📄 বাইআতের শরয়ি ভিত্তি
বাইআত কুরআন, সুন্নাহর সুস্পষ্ট দলিলাদির ভিত্তিতে প্রমাণিত। আমরা এখানে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে এর দালিলিক দিকটি তুলে ধরছি।
১. কুরআনে কারিমে বাইআতের প্রসঙ্গ
কুরআনে কারিমে অনেক আয়াত আছে, যাতে বাইআত ও তার শরয়ি ভিত্তির কথা উল্লেখ আছে। সুরা ফাতহে বাইআতুর রিজওয়ানের কথা এসেছে, 'যারা নবিকে বাইআত দেবে, তারা মূলত আল্লাহকেই বাইআত দেবে।' আর এ থেকেই বাইআতের গুরুত্ব ও বাইআত প্রদানকারীদের সম্মানের বিষয়টি ফুটে ওঠে, যারা কোনো প্রকারের দ্বিধা না করে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর হাতে বাইআত দিয়েছেন। সাহাবিগণ তাঁকে এই কথার ওপর বাইআত দিয়েছিলেন যে, তিনি আল্লাহর বিধান অনুযায়ী তাঁদের পরিচালনা করবেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“যারা আপনার কাছে বাইআত দেয়, তারা তো (প্রকৃতপক্ষে) আল্লাহর কাছেই বাইআত দেয়। আল্লাহর হাত তাদের হাতের ওপর রয়েছে। অতএব যে বাইআত ভঙ্গ করে, সে তা নিজের ক্ষতির জন্যই করে এবং যে আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করে, আল্লাহ সত্বরই তাকে মহাপুরস্কার দান করবেন।”
যে সকল মুসলমান গাছের নিচে বাইআতে রিজওয়ানে অংশগ্রহণ করেছেন, আল্লাহ তাআলা তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন:
“আল্লাহ মুমিনদের প্রতি সন্তুষ্ট হলেন, যখন তারা বৃক্ষের নিচে আপনার কাছে বাইআত দিল। আল্লাহ অবগত ছিলেন যা তাদের অন্তরে ছিল। অতঃপর তিনি তাদের প্রতি প্রশান্তি নাজিল করলেন এবং তাদের আসন্ন বিজয়ের পুরস্কার দিলেন।”
অনুরূপভাবে যে সকল মহিলা রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর নিকট এসে ইসলাম গ্রহণ করেছে এবং আল্লাহর প্রতিটি বিধান মেনে চলার অঙ্গীকার করে তাঁর নিকট বাইআত দিয়েছে, তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন:
“হে নবি, ইমানদার নারীরা যখন আপনার কাছে এসে এ শর্তে বাইআত দিল যে, তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, তাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, জারজ সন্তানকে স্বামীর ঔরস থেকে গর্ভজাত সন্তান বলে মিথ্যা দাবি করবে না এবং ভালো কাজে আপনার অবাধ্য হবে না, তখন তাদের বাইআত গ্রহণ করুন এবং তাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল ও অত্যন্ত দয়ালু।”
২. হাদিস শরিফে বাইআতের প্রসঙ্গ
বাইআতের ব্যাপারে মুসলিম শরিফে এসেছে, মুজাশি বিন মাসউদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
'আমি মক্কা বিজয়ের পর হিজরতের ওপর বাইআত দেওয়ার জন্য রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর নিকট আসলাম। তখন তিনি বললেন, নিশ্চয় হিজরতের ফজিলত মুহাজিরদের জন্য গত হয়ে গেছে। তাই ইসলাম, জিহাদ ও কল্যাণকর কাজেই কেবল বাইআত বাকি আছে।'
ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
'আমরা যখন রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর নিকট মান্য করা ও আনুগত্যের বাইআত দিতাম, তখন তিনি বলতেন, যতটুকুতে তোমরা সক্ষম হও।'
উবাদা বিন সামিত থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
'আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে বাইআত দিলাম এ কথার ওপর যে, আমরা আমাদের সুখে-দুঃখে, ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, আমাদের ওপর কাউকে প্রাধান্য দিয়ে হলেও আমরা তাঁর কথা মানব এবং আনুগত্য করব। আমরা শাসক বা আমিরের সাথে বিবাদে লিপ্ত হব না। তিনি বলেন, তবে হ্যাঁ, যদি তোমরা তার মধ্যে স্পষ্ট কুফরি দেখতে পাও, যে ব্যাপারে তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে দলিল আছে, তাহলে ভিন্ন কথা।'
রাসুলুল্লাহ নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল মুসলমান থেকেই বাইআত গ্রহণ করতেন। তবে পুরুষরা সুখে-দুঃখে, ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, সর্বাবস্থায় তাঁর আনুগত্য করার বিষয়ে মুখে উচ্চারণ করে হাতে হাত রেখে বাইআত দিতেন। আর নারীরা পুরুষের মতো কথার মাধ্যমেই বাইআত দিতেন, তবে হাতে হাত রাখতেন না। কেননা, রাসুলুল্লাহ মহিলাদের সাথে কখনো হাত মিলাতেন না।
আয়িশা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
'নবিজি ﷺ কথার মাধ্যমে, لَا يُشْرِكْنَ بِاللَّهِ شَيْئًا (তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করবে না) আয়াতের ওপর মহিলাদের থেকে বাইআত গ্রহণ করতেন। আয়িশা রা. বলেন, 'কিন্তু তাঁর হাত মহিলাদের হাত স্পর্শ করত না, তবে তাঁর মালিকানাধীন মহিলাগণ (স্ত্রী ও দাসী) হলে ভিন্ন কথা।'
উমাইমা বিনতে রুকাইকা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
'আমি আনসারি মহিলাদের সাথে নবিজি ﷺ-এর নিকট বাইআত দিতে আসলাম। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, আমরা আপনার নিকট এই কথার ওপর বাইআত প্রদান করছি যে, আমরা আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করব না, চুরি করব না, জিনা করব না, কারও ব্যাপারে মিথ্যা অপবাদ দেবো না এবং সৎ কাজে আমরা কখনোই আপনার অবাধ্য হব না। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন, তোমাদের সাধ্যমতো আনুগত্য করবে। উমাইমা রা. বলেন, আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল আমাদের ব্যাপারে অধিক দয়াশীল। হে আল্লাহর রাসুল, আসুন, এখনই আমরা বাইআত হই। রাসুলুল্লাহ বললেন, আমি মহিলাদের সাথে হাত মিলাই না। একজন মহিলার ক্ষেত্রে আমার যে কথা, একশ মহিলার ক্ষেত্রে আমার সে একই কথা।'
অন্যায়ভাবে আমিরের অবাধ্য হতে এবং তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে রাসুলুল্লাহ নিষেধ করেছেন। বাইআত ভঙ্গ করা ও আমিরকে গুরুত্ব না দেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। কারণ, এগুলো হলো পথভ্রষ্টতা, আল্লাহর আদেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া, আল্লাহর আদেশের স্পষ্ট অবাধ্যতা, দ্বীনের আমানতের ক্ষেত্রে শিথিলতা করার নামান্তর।
ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ-কে বলতে শুনেছি:
'যে ব্যক্তি আনুগত্য থেকে হাত গুটিয়ে নিল, সে এমন অবস্থায় কিয়ামত দিনে আল্লাহর সামনে আসবে যে, তার এ কর্মের পক্ষে তার কোনো প্রমাণই থাকবে না। আর যে মৃত্যুবরণ করল; অথচ তার কাঁধে কারও বাইআত নেই, সে জাহিলি মৃত্যুর মতো মৃত্যুবরণ করল।'
টিকাঃ
৪১৭. সুরা আল-ফাতহ: ১০
৪১৮. সুরা আল-ফাতহ: ১৮
৪১৯. সুরা আল-মুমতাহিনা : ১২
৪২০. সহিহু মুসলিম : ৩/১৪২৭, হা. নং ১৮৬৩ (দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবিয়্যি, বৈরুত)
৪২১. সহিহুল বুখারি: ৯/৭৭, হা. নং ৭২০২ (দারু তাওকিন নাজাত, বৈরুত)
৪২২. সহিহু মুসলিম: ৩/১৪৭০, হা. নং ১৭০৯ (দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবিয়্যি, বৈরুত)
৪২৩. সহিহুল বুখারি: ৯/৮০, হা. নং ৭২০১৪। (দারু তাওকিন নাজাত, বৈরুত)
৪২৪. সুনানুন নাসায়ি: ৭/ ১৪৯, হা. নং ৪১৮১ (মাকতাবুল মাতবুআতিল ইসলামিয়্যা, হালব) - হাদিসটি সহিহ।
৪২৫. সহিহু মুসলিম: ৩/১৪৭৮, হা. নং ১৮৫১ (দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবিয়্যি, বৈরুত)
📄 বাইআতের গুরুত্ব
ইসলামি শরিয়তে বাইআতের গুরুত্ব অপরিসীম। মুসলিমদের একতাবদ্ধ থাকা এবং তাদের শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাইআত অনেক বড় ভূমিকা রাখে। বাইআতের দুটি দিক রয়েছে। এক. জনগণ। দুই. শাসক। জনগণ বাইআত প্রদান করে এই অঙ্গীকার করে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত শাসক তাদের প্রতি ন্যায়বিচার করবে এবং তাদের মধ্যে আল্লাহর শরিয়ত বাস্তবায়ন করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের বিচ্ছিন্ন হওয়া বা বিদ্রোহ করার কোনো অধিকার নেই।
অন্যদিকে জনগণের পক্ষ থেকে শাসকের প্রতি এই আস্থা ও তাকে এই দায়িত্ব অর্পনের কারণে শাসক সাধারণ মানুষের প্রতি আরও সদয় হবেন, মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং তার ইখলাসে পূর্ণতা আসবে। তিনি আরও দৃঢ়ভাবে আল্লাহর বিধান মেনে চলবেন। মানুষের মধ্যে আল্লাহর বিধান বাস্তবায়ন করবেন। এ ক্ষেত্রে তিনি চুল পরিমাণও ছাড় দেবেন না। আল্লাহর বিধান বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে কোনো কিছুই তাকে টলাতে পারবে না।
এসব কিছুই জনগণের সাথে শাসকদের মহব্বত-ভালোবাসা বৃদ্ধির মাধ্যম, যা তাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও মজবুত করে তোলে। তাদের মাঝে দূরত্ব কমে যায়। পরস্পর মহব্বত ও ভালোবাসা, ইকরাম ও সম্মানবোধ সৃষ্টি হয়। ফলে মুসলিম উম্মাহ হয়ে ওঠে সুদৃঢ় শক্তিশালী, সীসাঢালা মজবুত এক প্রাচীর। কোনো কিছুই তাদের রুখতে পারে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“হে নবি, ইমানদার নারীরা যখন আপনার কাছে এসে আনুগত্যের শপথ করে বলে যে, তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, তাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, জারজ সন্তানকে স্বামীর ঔরস থেকে গর্ভজাত সন্তান বলে মিথ্যা দাবি করবে না এবং ভালো কাজে আপনার অবাধ্যতা করবে না, তখন তাদের বাইআত গ্রহণ করুন এবং তাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, অত্যন্ত দয়ালু।”
টিকাঃ
৪২৬. সুরা আত-তাওবা: ৭১
📄 কাকে বাইআত দেওয়া হবে
আমরা পূর্বেই বলে এসেছি যে বাইআত দিতে হবে মুসলিম ইমামকে। ইমাম নির্ধারণ বা নির্বাচন করবেন 'আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদ'। অতঃপর সকল মুসলমান এ ইমামকে বাইআত দেবে। অনুরূপভাবে আমরা বাইআতের স্বরূপ বর্ণনায় বলেছি, সকল মুসলমানের ওপর কতর্ব্য হলো, যতক্ষণ না ইমাম তাদের আল্লাহর অবাধ্যতার আদেশ দেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত মুসলিমগণ ইমামের কথা মানার ব্যাপারে অটল থাকবে। কারণ, সৃষ্টিকর্তার অবাধ্যতা হয়, সৃষ্টির এমন কোনো আদেশের আনুগত্য বৈধ নয়। ইমামের দায়িত্ব বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে, জনগণের পক্ষ থেকে ন্যায়পরায়ণ মুসলিম শাসককে এই শর্তের ওপর বাইআত দেবে যে, তিনি সকলকে আল্লাহর বিধান অনুযায়ী পরিচালনা করবেন, তাদের মধ্যে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবেন, আল্লাহর বিধান বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে চুল পরিমাণও ছাড় দেবেন না। সংক্ষেপে বাইআতের মূলনীতি এমনই।
কিন্তু এখন 'বর্তমান সময়ে কাকে বাইআত দেওয়া হবে?' এমন একটি প্রশ্ন আসতে পারে। কারণ, বর্তমান সময়ে ইসলাম বাস্তবতার ময়দান থেকে অনেক দূরে। কোনো ক্ষেত্রেই ইসলামের বাস্তবায়ন নেই। ব্যক্তিগত পর্যায়ে কিছুটা থাকলেও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তা একেবারেই নেই। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে কুফরি আইন-কানুনের মাধ্যমে। চাই সেটা সমাজতন্ত্র হোক বা গণতন্ত্র হোক অথবা ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো শাসনব্যবস্থা হোক। এসব ব্যবস্থা তো সব স্পষ্টই কুফরি। তাহলে বর্তমানে কাকে আমরা বাইআত দেবো?
বর্তমানে প্রতিটি মুসলিমের কাঁধে অর্পিত একটি দায়িত্ব হলো, নতুন করে ইসলামি জীবনধারা ফিরিয়ে আনা। জমিনে আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নের কাজে আত্মনিয়োগ করা। এ দায়িত্ব তো সাধারণ কোনো দায়িত্ব নয়-ই; বরং সকল মুসলিমের ওপর এটি একটি ফরজ দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে শিথিলতা করা, কিংবা দায়িত্ব থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে রাখার কোনো সুযোগই নেই। তাই সকল সাধারণ মুসলিমের অবশ্যকর্তব্য হলো, বর্তমানে যে বা যারা ইতিদালি ও বিশুদ্ধ মানহাজে কুফর ও কুফরি শক্তিকে প্রতিহত করে জমিনে আল্লাহর বিধান কায়েম করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে, শত্রুদের বিরুদ্ধে জিহাদ করছে, তাদের বাইআত দেওয়া। এ মহান কাজে তাদের শক্তিশালী করা এবং তাদের সহযোগিতা করা। যাতে করে আবার নতুন করে বিশ্বে ইসলাম ও ইসলামের দাওয়াত ছড়িয়ে পড়ে, জমিনে আল্লাহর বিধান কায়েম হয়, ফিরে আসে সোনালি অতীত এবং কায়িম হয় ইনসাফ ও ন্যায়বিচার।
ইসলামে বর্ণিত বিধানে সে ইমাম ও অনুসারীর কথা বলা হয়েছে যারা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে দাখিল হওয়ার জন্য মানুষকে আহ্বান করে, যারা নিজেদের দায়িত্ব পালন করে যায়, বিরোধিতাকারীরা যাদের একটি চুলও বাঁকা করতে পারে না। শত্রুরা যতই ষড়যন্ত্র ও কূটকৌশল করুক না কেন, তারা আল্লাহর আদেশের ওপর অটল থাকে। এ অবস্থায় হয়তো শরিয়ত প্রতিষ্ঠা হবে নয়তো তারা আল্লাহর রাহে শাহাদত বরণ করবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“আপনি বলুন, তোমরা আমাদের দুটি কল্যাণের একটির প্রতিক্ষা করছ। আর আমরা প্রত্যাশায় আছি তোমাদের জন্য যে, আল্লাহ তোমাদের আজাব দান করুন নিজের পক্ষ থেকে অথবা আমাদের হাতে। সুতরাং তোমরা অপেক্ষা করো, আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষমাণ।”
টিকাঃ
৪২৭. সুরা আত-তাওবা : ৫২