📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 খ. খলিফা

📄 খ. খলিফা


খলিফা (الخليفة) শব্দটি ইস্তিখলাফ (الاستخلاف) শব্দ থেকে নেওয়া হয়েছে, যার অর্থ প্রতিনিধি নিয়োগ করা। মুসলমানদের ইজমার ভিত্তিতে আবু বকর-কে খলিফা নামে ডাকা হতো। কারণ, তিনি রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর অনুপস্থিতিতে নামাজে তাঁর প্রতিনিধি হয়ে ইমামতি করেছেন এবং তাঁর ইনতিকালের পর মুসলমানগণ তাঁকে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর খলিফা বা প্রতিনিধি নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং পরবর্তী সময়ে যারা এ মহান ইমামতের দায়িত্ব পালন করবে এবং কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবে, তাদেরকে খলিফা বলা যাবে।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 গ. আমিরুল মুমিনিন

📄 গ. আমিরুল মুমিনিন


মুসলমানদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে সর্বপ্রথম এই নামে দ্বিতীয় খলিফা উমর-কে ডাকা হয়। এর অর্থ মুমিনদের আমির বা নেতা। আর এই নামটি মুসলিম শাসকের জন্য খুবই যথার্থ ও উপযুক্ত একটি নাম।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 ঘ. মালিক বা বাদশাহ

📄 ঘ. মালিক বা বাদশাহ


তাত্ত্বিক ও দ্বীনি উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই এই নামটি মুসলিম শাসকের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে। মালিক শব্দটি মানুষের মাঝে শাসকের প্রচলিত নাম হওয়া ছাড়াও শব্দটি খলিফা ও ইমাম শব্দেরও প্রতিশব্দ। মুসা তার সম্প্রদায়কে আল্লাহ তাআলার নিয়ামত স্মরণ করিয়ে দেওয়ার সময় 'মালিক' শব্দের বহুবচন 'মুলুক' ব্যবহার করেছেন। কুরআনে কারিমে আল্লাহ তাআলা বলেন:

“যখন মুসা স্বীয় সম্প্রদায়কে বললেন, হে আমার সম্প্রদায়, তোমাদের প্রতি আল্লাহর নিয়ামত স্মরণ করো, যখন তিনি তোমাদের মধ্যে নবি-রাসুল সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদেরকে বাদশাহ বানিয়েছেন।”

বিম্বাসী সেনাপতি তালুত, যিনি অবিশ্বাসী জালুতকে হত্যা করেছিলেন, আল্লাহ তাআলা তাকে বনি ইসরাইলের মালিক বা বাদশাহ বানিয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা বলেন:
“আর তাদেরকে তাদের নবি বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তালুতকে তোমাদের জন্য বাদশাহ সাব্যস্ত করেছেন।”

টিকাঃ
৪২৯. সুরা আল-মায়িদা: ২০
৪৩০. সুরা আল-বাকারা: ২৪৭

ফন্ট সাইজ
15px
17px