড়ে উঠেছে, তারাই হচ্ছে কিতালের জন্য যোগ্য মুসলিম। এমন মুসলিমরা সংগঠন পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ, সঠিক দিকনির্দেশনা, সঠিক পরিকল্পনার জন্য অধিক যোগ্য। সকল ক্ষেত্রে মুসলিমরা সঠিক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি গ্রহণ করবে এটাই কাম্য। আর যুদ্ধের বিষয়ে তা তো বলাই বাহুল্য।
টিকাঃ
৪৭৭. সুরা আল-আনফাল: ৬০
৪৭৮. সুরা আন-নিসা: ৭১
📄 যুদ্ধের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি
যুদ্ধের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির ব্যাপারে কিছুটা আলোকপাত করা প্রাসঙ্গিক মনে করছি। কেননা, যুদ্ধ শুধু জজবা ও আবেগের দ্বারা হয় না; বরং এর জন্য লাগে নিখুঁত পরিকল্পনা, দক্ষ পরিচালনা ও পূর্ণ প্রস্ততি। আমাদের এ বিষয়টি জেনে নেওয়া উচিত যে, যুদ্ধক্ষেত্রে কীভাবে সফলতা আসবে এবং এর জন্য পর্যায়ক্রমে কোন কোন ধাপ পূরণ করতে হবে।